Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

একদিনের জব ফেয়ারে ব্যাপক ভিড়, জেলায় ৬ হাজার বেকারকে কাজ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা

একদিনের জব ফেয়ারে ব্যাপক ভিড়, জেলায় ৬ হাজার বেকারকে কাজ দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা
  • ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বেকার যুবক-যুবতীদের পাশে দাঁড়ানোই প্রধান লক্ষ্য। সেই লক্ষ্য পূরণে মঙ্গলবার মেদিনীপুরে ‘জব ফেয়ার’ হল। চাকরির এই মেলায় যুবক-যুবতীদের ভিড় উপচে পড়ল। ইতিমধ্যেই পোর্টালে নথিভুক্ত জেলার ৬হাজার বেকার যুবক-যুবতীকে চাকরি দেওয়া লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এদিন মেদিনীপুরের আবাস এলাকায় গভর্নমেন্ট পলিটেকনিক কলেজে চাকরিপ্রার্থীদের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। সরাসরি চাকরির অফার লেটার হাতে পাওয়ায় খুশি চাকরিপ্রার্থীরা। উপস্থিত ছিলেন  অতিরিক্ত জেলাশাসক(উন্নয়ন) কেম্পা হোনাইয়া সহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিক ও বিভিন্ন নামী সংস্থার আধিকারিকরা। অতিরিক্ত জেলাশাসক বেশ কয়েকজনের হাতে অফার লেটার তুলে দেন। 
Advertisement
জানা গিয়েছে, পলিটেকনিক, আইটিআই, উচ্চ মাধ্যমিক ভোকেশনাল, উৎকর্ষ বাংলায় ট্রেনিং নেওয়া যুবক-যুবতী, ভোকেশনাল ট্রেনিং সেন্টারের সার্টিফায়েড প্রার্থীরা এই জব ফেয়ারে অংশ নেন। জব ফেয়ারে অফলাইন ও অনলাইন মাধ্যমে ১৫৪৯ জন যুবক-যুবতী অংশ নেন। তারমধ্যে ৭৪৪ জনের হাতে চাকরির অফার লেটার তুলে দেওয়া হয়। জব ফেয়ারে ১৫টি কোম্পানি এসেছিল। অতিরিক্ত জেলাশাসক বলেন, জেলায় কর্মসংস্থান বাড়ানোই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। জেলার প্রতিভাশালী যুবক-যুবতীরা আছেন। যাঁদের বড় বড় কোম্পানিতে গিয়ে কাজ করার দক্ষতা রয়েছে। এই দক্ষ যুবক-যুবতীদের হাতে চাকরির অফার লেটার তুলে দিতে পেরে ভালো লাগছে। প্রসঙ্গত, ক্রমাগত বেকার যুবক-যুবতীদের সংখ্যা বাড়ছে। রাজ্য সরকার বেকার যুবক-যুবতীদের কারিগরি শিক্ষায় প্রশিক্ষণ দিতে চাইছে। এর মাধ্যমে বেকার যুবক-যুবতীরা চাকরির উপযোগী হয়ে উঠবেন। এরফলে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান বাড়বে অপরদিকে, অর্থনীতির ভোল বদলাবে। ২০১২সালের পর থেকে রাজ্য সরকারের তরফে বেকারত্বের সমস্যার স্থায়ী সমাধান বের করার চেষ্টা চলছে। সেই লক্ষ্যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে ২০১৬সালে ‘উৎকর্ষ বাংলা’ কর্মসূচির সূচনা করা হয়। দ্রুততার সঙ্গে যুবক-যুবতীদের বিভিন্ন কলকারখানায় কাজের জন্য দক্ষ করে তুলতেই এই কর্মসূচি। মূলত কারিগরি বিষয়ে উৎসাহ থাকা যুবক-যুবতীদের হাতে কলমে শিখিয়ে নেওয়া হয়। প্রশাসনের এক আধিকারিকের মতে, করোনা পরিস্থিতি সব কিছু ওলটপালট করে দিয়েছে। চাকরির বাজার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই সময়ে উৎকর্ষ বাংলা নতুন দিশা দেখাচ্ছে। যুবক- যুবতীদের মধ্যে আত্মবিশ্বাস বাড়ছে। উৎকর্ষ বাংলা প্রকল্পে যে কেউ নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন।
এদিন চাকরির অফার লেটার পান ধেড়ুয়া এলাকার বাসিন্দা সৌরভ পাল। তিনি ঝাড়গ্রাম পলিটেকনিক কলেজের ছাত্র। তিনি বলেন, চাকরির বাজার খুব খারাপ। সবসময় চেয়েছিলাম ভালো জায়গায় চাকরি করতে। এই চাকরি পেয়ে খুব সুবিধা হল। প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানাই।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ