সংবাদদাতা, চোপড়া: আবাস থেকে বঞ্চিত চোপড়া ব্লকের হাপতিয়াগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের দুটি গ্রামের চারটি বুথের মানুষ। তাঁদের দাবি, সেখানে একজনের নামও আবাসের তালিকায় ছিল না। এতে ক্ষোভে ফুঁসছেন চারটি বুথের প্রায় সাড়ে চার হাজার বাসিন্দা।
Advertisement
তাঁদের বক্তব্য, আবাস যোজনার জিও ট্যাগিংয়ের সময় ওই দুই গ্রামে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল। সে কারণে জিও ট্যাগিং হয়নি। ফলে আবাস থেকে বঞ্চিত রয়ে গিয়েছেন চিতলঘাটা গ্রামের তিনটি বুথ ও কালুগছ গ্রামের একটি বুথ। কালুগছের বাসিন্দা তাহেরুল ইসলামের কথায়, আমরা অনেকেই ঘর পাওয়ার যোগ্য। অথচ প্রশাসনিক উদাসীনতার কারণে বঞ্চিত হতে হয়েছে। চিতলঘাটার মোবারক হোসেন বলেন, গ্রামের অনেকেই ‘দিদিকে বলো’তে ফোন করে ঘরের আবেদন করেছেন। কিন্তু কবে ঘর পাব, সেটা নিশ্চিত নয়। অন্য বুথের উপভোক্তাদের যেখানে ঘরের প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকতে শুরু করেছে, সেখানে কার্যত হতাশ চিতলঘাটা ও কালুগছের মানুষ।
চিতলঘাটার বাসিন্দা তথা পঞ্চায়েত সদস্য মহম্মদ আলম জানান, ২০১৮-১৯ সালে বাড়ি বাড়ি জিও ট্যাগিং শুরু হয়। তখন গ্রামে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল। তাই ট্যাগিংয়ের কাজ করা সম্ভব হয়নি। এরপর ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আবাসের সমীক্ষা হয়। চলতি বছর ফের সমীক্ষা হয়। সম্প্রতি আবাসের চূড়ান্ত তালিকাও বের হয়। কিন্তু চিতলঘাটা ও কালুগছের একজনের নামও আবাসের তালিকায় ঠাঁই পায়নি। গ্রামের মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। একই বক্তব্য হাপতিয়াগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জাকির হুসেনেরও। চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারি সভাপতি ফজলুল হক বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।
চিতলঘাটার বাসিন্দা তথা পঞ্চায়েত সদস্য মহম্মদ আলম জানান, ২০১৮-১৯ সালে বাড়ি বাড়ি জিও ট্যাগিং শুরু হয়। তখন গ্রামে রাজনৈতিক অস্থিরতা ছিল। তাই ট্যাগিংয়ের কাজ করা সম্ভব হয়নি। এরপর ২০২২-২৩ অর্থবর্ষে আবাসের সমীক্ষা হয়। চলতি বছর ফের সমীক্ষা হয়। সম্প্রতি আবাসের চূড়ান্ত তালিকাও বের হয়। কিন্তু চিতলঘাটা ও কালুগছের একজনের নামও আবাসের তালিকায় ঠাঁই পায়নি। গ্রামের মানুষ বঞ্চিত হয়েছেন। একই বক্তব্য হাপতিয়াগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান জাকির হুসেনেরও। চোপড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহকারি সভাপতি ফজলুল হক বলেন, বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।



