সংবাদদাতা, মানকর: কাঁকসার পিয়ারীগঞ্জ চারুচন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগের পঠন-পাঠনের ব্যবস্থা থাকলেও রয়েছেন একজন মাত্র স্থায়ী শিক্ষক। ফলে সমস্যায় পড়ছে পড়ুয়ারা। অভিভাবকদের দাবি, দ্রুত স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা হোক।
Advertisement
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই স্কুলে মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ৮০০জন। একাদশ শ্রেণিতে এই বছরে বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়া ১৬৩ জন। আসন্ন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দেবে ৭৩ জন পড়ুয়া। কিন্তু একজনই মাত্র স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন এই বিভাগে। স্কুলের অভিভাবকদের একাংশের বক্তব্য, বেসরকারি স্কুলের দাপটে বহু সরকারি স্কুলে ছাত্র নেই বললেই চলে। নিয়ম বলছে, ৪০জন পড়ুয়া পিছু ১ জন করে শিক্ষক থাকার কথা। কিন্তু পিয়ারীগঞ্জে পড়ুয়ার অনুপাতে পরিকাঠামো নেই।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৫৪ সালে বিদ্যালয় শুরু হয়েছিল। তবে কয়েক বছর বন্ধ ছিল। পরে এলাকার বাসিন্দাদের উৎসাহে ১৯৮১ সালে নিয়মিতভাবে বিদ্যালয় চালু হয়। ১৯৮৯ সালে সরকারি অনুমোদন পায় বিদ্যালয়। সেই সময় জুনিয়র হাইস্কুল ছিল। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে মাধ্যমিকের জন্য অনুমোদন পায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বীরভূমে প্রচারে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কুলের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি পড়ুয়াদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে নিজে গাড়ি থেকে নেমে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন শিক্ষকরা বিদ্যালয়কে উচ্চমাধ্যমিকে উন্নীত করার আবেদন করেন। মুখ্যমন্ত্রী অনুমতি দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালেই বিদ্যালয় উচ্চমাধ্যমিকের জন্য অনুমোদন পায়। তখন থেকেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের পঠন পাঠন শুরু হয়। কলা বিভাগে সংস্কৃত, ইতিহাস, ভূগোল সহ নানা বিষয় পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে পদার্থবিদ্যা, অঙ্ক, রসায়ন, কম্পিউটার সায়েন্স ইত্যাদি পড়ানো হয়। কিন্তু একমাত্র রসায়নে স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন। বাকি বিষয়গুলি পড়ানোর জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে এলাকার উৎসাহী কয়েকজনের উপর। অস্থায়ী শিক্ষক বৈশাখী কুণ্ড, চুমকী পাত্ররা জানান, তাঁরা কয়েকজন নিয়মিত স্কুলে এসে পড়িয়ে যান। শিক্ষক পীযূষকান্তি মুখোপাধ্যায়, রাজেন্দ্রনাথ দত্ত জানান, বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো সীমিত হলেও পঠন-পাঠনে সুনাম অর্জন করেছে। গত বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পশ্চিম বর্ধমানের মধ্যে সপ্তম স্থান অধিকার করেছে এক পড়ুয়া। একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়াদের যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য অন্য শিক্ষক শিক্ষিকারা নিয়মিত ক্লাস নেন। ল্যাবেও নিয়মিত ক্লাস হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো আরও উন্নতি করা প্রয়োজন। ক্লাস রুমের সংখ্যা কম। প্রতি বছর উচ্চমাধ্যমিকে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়ছে। সেই দিকে তাকিয়ে ল্যাবগুলি আধুনিক করে তোলা দরকার। এখানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার হয়। বেঞ্চ কম থাকায় অসুবিধার মুখে পড়তে হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুমনকুমার মণ্ডল জানান, শিক্ষকের অভাবের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক সুনীতি সাঁপুই জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৯৫৪ সালে বিদ্যালয় শুরু হয়েছিল। তবে কয়েক বছর বন্ধ ছিল। পরে এলাকার বাসিন্দাদের উৎসাহে ১৯৮১ সালে নিয়মিতভাবে বিদ্যালয় চালু হয়। ১৯৮৯ সালে সরকারি অনুমোদন পায় বিদ্যালয়। সেই সময় জুনিয়র হাইস্কুল ছিল। পরবর্তীকালে ২০০৯ সালে মাধ্যমিকের জন্য অনুমোদন পায়। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ২০১৬ সালে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য বীরভূমে প্রচারে গিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কুলের শিক্ষক ও পড়ুয়ারা তাঁর সঙ্গে দেখা করার জন্য রাস্তার ধারে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি পড়ুয়াদের দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে নিজে গাড়ি থেকে নেমে এসে তাদের সঙ্গে কথা বলেন। তখন শিক্ষকরা বিদ্যালয়কে উচ্চমাধ্যমিকে উন্নীত করার আবেদন করেন। মুখ্যমন্ত্রী অনুমতি দিয়েছিলেন। ২০১৬ সালেই বিদ্যালয় উচ্চমাধ্যমিকের জন্য অনুমোদন পায়। তখন থেকেই একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান ও কলা বিভাগের পঠন পাঠন শুরু হয়। কলা বিভাগে সংস্কৃত, ইতিহাস, ভূগোল সহ নানা বিষয় পড়ানোর ব্যবস্থা রয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে পদার্থবিদ্যা, অঙ্ক, রসায়ন, কম্পিউটার সায়েন্স ইত্যাদি পড়ানো হয়। কিন্তু একমাত্র রসায়নে স্থায়ী শিক্ষক রয়েছেন। বাকি বিষয়গুলি পড়ানোর জন্য নির্ভর করতে হচ্ছে এলাকার উৎসাহী কয়েকজনের উপর। অস্থায়ী শিক্ষক বৈশাখী কুণ্ড, চুমকী পাত্ররা জানান, তাঁরা কয়েকজন নিয়মিত স্কুলে এসে পড়িয়ে যান। শিক্ষক পীযূষকান্তি মুখোপাধ্যায়, রাজেন্দ্রনাথ দত্ত জানান, বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো সীমিত হলেও পঠন-পাঠনে সুনাম অর্জন করেছে। গত বছর উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় পশ্চিম বর্ধমানের মধ্যে সপ্তম স্থান অধিকার করেছে এক পড়ুয়া। একাদশ, দ্বাদশ শ্রেণিতে বিজ্ঞান বিভাগের পড়ুয়াদের যাতে অসুবিধা না হয় সেজন্য অন্য শিক্ষক শিক্ষিকারা নিয়মিত ক্লাস নেন। ল্যাবেও নিয়মিত ক্লাস হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো আরও উন্নতি করা প্রয়োজন। ক্লাস রুমের সংখ্যা কম। প্রতি বছর উচ্চমাধ্যমিকে পড়ুয়ার সংখ্যা বাড়ছে। সেই দিকে তাকিয়ে ল্যাবগুলি আধুনিক করে তোলা দরকার। এখানে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সেন্টার হয়। বেঞ্চ কম থাকায় অসুবিধার মুখে পড়তে হয়। বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সুমনকুমার মণ্ডল জানান, শিক্ষকের অভাবের বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এই বিষয়ে পশ্চিম বর্ধমান জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক সুনীতি সাঁপুই জানান, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জানানো হয়েছে।



