সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াকে নেশাযুক্ত খাবার খাইয়ে মেরে ফেলার চক্রান্তের অভিযোগ নিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন তৃণমূলের এক পঞ্চায়েত সদস্য। ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহার-১ ব্লকের দেওয়ানহাটে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত নেমেছে কোতোয়ালি থানার পুলিস।
Advertisement
২ ফেব্রুয়ারি সরস্বতী পুজোর দিন দুই বন্ধুর সঙ্গে বাড়ি থেকে অঞ্জলি দিতে বেরিয়ে যায় দেওয়ানহাট হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণির ছাত্র প্রিয়তোষ রায়। কিন্তু দুপুর পেরিয়ে গেলেও ছেলে বাড়ি ফিরে না আসায় চিন্তিত হয়ে পড়েন বাবা পরিতোষ রায়। ছেলের সঙ্গে থাকা মোবাইলে ফোন করেন। এরপরেই জানতে পারেন, ছেলে অচৈতন্য হয়ে রাস্তার ধারে পড়ে রয়েছে। তাকে উদ্ধার করে দেওয়ানহাট ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। পরেরদিন কোচবিহার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে রেফার করা হয়। শনিবার কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরে ওই ছাত্র।
ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ, তাকে ডেকে নিয়ে যাওয়া বন্ধুরা নেশা জাতীয় পানীয় খাওয়ায়। এরপরই সে অচৈতন্য হয়ে যায়। স্কুল পড়ুয়ার বন্ধুদেরকে কেউ ব্যবহার করে তাদের মাধ্যমে নেশাযুক্ত পানীয় খাইয়ে মেরে ফেলার চক্রান্ত করেছিল।
ওই স্কুল পড়ুয়া প্রিয়তোষ বলেন,আমার সঙ্গে থাকা বন্ধুরা আমাকে একটা বোতল বন্দি পানীয় খেতে দেয়। সেটা খাওয়ার পর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। তার বাবা বলেন, বন্ধুদের কাছে কি হয়েছে জানতে চাইলে, ওরা একেকসময় একেকরকম কথা বলছে। আমি তৃণমূলের টিকিটে ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েছি। সেজন্য কেউ এই ঘটনার পিছনে থাকতেও পারে। থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিস ওদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসবে। এবিষয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিস জানিয়েছে,অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত চলছে।
ছাত্রের পরিবারের অভিযোগ, তাকে ডেকে নিয়ে যাওয়া বন্ধুরা নেশা জাতীয় পানীয় খাওয়ায়। এরপরই সে অচৈতন্য হয়ে যায়। স্কুল পড়ুয়ার বন্ধুদেরকে কেউ ব্যবহার করে তাদের মাধ্যমে নেশাযুক্ত পানীয় খাইয়ে মেরে ফেলার চক্রান্ত করেছিল।
ওই স্কুল পড়ুয়া প্রিয়তোষ বলেন,আমার সঙ্গে থাকা বন্ধুরা আমাকে একটা বোতল বন্দি পানীয় খেতে দেয়। সেটা খাওয়ার পর আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। তার বাবা বলেন, বন্ধুদের কাছে কি হয়েছে জানতে চাইলে, ওরা একেকসময় একেকরকম কথা বলছে। আমি তৃণমূলের টিকিটে ভোটে জিতে পঞ্চায়েত সদস্য হয়েছি। সেজন্য কেউ এই ঘটনার পিছনে থাকতেও পারে। থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। পুলিস ওদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসবে। এবিষয়ে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিস জানিয়েছে,অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত চলছে।



