সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: এসএসসি, রেল ও পুলিসে চাকরি করে দেওয়ার নামে একই পরিবারের বিভিন্নজনের কাছ থেকে প্রায় ৬১ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল পুরুলিয়া শহরের দুই বাসিন্দার বিরুদ্ধে। এবিষয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুরুলিয়া সদর থানায় লিখিত অভিযোগও জমা পড়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুরুলিয়া সদর থানার পুলিস।
Advertisement
পুরুলিয়া মফস্সল থানার বনবহাল গ্রামের এক বাসিন্দা এনিয়ে সম্প্রতি সদর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, পুরুলিয়া শহরের সরকার পাড়া এবং ধবঘাটা এলাকার দু’জন ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর শহরে যাওয়া আসার সূত্রে আলাপ হয়। ধবঘাটা এলাকার ওই ব্যক্তি পরে তার রেলকর্মী দাদার সঙ্গেও পরিচয় করিয়ে দেয়। ওই রেলকর্মীর মাধ্যমেই রেলে চাকরি করে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল।
তিনি লিখিত অভিযোগে আরও জানিয়েছেন, ওই তিনজন তাঁকে জানিয়ে ছিলেন রাজ্যের নেতা মন্ত্রীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। এসএসসির মাধ্যমে স্কুলে টাকার বিনিময়ে চাকরি করে দেবে। আশ্বাস পেয়ে তিনি তাঁর স্ত্রী, দাদা, ভাই, শ্যালক, ভাইপো, ভাগ্না ও ভাগ্নির চাকরির জন্য টাকা দেন। ২০১৯ সাল থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ৬১ লক্ষ টাকা তিনি দেন। ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত করোনার কারণে কোনও কাজ হয়নি। ২০২৩ সালেও কোনও কাজ না হওয়ায় বারবার কাজের জন্য ওদের চাপ দেওয়া হয়। তাতেই ওদের একজন জানায়, মোট ২২ জনের রেলে চাকরি করে দেওয়া হবে। তাও হয়নি। শেষে পুলিস বিভাগে চাকরি করে দেওয়ার কথা জানায়। তাও হল না। প্রতারণার বিষয়টি আন্দাজ করেই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়। কয়েক দফায় প্রায় ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ওরা ফেরতও দিয়েছিল। বাকি টাকা চাইলে ওরা লিখিতভাবে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকারও করে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসের পর আর কোনও টাকা তারা ফেরত দেয়নি। এখন টাকা চাইতে গেলে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। গোটা বিষয়টি লিখিতভাবে তিনি সদর থানায় জানান। অভিযোগ পাওয়ার পরই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
তিনি লিখিত অভিযোগে আরও জানিয়েছেন, ওই তিনজন তাঁকে জানিয়ে ছিলেন রাজ্যের নেতা মন্ত্রীদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। এসএসসির মাধ্যমে স্কুলে টাকার বিনিময়ে চাকরি করে দেবে। আশ্বাস পেয়ে তিনি তাঁর স্ত্রী, দাদা, ভাই, শ্যালক, ভাইপো, ভাগ্না ও ভাগ্নির চাকরির জন্য টাকা দেন। ২০১৯ সাল থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ৬১ লক্ষ টাকা তিনি দেন। ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত করোনার কারণে কোনও কাজ হয়নি। ২০২৩ সালেও কোনও কাজ না হওয়ায় বারবার কাজের জন্য ওদের চাপ দেওয়া হয়। তাতেই ওদের একজন জানায়, মোট ২২ জনের রেলে চাকরি করে দেওয়া হবে। তাও হয়নি। শেষে পুলিস বিভাগে চাকরি করে দেওয়ার কথা জানায়। তাও হল না। প্রতারণার বিষয়টি আন্দাজ করেই টাকা ফেরত দেওয়ার দাবি জানানো হয়। কয়েক দফায় প্রায় ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা ওরা ফেরতও দিয়েছিল। বাকি টাকা চাইলে ওরা লিখিতভাবে টাকা নেওয়ার কথা স্বীকারও করে। ২০২৩ সালের মার্চ মাসের পর আর কোনও টাকা তারা ফেরত দেয়নি। এখন টাকা চাইতে গেলে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। গোটা বিষয়টি লিখিতভাবে তিনি সদর থানায় জানান। অভিযোগ পাওয়ার পরই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।



