সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: পুরনো মালিকপক্ষ আদালতে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার খুলল না আলিপুরদুয়ার জেলার কালচিনি ব্লকের বন্ধ রায়মাটাং চা বাগান। একই কারণে ১৯ তারিখ খুলছে না ওই ব্লকের একই মালিকের বন্ধ কালচিনি চা বাগানটিও। গত শুক্রবার শিলিগুড়ির দাগাপুরে শ্রমদপ্তরের ডাকা দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাগান দু’টি খোলার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। কালচিনির ওই বন্ধ বাগান দু’টির দায়িত্ব নিতে রাজি হয়েছিলেন সামসি ও বামনডাঙা চা বাগানের মালিক ঋত্বিক ভট্টাচার্য। কিন্তু পুরনো মালিক আদালতে যাওয়ায় বন্ধ বাগান দু’টি খোলার সিদ্ধান্ত আপাতত ভেস্তে গেল।
Advertisement
শ্রমদপ্তরের বীরপাড়া সার্কেলের সহকারী শ্রম কমিশনার অমিত দাস বলেন, শুনেছি বন্ধ কালচিনি ও রায়মাটাং বাগানের পুরনো মালিকপক্ষ আদালতে গিয়েছে। আদালতের বিচারাধীন বিষয় নিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।
তৃণমূল চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীরেন্দ্র বরা ওরাওঁ বলেন, বাগান দু’টি এখনই খুলছে না। আদালতে কী হয়, আমরা তা দেখার অপেক্ষায় আছি।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে বন্ধ হয়ে যায় কালচিনির বাগান দু’টি। পুজোর বোনাস নিয়ে শ্রমিক মালিক অসন্তোষের জেরে বন্ধ হয় দু’টি বাগানই। বর্তমানে কালচিনিতে ১৪০০ এবং রায়মাটাংয়ে ১২৫৮ জন শ্রমিক আছেন। বন্ধ বাগান খুলতে রাজ্য সরকার বিধানসভায় মন্ত্রীগোষ্ঠী তৈরি করেছে। বিধানসভা উপ নির্বাচনের আগে থেকে রাজ্য সরকার বন্ধ বাগান খোলার প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছে। এদিকে, বাগান খোলার ব্যাপারে আশায় থাকলেও, তা পিছিয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা হতাশ।
তৃণমূল চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বীরেন্দ্র বরা ওরাওঁ বলেন, বাগান দু’টি এখনই খুলছে না। আদালতে কী হয়, আমরা তা দেখার অপেক্ষায় আছি।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবর মাসে বন্ধ হয়ে যায় কালচিনির বাগান দু’টি। পুজোর বোনাস নিয়ে শ্রমিক মালিক অসন্তোষের জেরে বন্ধ হয় দু’টি বাগানই। বর্তমানে কালচিনিতে ১৪০০ এবং রায়মাটাংয়ে ১২৫৮ জন শ্রমিক আছেন। বন্ধ বাগান খুলতে রাজ্য সরকার বিধানসভায় মন্ত্রীগোষ্ঠী তৈরি করেছে। বিধানসভা উপ নির্বাচনের আগে থেকে রাজ্য সরকার বন্ধ বাগান খোলার প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছে। এদিকে, বাগান খোলার ব্যাপারে আশায় থাকলেও, তা পিছিয়ে যাওয়ায় শ্রমিকরা হতাশ।



