নিজস্ব প্রতিনিধি, শালবনী: শাল গাছের ঘন জঙ্গলের একপাশে ছোট্ট গ্রাম। সেই গ্রামে হাতে গোনা কয়েকটি লোধা-শবর পরিবারের বসবাস। প্রত্যেকে থাকেন মাটির বাড়িতে। প্রতিটা বাড়ির যেন ভগ্নপ্রায় অবস্থা। কিন্তু গত প্রায় একশো বছরে গ্রামের মানুষ পাননি বাড়ি। অবশেষে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্বপ্নের বাংলার বাড়ি প্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি পাচ্ছেন লোধা-শবর পরিবারের মানুষ। তাই গ্রামে যেন উৎসব নেমে এসেছে। ছবিটা মেদিনীপুর বিধানসভার শালবনী ব্লকের পিড়চক গ্রামের। এই গ্রামের বেশিরভাগ পরিবারই বাড়ি পাবে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানাচ্ছেন, গ্রামটি জঙ্গল সংলগ্ন হওয়ায় হাতির আনাগোনা লেগেই থাকে। খাবারের সন্ধানে হাতি মাঝে মধ্যেই আক্রমণ করে। এরফলে এই গ্রামের বেশির ভাগ মাটির বাড়ি ভেঙে গিয়েছে। তাই এতদিন বিপদকে সঙ্গী করেই জীবন কাটাতে হতো। কিন্তু সরকারি প্রকল্পে বাড়ি পাওয়ায় খুশি গ্রামের মানুষ।
Advertisement
এদিন গ্রামের বাড়িতে বসে গাছের ডাল কাটছিলেন ছায়া নায়েক। তিনি বলেন, কোনওদিন ভাবতেই পারিনি সরকারি প্রকল্পে বাড়ি পাব। খুবই কষ্ট করে আমাদের জীবন যাপন করতে হয়। কিন্তু বাড়ি পাওয়ায় গ্রামের প্রত্যেকে বেশ খুশি। রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহর থেকে কিছুটা দূরেই জঙ্গলে ঘেরা পিড়চক গ্রাম। এই গ্রামে ৯টি লোধা-শবর পরিবারের বসবাস। এক সময় মাওবাদী আন্দোলনের প্রভাবও পড়েছিল গ্রামবাসীদের উপর। সেই সময় সামান্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধাটুকুও তাঁরা পেতেন না। কিন্তু সরকার বদলের পর ছবিটাও বদলাতে শুরু করে। বর্তমানে এই গ্রামে যাওয়ার রাস্তা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রামের মানুষের সুবিধার জন্য একটি স্কুল তৈরি হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন গ্রামের মানুষ। অপরদিকে, এই গ্রামে বেশ কয়েকবার হাতির দল আক্রমণ চালিয়েছে। এরফলে বহু কষ্ট করেই গ্রামবাসীদের থাকতে হয়। কিন্তু অবশেষে সেই গ্রামের মানুষ সরকারি প্রকল্পের বাড়ি পাওয়ায়, সুদিন ফিরছে বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এক গ্রামবাসীর কথায়, ২০১৪ সালে গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা এসেছে। বাম আমলে কিছুই পাননি গ্রামবাসীরা। গ্রামের ৯টি পরিবারের মধ্যে ৬টি পরিবার বাড়ি পাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা বাড়ি তৈরির জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনাও শুরু করেছেন।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা হাতির ভয়ে স্কুলে যেতে পারত না। বিষয়টি জানতে পারেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি। তাঁর নির্দেশে গ্রামের ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ও নির্ভয়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য টোটো সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া তাঁদের টিউশনি পড়ানোর জন্য দু’জন শিক্ষককে নিয়োগ করা হয়। তার কয়েকমাসের মধ্যেই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাড়ি পাওয়ায় আত্মহারা গ্রামের বাসিন্দারা।
জেলাশাসক বলেন, জেলার বহু প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ বাড়ি পাচ্ছেন। মানুষের পাশে সর্বদা প্রশাসন আছে।
এদিন কথা হচ্ছিল সঞ্জয় ভুঁইয়ার সঙ্গে। তাঁর শ্বশুরবাড়ি পিড়চক গ্রামে। তিনি বলেন, শ্বশুরবাড়ির লোকেদের খুবই সমস্যায় পড়তে হতো। তাঁদের বাড়িরও ভাঙাচোরা অবস্থা। চাইব গ্রামের বাকি তিনটি পরিবারও দ্রুত বাড়ি পাক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেদিনীপুর শহর থেকে কিছুটা দূরেই জঙ্গলে ঘেরা পিড়চক গ্রাম। এই গ্রামে ৯টি লোধা-শবর পরিবারের বসবাস। এক সময় মাওবাদী আন্দোলনের প্রভাবও পড়েছিল গ্রামবাসীদের উপর। সেই সময় সামান্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধাটুকুও তাঁরা পেতেন না। কিন্তু সরকার বদলের পর ছবিটাও বদলাতে শুরু করে। বর্তমানে এই গ্রামে যাওয়ার রাস্তা তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে গ্রামের মানুষের সুবিধার জন্য একটি স্কুল তৈরি হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন গ্রামের মানুষ। অপরদিকে, এই গ্রামে বেশ কয়েকবার হাতির দল আক্রমণ চালিয়েছে। এরফলে বহু কষ্ট করেই গ্রামবাসীদের থাকতে হয়। কিন্তু অবশেষে সেই গ্রামের মানুষ সরকারি প্রকল্পের বাড়ি পাওয়ায়, সুদিন ফিরছে বলেই মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এক গ্রামবাসীর কথায়, ২০১৪ সালে গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা এসেছে। বাম আমলে কিছুই পাননি গ্রামবাসীরা। গ্রামের ৯টি পরিবারের মধ্যে ৬টি পরিবার বাড়ি পাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা বাড়ি তৈরির জন্য নানা ধরনের পরিকল্পনাও শুরু করেছেন।
প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা হাতির ভয়ে স্কুলে যেতে পারত না। বিষয়টি জানতে পারেন পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসক খুরশিদ আলি কাদরি। তাঁর নির্দেশে গ্রামের ছাত্রছাত্রীদের জন্য বিনামূল্যে ও নির্ভয়ে স্কুলে যাওয়ার জন্য টোটো সার্ভিসের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া তাঁদের টিউশনি পড়ানোর জন্য দু’জন শিক্ষককে নিয়োগ করা হয়। তার কয়েকমাসের মধ্যেই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বাড়ি পাওয়ায় আত্মহারা গ্রামের বাসিন্দারা।
জেলাশাসক বলেন, জেলার বহু প্রত্যন্ত এলাকার মানুষ বাড়ি পাচ্ছেন। মানুষের পাশে সর্বদা প্রশাসন আছে।
এদিন কথা হচ্ছিল সঞ্জয় ভুঁইয়ার সঙ্গে। তাঁর শ্বশুরবাড়ি পিড়চক গ্রামে। তিনি বলেন, শ্বশুরবাড়ির লোকেদের খুবই সমস্যায় পড়তে হতো। তাঁদের বাড়িরও ভাঙাচোরা অবস্থা। চাইব গ্রামের বাকি তিনটি পরিবারও দ্রুত বাড়ি পাক।



