নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: মেদিনীপুরে একসঙ্গে দেওর ও বউদির ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। ঘটনাটি ঘটেছে মেদিনীপুর শহর সংলগ্ন আবাস ফড়িংডাঙ্গা এলাকায়। বুধবার সকালে এই ঘটনা জানাজানি হয়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতদের নাম সমর মাণ্ডি(২২) ও নিয়তি মাণ্ডি (২০)। সমরবাবু দিন মজুরের কাজ করতেন। নিয়তিদেবী বাড়িতেই থাকতেন। এদিন সকালে নিয়তিদেবীর শাড়ির ফাঁসে দু›জনকে ঝুলতে দেখতে পান সমরবাবুর বোন। খবর পেয়ে মেদিনীপুর কোতোয়ালি থানার পুলিস যুগলকে উদ্ধার করে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। চিকিৎসক তাঁদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অনুমান, তাঁদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তবে কী কারণে প্রেমের এমন করুণ পরিণতি হল, তা নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে আবাস ফড়িংডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ঝন্টু মাণ্ডির সঙ্গে বিয়ে হয় শালবনী থানার পিরাকাটা এলাকার বাসিন্দা নিয়তি মাণ্ডির। তাঁদের চার বছর বয়সী ছেলে রয়েছে। ঝন্টুবাবু কর্মসূত্রে ভিন রাজ্যে থাকেন। তিনি এক বছর অন্তর অন্তর বাড়িতে আসেন। বাড়িতে স্ত্রী-সন্তান ছাড়াও ছিল ভাই সমর, মা ও বোন। জানা গিয়েছে, স্ত্রীর সুবিধা অসুবিধা দেখভাল করার জন্য ভাই সমরকে বলে গিয়েছিলেন ঝন্টুবাবু। সেইমত বিভিন্ন কাজে বউদিকে সহযোগিতা করতেন সমরবাবু। পরিবারের সদস্যদের অনুমান, স্বামী অন্যত্র থাকায় ধীরে ধীরে নিয়তিদেবীর সঙ্গে সমরবাবুর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। মঙ্গলবার সকালে সমরবাবুর ঘরে যান নিয়তিদেবী। এরপর তাঁরা আর ঘর থেকে বের হননি।।
বুধবার সকালেও দু’জনের কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। এরপর সমরবাবুর বোন সোমা মাণ্ডি ঘরের জানালা দিয়ে উকি মেরে দেখেন, বউদির শাড়ির ফাঁসে ঝুলছে দাদা সমর। সেই শাড়িই আর এক প্রান্তে ফাঁসে ঝুলে রয়েছে বউদি। সমরবাবুর মা ও বোনের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা সেখানে ছুটে আসেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিস জানালা ভেঙে যুগলকে উদ্ধার করে। ঘরের ছোট ছেলে ও বউমার মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা ফুলমণি মাণ্ডি। তিনি বলেন, আমাদের পরিবারে কোনও ঝগড়া অশান্তি হয়নি। ওদের কিছু বলাও হয়নি। ছেলে যে কাজে যায়নি, সেটা জানতাম না। মাথাতেই আসছে না, কেন এমন ঘটনা ঘটল। স্থানীয় শিরমণি পঞ্চায়েত সদস্য গুরমণি হেমব্রম বলেন, খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। পুলিস যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সন্দীপ রায় বলেন, পারিবারিক কোনও অশান্তির কথা শুনতে পাইনি। তবে, দু’জনকে একসঙ্গে বহুবার দেখা গিয়েছে। অস্বাভাবিক কিছু মনে হয়নি। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল বুঝতে পারছি না। আশা করছি, তদন্তের পর সঠিক তথ্য উঠে আসবে।
পুলিস জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
বুধবার সকালেও দু’জনের কোনও সাড়া শব্দ না পেয়ে সন্দেহ হয় পরিবারের সদস্যদের। এরপর সমরবাবুর বোন সোমা মাণ্ডি ঘরের জানালা দিয়ে উকি মেরে দেখেন, বউদির শাড়ির ফাঁসে ঝুলছে দাদা সমর। সেই শাড়িই আর এক প্রান্তে ফাঁসে ঝুলে রয়েছে বউদি। সমরবাবুর মা ও বোনের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা সেখানে ছুটে আসেন। খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানার পুলিস জানালা ভেঙে যুগলকে উদ্ধার করে। ঘরের ছোট ছেলে ও বউমার মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়েন মা ফুলমণি মাণ্ডি। তিনি বলেন, আমাদের পরিবারে কোনও ঝগড়া অশান্তি হয়নি। ওদের কিছু বলাও হয়নি। ছেলে যে কাজে যায়নি, সেটা জানতাম না। মাথাতেই আসছে না, কেন এমন ঘটনা ঘটল। স্থানীয় শিরমণি পঞ্চায়েত সদস্য গুরমণি হেমব্রম বলেন, খুবই মর্মান্তিক ঘটনা। পুলিস যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সন্দীপ রায় বলেন, পারিবারিক কোনও অশান্তির কথা শুনতে পাইনি। তবে, দু’জনকে একসঙ্গে বহুবার দেখা গিয়েছে। অস্বাভাবিক কিছু মনে হয়নি। কী কারণে এমন ঘটনা ঘটল বুঝতে পারছি না। আশা করছি, তদন্তের পর সঠিক তথ্য উঠে আসবে।
পুলিস জানিয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।



