সংবাদদাতা, করিমপুর: প্রতি বছরের মতো এবারও ২ নভেম্বর থেকে রাজ্যের সমস্ত জেলার ধান ক্রয়কেন্দ্রে(সিপিসি) ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের থেকে ধান কেনা শুরু করেছে খাদ্যদপ্তর। কিন্তু একমাস পেরিয়ে গেলেও করিমপুর-১ ব্লকের কিষাণ মাণ্ডির ধান ক্রয়কেন্দ্রে চাষিদের দেখা মিলছে না। স্থানীয় চাষিরা জানান, এই এলাকায় ধানের বদলে কলা ও সব্জি চাষ বেড়ে গিয়েছে। ধান চাষে আগ্রহ অনেকটাই কম। সেকারণেই এই পরিস্থিতি।
Advertisement
করিমপুর-১ ব্লকে ধানের উৎপাদন খুব কম। করিমপুর-২ ব্লকের কিছু এলাকায় ধান চাষ হয়। ওই ব্লকের ধান ক্রয়কেন্দ্র দূরে হওয়ায় সেখানকার চাষিরাও করিমপুর-১ ব্লকের সিপিসিতেই ধান বিক্রি করতে আসেন। গত বছরও এই কেন্দ্রে প্রায় ৭৫ হাজার কুইন্টাল ধান কেনা হয়েছিল। কিন্তু এবার ধান কেনা শুরুর একমাস পেরিয়ে গেলেও ৫০ কুইন্টাল ধানও চাষিরা বিক্রি করতে আসেননি।
ওই সিপিসি’র ক্রয় আধিকারিক বিপ্লব রায় বলেন, এবছর ধানের সহায়কমূল্য কুইন্টাল পিছু ২৩২০টাকা। এই কেন্দ্র ছাড়াও এলাকার প্রাথমিক কৃষি সমবায় সমিতি, কৃষি বিপণন সমিতি, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, এফপিসি ও ল্যাম্পস ধান কিনছে। ধানের সহায়কমূল্য সরাসরি চাষিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়। কেউ কেউ নথি জমা দিয়ে ধান বিক্রয় কার্ড তৈরি করতে আসছেন। কিন্তু ধান বিক্রির জন্য এখনও কোনও চাষি আসেননি।
হোগলবেড়িয়ার চাষি সাধন প্রামাণিক বলেন, ২০বছর আগেও শীতের মরশুমে এখানে প্রচুর ধান উৎপাদিত হতো। সেসময় চাষিদের ধান কম দামে বিক্রি করতে হতো। এরপর এলাকার চাষিরা ধীরে ধীরে কলা, বেগুন, লঙ্কা, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙে চাষে ঝুঁকে পড়েন। এখন কয়েকজন চাষি খুব অল্প জমিতে ধান চাষ করেন।করিমপুর-১ ব্লক কৃষি আধিকারিক মহসিন মণ্ডল জানান, এই এলাকায় নিচু বা জলাজমিতে ধান চাষ হয়। ব্লকে খারিফ মরশুমে ৩৩০০হেক্টর জমিতে আমন ও আউশ ধান ফলানো হয়েছিল। রবি মরশুমে প্রায় ১৭৫০হেক্টর জমিতে শুধু বোরো ধান হয়। তার মধ্যে বেশিরভাগ ধান কৃষকদের বাড়ির প্রয়োজনে লেগে যায়। এখন আবহাওয়া, জমির প্রকৃতি বদলে যাওয়া সহ নানা কারণে ধানের ফলন কমে গিয়েছে। তার বদলে সব্জি ও অন্য চাষ বেড়েছে। ধান চাষ বৃদ্ধির বিষয়ে দপ্তরের তরফে চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
ওই সিপিসি’র ক্রয় আধিকারিক বিপ্লব রায় বলেন, এবছর ধানের সহায়কমূল্য কুইন্টাল পিছু ২৩২০টাকা। এই কেন্দ্র ছাড়াও এলাকার প্রাথমিক কৃষি সমবায় সমিতি, কৃষি বিপণন সমিতি, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, এফপিসি ও ল্যাম্পস ধান কিনছে। ধানের সহায়কমূল্য সরাসরি চাষিদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হয়। কেউ কেউ নথি জমা দিয়ে ধান বিক্রয় কার্ড তৈরি করতে আসছেন। কিন্তু ধান বিক্রির জন্য এখনও কোনও চাষি আসেননি।
হোগলবেড়িয়ার চাষি সাধন প্রামাণিক বলেন, ২০বছর আগেও শীতের মরশুমে এখানে প্রচুর ধান উৎপাদিত হতো। সেসময় চাষিদের ধান কম দামে বিক্রি করতে হতো। এরপর এলাকার চাষিরা ধীরে ধীরে কলা, বেগুন, লঙ্কা, ঢ্যাঁড়শ, ঝিঙে চাষে ঝুঁকে পড়েন। এখন কয়েকজন চাষি খুব অল্প জমিতে ধান চাষ করেন।করিমপুর-১ ব্লক কৃষি আধিকারিক মহসিন মণ্ডল জানান, এই এলাকায় নিচু বা জলাজমিতে ধান চাষ হয়। ব্লকে খারিফ মরশুমে ৩৩০০হেক্টর জমিতে আমন ও আউশ ধান ফলানো হয়েছিল। রবি মরশুমে প্রায় ১৭৫০হেক্টর জমিতে শুধু বোরো ধান হয়। তার মধ্যে বেশিরভাগ ধান কৃষকদের বাড়ির প্রয়োজনে লেগে যায়। এখন আবহাওয়া, জমির প্রকৃতি বদলে যাওয়া সহ নানা কারণে ধানের ফলন কমে গিয়েছে। তার বদলে সব্জি ও অন্য চাষ বেড়েছে। ধান চাষ বৃদ্ধির বিষয়ে দপ্তরের তরফে চাষিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।



