সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: বেপরোয়া গাড়ি ও বাইক চলাচলের জেরে বলরামপুর থানার ৩২ নম্বর জাতীয় সড়ক যেন মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। একমাসে জাতীয় সড়কে ১১টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকার বাসিন্দারা চাইছেন, দুর্ঘটনা কমাতে পুলিস আরও সক্রিয় হোক। পুলিসের দাবি, নবনির্মিত ঝা চকচকে রাস্তায় প্রচণ্ড জোরে গাড়ি ও বাইক চালানোয় দুর্ঘটনা বাড়ছে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, বলরামপুর থানা এলাকায় প্রায় একমাসে ১৫-র বেশি পথদুর্ঘটনা ঘটেছে। তার মধ্যে ৩২নম্বর জাতীয় সড়কেই ১১টি বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। সেখানে বিভিন্ন দুর্ঘটনায় এক সিভিক ভলান্টিয়ার সহ দু’জনের মৃত্যুর পাশাপাশি ২১জনের বেশি গুরুতর জখম হয়েছেন। এলাকার বাসিন্দারা জানান, বলরামপুরে পথদুর্ঘটনা প্রায়ই ঘটছে। কখনও বাইকে-বাইকে ধাক্কা, কখনও লরি ও বাইকের সংঘর্ষ ঘটছে। আবার কখনও চারচাকা গাড়ির ধাক্কায় বাইক আরোহী জখম হয়েছেন। জেলার মধ্যে বলরামপুরে দুর্ঘটনার সংখ্যা প্রচণ্ড বেড়ে গেলেও আলাদা কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বেপরোয়া যান চলাচল রুখতে পুলিস কোনও পদক্ষেপই করেনি।
ইতিমধ্যে বলরামপুর নাগরিক কমিটি গাড়ি ও বাইকের গতি নিয়ন্ত্রণ সহ নানা দাবিতে সংশ্লিষ্ট থানায় ডেপুটেশন দিয়েছে। কমিটির সম্পাদক দীপক কুমার বলেন, বলরামপুরে নতুন জাতীয় সড়ক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে বড় দুর্ঘটনারই খবর শোনা যায়। এছাড়া, হামেশাই ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে। বাইক, লরি সহ নানা গাড়ির বেপরোয়া গতি বিপদ ডেকে আনছে। পুলিসকে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় স্পিডব্রেকার বসানো, স্পিডোমিটার লাগানোর আর্জি জানানো হয়েছে। এছাড়া, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কেউ যাতে গাড়ি চালাতে না পারে, সেজন্য পুলিসকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।
বলরামপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, নতুন ঝাঁ চকচকে জাতীয় সড়কে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি, বাইক চালানোর জেরেই দুর্ঘটনা এত বেড়ে গিয়েছে। জাতীয় সড়কে হাম্প লাগানো যাবে না। বেশ কিছু জায়গায় গার্ডরেল দিয়ে গতি কমানোর চেষ্টা হলেও বিশেষ লাভ হয়নি। সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। এলাকায় কেউ বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালালে পুলিসকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে তবেই দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। সর্বোপরি বিষয় হল রাস্তাঘাটে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।
ইতিমধ্যে বলরামপুর নাগরিক কমিটি গাড়ি ও বাইকের গতি নিয়ন্ত্রণ সহ নানা দাবিতে সংশ্লিষ্ট থানায় ডেপুটেশন দিয়েছে। কমিটির সম্পাদক দীপক কুমার বলেন, বলরামপুরে নতুন জাতীয় সড়ক মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। নিয়মিত দুর্ঘটনার খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে বড় দুর্ঘটনারই খবর শোনা যায়। এছাড়া, হামেশাই ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে। বাইক, লরি সহ নানা গাড়ির বেপরোয়া গতি বিপদ ডেকে আনছে। পুলিসকে সড়কের বিভিন্ন জায়গায় স্পিডব্রেকার বসানো, স্পিডোমিটার লাগানোর আর্জি জানানো হয়েছে। এছাড়া, নেশাগ্রস্ত অবস্থায় কেউ যাতে গাড়ি চালাতে না পারে, সেজন্য পুলিসকে সক্রিয় ভূমিকা নিতে হবে।
বলরামপুর থানার পুলিস জানিয়েছে, নতুন ঝাঁ চকচকে জাতীয় সড়কে বেপরোয়া গতিতে গাড়ি, বাইক চালানোর জেরেই দুর্ঘটনা এত বেড়ে গিয়েছে। জাতীয় সড়কে হাম্প লাগানো যাবে না। বেশ কিছু জায়গায় গার্ডরেল দিয়ে গতি কমানোর চেষ্টা হলেও বিশেষ লাভ হয়নি। সাধারণ মানুষকে সচেতন হতে হবে। এলাকায় কেউ বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালালে পুলিসকে জানাতে হবে। এক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করা গেলে তবেই দুর্ঘটনা কমানো সম্ভব। সর্বোপরি বিষয় হল রাস্তাঘাটে সর্বদা সচেতন থাকতে হবে।



