নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: টার্গেট ১ লক্ষ ৯০ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু গত একমাসে মাত্র ১০ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনতে পেরেছে জলপাইগুড়ি জেলা খাদ্যদপ্তর। স্বাভাবিকভাবেই ধান কেনার কাজে গতি আনতে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য। শুক্রবার রাজ্যের মুখ্যসচিব মনোজ পন্থের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠক ছিল জেলা প্রশাসনের। সেখানেই মুখ্যসচিব জলপাইগুড়ি জেলাকে সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় গতি বাড়ানোর নির্দেশ দেন বলে প্রশাসন সূত্রে খবর।
Advertisement
জেলাশাসক শমা পারভীন বলেন, এখনও বহু কৃষকের ধান মাঠে রয়েছে। ওই ফসল উঠলে ডিসেম্বর মাসে ধান কেনার গতি অনেকটা বাড়বে। লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে আমরা যথেষ্ট আশাবাদী। ধান বিক্রির জন্য কৃষককে যাতে দূরে যেতে না হয়, সেজন্য সাতটি ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এছাড়া ২৪টি স্থায়ী কেন্দ্র থাকছে।
জলপাইগুড়ি জেলা খাদ্য নিয়ামক দাওয়া ওয়াংগেল লামা বলেন, আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত ৩৩২৫ জন কৃষক ধান বিক্রি করেছেন। ১০ হাজার মেট্রিক টনের মতো ধান কিনতে পেরেছি আমরা। গতবার এসময় সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টনের মতো ধান কিনতে পেরেছিলাম। সেই তুলনায় এবার এগিয়ে আছি। তবে রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের তরফে ধান কেনার কাজে আমাদের আরও গতি বাড়াতে বলেছে।
গতবার জলপাইগুড়ি জেলায় ধান কেনার টার্গেট ছিল ২ লক্ষ ৩২ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু শেষপর্যন্ত দেখা যায়, মাত্র ১ লক্ষ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনতে সক্ষম হয়েছে খাদ্যদপ্তর। সেকারণে এবার টার্গেট অনেকটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও ধান কেনার যা গতি, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয়ে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের একাংশ। ইতিমধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্র ফাঁকা পড়ে থাকলেও, কৃষক বিক্রির জন্য হাটে ধান নিয়ে আসছেন, এমন ঘটনা সামনে এসেছে। বিষয়টি খাদ্যদপ্তরকে দেখতে বলা হয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ামকের অবশ্য দাবি, এমনটা হওয়ার কোনও কারণ নেই। এবার সরকারকে ধান বিক্রি করলে কুইন্টাল প্রতি ২৩০০ টাকা দাম মিলছে। যাঁরা ক্রয় কেন্দ্রে ধান নিয়ে আসছেন, তাঁরা আরও ২০ টাকা উৎসাহ ভাতা পাচ্ছেন। তাছাড়া কৃষক যেদিন ধান বিক্রি করতে চাইবেন, সেদিনই কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনদিনের মধ্যেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে।
জলপাইগুড়ি জেলা খাদ্য নিয়ামক দাওয়া ওয়াংগেল লামা বলেন, আমাদের কাছে এখনও পর্যন্ত ৩৩২৫ জন কৃষক ধান বিক্রি করেছেন। ১০ হাজার মেট্রিক টনের মতো ধান কিনতে পেরেছি আমরা। গতবার এসময় সাড়ে তিন হাজার মেট্রিক টনের মতো ধান কিনতে পেরেছিলাম। সেই তুলনায় এবার এগিয়ে আছি। তবে রাজ্য ও জেলা প্রশাসনের তরফে ধান কেনার কাজে আমাদের আরও গতি বাড়াতে বলেছে।
গতবার জলপাইগুড়ি জেলায় ধান কেনার টার্গেট ছিল ২ লক্ষ ৩২ হাজার মেট্রিক টন। কিন্তু শেষপর্যন্ত দেখা যায়, মাত্র ১ লক্ষ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনতে সক্ষম হয়েছে খাদ্যদপ্তর। সেকারণে এবার টার্গেট অনেকটা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও ধান কেনার যা গতি, লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নিয়ে সংশয়ে জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের একাংশ। ইতিমধ্যেই অভিযোগ উঠেছে, সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্র ফাঁকা পড়ে থাকলেও, কৃষক বিক্রির জন্য হাটে ধান নিয়ে আসছেন, এমন ঘটনা সামনে এসেছে। বিষয়টি খাদ্যদপ্তরকে দেখতে বলা হয়েছে।
জেলা খাদ্য নিয়ামকের অবশ্য দাবি, এমনটা হওয়ার কোনও কারণ নেই। এবার সরকারকে ধান বিক্রি করলে কুইন্টাল প্রতি ২৩০০ টাকা দাম মিলছে। যাঁরা ক্রয় কেন্দ্রে ধান নিয়ে আসছেন, তাঁরা আরও ২০ টাকা উৎসাহ ভাতা পাচ্ছেন। তাছাড়া কৃষক যেদিন ধান বিক্রি করতে চাইবেন, সেদিনই কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনদিনের মধ্যেই তাঁর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকে যাবে।



