সজল মণ্ডল, রঘুনাথপুর: প্রযুক্তির চূড়ান্ত অগ্রগতির এই যুগেও মানুষ পুকুরের জল পান করছে, এ কথা ভাবাই যায় না। কিন্তু এটাই কঠোর বাস্তব রঘুনাথপুর ১ নম্বর ব্লকের খাজুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের লালপুর গ্রামে। চারদিক সবুজ বনভূমিতে ঘেরা। তারই মাঝে আদিবাসী অধ্যুষিত লালপুর গ্রাম। দূর থেকে খালি চোখে গ্রামটির অস্তিত্ব বোঝা মুশকিল। এই গ্রামে বসবাসকারী ১০০টির বেশি পরিবার পানীয় জলের সমস্যায় ভুগছে। গ্রামের বাসিন্দারা এখনও পুকুরের পাশে চুয়া (ডোবা) কেটে জল সংগ্রহ করছেন। সেই জলই গ্রামবাসীরা রান্নার কাজ থেকে শুরু করে পান করার জন্য ব্যবহার করছেন। এই চিত্র সামনে আসতেই এলাকায় শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
রঘুনাথপুরের মহকুমা শাসক বিবেক পঙ্কজ বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খাজুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের একেবারে শেষ সীমান্তে অবস্থিত লালপুর গ্রামটি। গ্রামে পানীয় জলের সমস্যা অবর্ণনীয়। সমস্যা সমাধানের জন্য এক সময়ে গ্রামে একটি নলকূপ করা হয়েছিল। তবে সেটি খারাপ হয়ে পড়ে রয়েছে। পরে গ্রামের শেষ সীমান্তে (উপর পাড়ায়) একটি সোলার ডিপ টিউবওয়েল করা হয়। কিন্তু গ্রামবাসীদের অভিযোগ, সেই জল ব্যবহারের উপযোগী নয়। তাই গ্রামের বাসিন্দারা বাধ্য হয়ে চুয়ার জল এনে কাজ সারেন।
গ্রামের মহিলা বদনী সরেন, সোনালি কিস্কু বলেন, এত বড় গ্রামে একটি মাত্র সোলার ডিপ টিউবওয়েল রয়েছে। সেই জলও ভালো নয়। তাই মাঠে থাকা চুয়ার জল আমরা ব্যবহার করি। গ্রামে পানীয় জলের জন্য পাইপ পাতা হয়েছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত জল পাইনি। শুধু পানীয় জল নয়, আমাদের গ্রামে আসা যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি (২ কিলোমিটার) কাঁচা। ফলে গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে গাড়ি আসতে চায় না। পঞ্চায়েত থেকে ব্লক, জেলা প্রশাসনকে অভিযোগ জানালেও কেউ কথা শোনেনি। গ্রামের বাসিন্দা করণ হেমব্রম বলেন, চুয়ার জল যাতে শুদ্ধ থাকে, গবাদি পশু, কুকুর যাতে সেই জলে মুখ না দেয় বা জল নষ্ট না করে তার জন্য চারিপাশ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা রয়েছে। গ্রামের ৭০ শতাংশ মানুষ চুয়ার জল ব্যবহার করেন।
খাজুরা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বেদনি বাস্কে বলেন, গ্রামে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। তবে গ্রামের মানুষ চুয়ার জল খায় বলে জানা নেই। পানীয় জলের জন্য গ্রামে একটি সোলার ডিপ টিউবওয়েল করা হয়েছে। পানীয় জলের অসুবিধা দূর করতে নীচ পাড়ায় একটি নলকূপ অথবা সোলার নলকূপ তৈরি করে দেওয়া হবে।
গ্রামের মহিলা বদনী সরেন, সোনালি কিস্কু বলেন, এত বড় গ্রামে একটি মাত্র সোলার ডিপ টিউবওয়েল রয়েছে। সেই জলও ভালো নয়। তাই মাঠে থাকা চুয়ার জল আমরা ব্যবহার করি। গ্রামে পানীয় জলের জন্য পাইপ পাতা হয়েছে কিন্তু এখনও পর্যন্ত জল পাইনি। শুধু পানীয় জল নয়, আমাদের গ্রামে আসা যাওয়ার একমাত্র রাস্তাটি (২ কিলোমিটার) কাঁচা। ফলে গ্রামে কেউ অসুস্থ হলে গাড়ি আসতে চায় না। পঞ্চায়েত থেকে ব্লক, জেলা প্রশাসনকে অভিযোগ জানালেও কেউ কথা শোনেনি। গ্রামের বাসিন্দা করণ হেমব্রম বলেন, চুয়ার জল যাতে শুদ্ধ থাকে, গবাদি পশু, কুকুর যাতে সেই জলে মুখ না দেয় বা জল নষ্ট না করে তার জন্য চারিপাশ বাঁশের বেড়া দিয়ে ঘেরা রয়েছে। গ্রামের ৭০ শতাংশ মানুষ চুয়ার জল ব্যবহার করেন।
খাজুরা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বেদনি বাস্কে বলেন, গ্রামে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। তবে গ্রামের মানুষ চুয়ার জল খায় বলে জানা নেই। পানীয় জলের জন্য গ্রামে একটি সোলার ডিপ টিউবওয়েল করা হয়েছে। পানীয় জলের অসুবিধা দূর করতে নীচ পাড়ায় একটি নলকূপ অথবা সোলার নলকূপ তৈরি করে দেওয়া হবে।



