সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ফের একবার গবাদিপশু পাচারের চেষ্টা ভেস্তে দিল ময়নাগুড়ি থানার পুলিস। বৃহস্পতিবার প্রায় দেড় কিমি তাড়া করে ২৭টি মোষ উদ্ধার করেছিল পুলিস। রাতেই ফের ময়নাগুড়ির অসম মোড় সংলগ্ন জাতীয় সড়ক থেকে ১৩টি গোরু উদ্ধার করল পুলিস। সকালের অভিযানে কিষানগঞ্জের তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের তিনদিনের পুলিসি হেপাজত হয়। অপরদিকে, রাতে গোরু পাচারের চেষ্টার অভিযোগে অসমের জাকির হোসেন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। দুটি গাড়ি আটক করেছে পুলিস। অভিযুক্তর বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত চলছে। কুয়াশার আড়ালে গবাদি পশু পাচারের চেষ্টা চলছে। তবে ময়নাগুড়ি থানার তৎপরতায় ১০দিনে জাতীয় সড়ক থেকে ১১৫টি গবাদি পশু উদ্ধার হয়েছে।
Advertisement
বৃহস্পতিবার রাতে ময়নাগুড়ি থানার একটি টিম অসম মোড় সংলগ্ন এলাকায় নাকা চেকিং করছিল। এই সময় একটি অসমের লরি আসতে দেখে পুলিস গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করে। কিন্তু, গাড়িটি পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু তাতে তারা সফল হয়নি। অসম মোড়ে থাকা কর্তব্যরত পুলিস আধিকারিক সহ টিম গাড়ি সার্চ করে। দেখা যায় ১০চাকা লরিটি পিছন থেকে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। সেই ত্রিপল সরাতে তেরোটি গোরু দেখতে পায় পুলিস। শুধু তাই নয়, আলাদা একটি নম্বর প্লেট ও গাড়ির মধ্য থেকে উদ্ধার হয়। গোরু পরিবহণের কাগজ দেখতে চায় পুলিস। গাড়ি চালক সেটা দেখাতে পারিনি। তৎক্ষণাৎ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গোরুগুলি আব্দুল মোড় সংলগ্ন খোঁয়ারে রাখা হয়েছে।
আইসি সুবল ঘোষ বলেন, প্রতিদিন আমাদের জাতীয় সড়ক এবং সার্ক রোডে নজরদারি চলছে। কুয়াশার আড়ালে পাচারকারীরা সচেষ্ট হয়। তবে আমরা কোনওভাবেই পাচার করতে দেব না। আমাদের টিম সজাগ রয়েছে। সে কারণেই একের পর এক গবাদি পশু উদ্ধার হচ্ছে। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে।
আইসি সুবল ঘোষ বলেন, প্রতিদিন আমাদের জাতীয় সড়ক এবং সার্ক রোডে নজরদারি চলছে। কুয়াশার আড়ালে পাচারকারীরা সচেষ্ট হয়। তবে আমরা কোনওভাবেই পাচার করতে দেব না। আমাদের টিম সজাগ রয়েছে। সে কারণেই একের পর এক গবাদি পশু উদ্ধার হচ্ছে। নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু হচ্ছে।



