Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এখনও বেতন হয়নি, জট কাটাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারস্থ এসি কমার্স

এখনও বেতন হয়নি, জট কাটাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারস্থ এসি কমার্স
  • ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: জটিলতার জেরে এখনও ডিসেম্বরের বেতন হয়নি অধ্যাপক ও শিক্ষাকর্মীদের। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা যায়, সেই পথ খুঁজতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বারস্থ হল জলপাইগুড়ির আনন্দ চন্দ্র কমার্স কলেজ। সেখান থেকে কী গাইড লাইন আসে, এখন সেদিকে তাকিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
Advertisement
বৃহস্পতিবার কলেজের পরিচালন সমিতির সভাপতি দেবাশিস দত্ত বলেন, আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কলেজের অধ্যক্ষকে ‘সাসপেন্ড’ করা হয়েছে। সাসপেনশন থাকা অবস্থায় তাঁর বেতন কমে যাবে। ফলে পিএফ হিসেবে কত টাকা তাঁর বেতন থেকে কাটা হবে তা চিঠি দিয়ে অধ্যক্ষের কাছে একাধিকবার জানতে চাওয়া হয়েছে। কিন্তু উত্তর না আসায় বিষয়টি নিয়ে এখনও কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়নি। এদিকে, অধ্যক্ষের পিএফ কাটার বিষয়টি ঝুলে থাকায় বাকিদের বেতনও আটকে গিয়েছে। কারণ, সবটা মিলিয়ে তবেই ট্রেজারিতে পাঠাতে হবে। ফলে কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে, তার গাইড লাইন চাওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে। সেখান থেকে যে নির্দেশ আসবে, সেইমতো পদক্ষেপ করা হবে। যদিও গোটা বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি অধ্যক্ষ সিদ্ধার্থ সরকার।
দিন কয়েক আগেই অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে আনন্দ চন্দ্র কমার্স কলেজ কর্তৃপক্ষ। পরিচালন সমিতির সভাপতির বক্তব্য, সাসপেনশনের পরও অধ্যক্ষ এখনও দায়িত্ব বুঝিয়ে দেননি। ফলে কলেজ পরিচালনার কাজে সমস্যা হচ্ছে। বারবার তাঁকে চিঠি দিলেও কোনও উত্তর মিলছে না। সেকারণে বিষয়টি পুলিসকে জানানো হয়েছে।
কলেজ সূত্রে খবর, অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠায় তদন্ত কমিটি গড়ে কলেজ পরিচালন সমিতি। প্রাথমিকভাবে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে তদন্তের রিপোর্ট জমা পড়ে। এরপরই নতুন করে তদন্তের সিদ্ধান্ত নেয় কলেজ পরিচালন সমিতি। অধ্যক্ষকে ‘বাধ্যতামূলক ছুটি’তে যেতে বলা হয়। এর বিরুদ্ধে আদালতে যান অধ্যক্ষ। তাঁর দাবি, এভাবে অধ্যক্ষকে ‘বাধ্যতামূলক ছুটি’তে পাঠানো যায় না বলে নির্দেশ দেয় আদালত। এরপর অধ্যক্ষকে সাসপেন্ড করে কলেজ পরিচালন সমিতি। তাঁর নামে আলাদা করে অ্যাটেনডেন্স রেজিস্টার তৈরি হয়। যদিও কলেজ পরিচালন সমিতির এক্তিয়ার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অধ্যক্ষ। তাঁর পাল্টা অভিযোগ, তাঁকে কলেজে অধ্যক্ষের ঘরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। গেটে তালা মেরে রাখা হয়েছে। কলেজ পরিচালন সমিতির আবার বক্তব্য, অধ্যক্ষ নিজে প্রিন্সিপালের চেম্বারে একটি তালা ঝুলিয়ে দিয়ে চলে গিয়েছেন
সম্পর্কিত সংবাদ