সংবাদদাতা, পতিরাম: রোগী ও তাঁর পরিবারকে জানানো হচ্ছে প্লেট নেই। ফলে এক্স-রে হচ্ছে না। আবার হাসপাতাল সুপার বলছেন, প্লেটের অভাব নেই। এই ধন্দের মধ্যেই সোমবার বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে এক্স-রে পরিষেবা বন্ধ থাকল। পরিষেবা না পেয়ে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত অপেক্ষা করে হতাশ হয়ে ফিরে গেলেন রোগীরা। পরিজনরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হলেও সুরাহা হয়নি। হাসপাতাল সূত্রে খবর, হাসপাতালে এক্স-রে প্লেট একেবারেই শূন্য। প্লেটের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে।
Advertisement
যদিও এক্স-রে প্লেটের অভাবের কথা অস্বীকার করেছেন সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ। একই কথা বলেছেন, দক্ষিণ দিনাজপুরের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ দাস। বলেছেন, এক্স-রে প্লেটের অভাব হওয়ার কথা নয়। কম থাকলেও স্টোরে এক্স-রে প্লেট রয়েছে। তবে আমার কাছে এনিয়ে কোনও অভিযোগ আসেনি। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলব।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের নিচুতলায় রয়েছে ডিজিটাল এক্স-রে বিভাগ। হাসপাতালের ডাক্তারের পরামর্শে রোগীরা এখানে এক্স-রে করান। এদিন গঙ্গারামপুর ব্লকের ফুলবাড়ি থেকে সন্ধ্যা ছেত্রী তাঁর স্বামীকে নিয়ে আসেন। তাঁর স্বামীর পা এক্সরে করানোর জন্য। তিনি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বসেও এক্স-রে করাতে পারেননি। সন্ধ্যা বলেন, সকাল থেকে না খেয়ে এখানে ছিলাম। কিন্তু কাজ হল না। হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার, ডেপুটি সুপারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁরা জানান, প্লেট নেই, তাই এক্স-রে হবে না। বালুরঘাটের সীমান্তবর্তী ফতেপুর গ্রামের যুবক লেখক মালিও এদিন এক্স-রে করাতে এসে পরিষেবা না পেয়ে হাসপাতালের অফিসে এসে অভিযোগও জানান। ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, আমরা এক্স-রের জন্য হাসপাতালে এসেও ফিরে যাচ্ছি। কর্মীরা বলছেন, প্লেট মজুত নেই। হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগের চিকিৎসকরা একেবারেই উদাসীন বলে অভিযোগ রোগীদের।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ টি এক্স-রে করতে হয়। ফলে প্লেটের অনেক প্রয়োজন হয়। মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার এক্স-রে প্লেটের প্রয়োজন হয়। যা অনেকটাই বেশি বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাই বছরখানেক আগে এক্স-রে প্লেট মজুতে জোর দেওয়া হয়। কারও বেশি সমস্যা হলে এক্স-রে প্লেট দেওয়া হয়। নাহলে প্লেট দেওয়া হয় না। এমনকী, প্রতিমাসে অধিকাংশ রোগী তাঁদের এক্স-রে প্লেট তুলতেই আসেন না। ফলে মাঝেমধ্যেই প্লেটের অভাব দেখা দেয়। সোমবার বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে এক্স-রে পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন রোগীর পরিজনরা। যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য এই পরিষেবাও মাঝেমধ্যে বন্ধ থাকে বলে অভিযোগ।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালের সুপার স্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের নিচুতলায় রয়েছে ডিজিটাল এক্স-রে বিভাগ। হাসপাতালের ডাক্তারের পরামর্শে রোগীরা এখানে এক্স-রে করান। এদিন গঙ্গারামপুর ব্লকের ফুলবাড়ি থেকে সন্ধ্যা ছেত্রী তাঁর স্বামীকে নিয়ে আসেন। তাঁর স্বামীর পা এক্সরে করানোর জন্য। তিনি সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বসেও এক্স-রে করাতে পারেননি। সন্ধ্যা বলেন, সকাল থেকে না খেয়ে এখানে ছিলাম। কিন্তু কাজ হল না। হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট সুপার, ডেপুটি সুপারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাঁরা জানান, প্লেট নেই, তাই এক্স-রে হবে না। বালুরঘাটের সীমান্তবর্তী ফতেপুর গ্রামের যুবক লেখক মালিও এদিন এক্স-রে করাতে এসে পরিষেবা না পেয়ে হাসপাতালের অফিসে এসে অভিযোগও জানান। ক্ষোভ উগরে দিয়ে বলেন, আমরা এক্স-রের জন্য হাসপাতালে এসেও ফিরে যাচ্ছি। কর্মীরা বলছেন, প্লেট মজুত নেই। হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগের চিকিৎসকরা একেবারেই উদাসীন বলে অভিযোগ রোগীদের।
বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ১৫০ টি এক্স-রে করতে হয়। ফলে প্লেটের অনেক প্রয়োজন হয়। মাসে প্রায় সাড়ে তিন হাজার এক্স-রে প্লেটের প্রয়োজন হয়। যা অনেকটাই বেশি বলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। তাই বছরখানেক আগে এক্স-রে প্লেট মজুতে জোর দেওয়া হয়। কারও বেশি সমস্যা হলে এক্স-রে প্লেট দেওয়া হয়। নাহলে প্লেট দেওয়া হয় না। এমনকী, প্রতিমাসে অধিকাংশ রোগী তাঁদের এক্স-রে প্লেট তুলতেই আসেন না। ফলে মাঝেমধ্যেই প্লেটের অভাব দেখা দেয়। সোমবার বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে এক্স-রে পরিষেবা বিঘ্নিত হওয়ায় ক্ষোভ উগরে দেন রোগীর পরিজনরা। যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য এই পরিষেবাও মাঝেমধ্যে বন্ধ থাকে বলে অভিযোগ।



