নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ফের ধৃত বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জলপাইগুড়ি ও উত্তর দিনাজপুর জেলা থেকে সাতজন বাংলাদেশিকে পাকড়াও করেছে বিএসএফ। ধৃতরা দীর্ঘদিন আগে এপারে এসেছিল বলে অভিযোগ। একইসঙ্গে বিএসএফ ভারতীয় দুই দালালকে ধরেছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মহিলা।
Advertisement
উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশের ঘটনা নতুন নয়। মাঝেমধ্যেই চোরাপথে সেই দেশ থেকে এপারে আসছে বাংলাদেশিরা। এপারে তারা দীর্ঘদিন বসবাসও করছে। সোমবার বিএসএফ সাত বাংলাদেশিকে পাকড়াও করার পর বিষয়টি আরও স্পষ্ট হয়েছে। বিএসএফ সূত্রের খবর, ওই দিন ভোরে শিলিগুড়ি থেকে জলপাইগুড়ি হয়ে মেখলিগঞ্জের বাংলাদেশ সীমান্তের দিকে যাচ্ছিল পাঁচ বাংলাদেশি। তাদের গতিবিধি সন্দেহজনক ছিল। কর্তব্যরত জওয়ানরা থামতে বললে অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। জওয়ানরা পিছু নিয়ে তাদের আটক করে। তাদের বয়স ২৫-৩০ এর মধ্যে। প্রত্যেকেই বাংলাদেশের নড়াইল জেলার বাসিন্দা। তল্লাশি চালিয়ে তাদের কাছ থেকে ভারতীয় ৫৩ হাজার টাকা এবং কাতারের মুদ্রা রিয়াল উদ্ধার করা হয়েছে।
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের এক অফিসার বলেন, সম্ভবত বেশ কয়েক মাস আগেই অবৈধভাবে এপারে এসেছিল ওই বাংলাদেশিরা। তারা পেশার তাগিদে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিয়েছিল। সেখান থেকে শিলিগুড়ি হয়ে মেখলিগঞ্জ দিয়ে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষেছিল। তাদের সহযোগিতা করছিল স্থানীয় এজেন্ট সতীশ রায়। মেখলিগঞ্জেব ভোটবাড়িতে তার বাড়ি। এই এজেন্টকেও পাকড়াও করা হয়েছে। তারা এখানে মূলত কী উদ্দেশ্যে, কীভাবে এসেছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ওইদিন সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি থেকে আরএক বাংলাদেশি মহিলাকে ধরেছে বিএসএফ। ওই মহিলাও এপার থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। একই ধরনের ঘটনা উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ সীমান্তেও ঘটে। বিএসএফ সূত্রের খবর, কয়েকদিন আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে এক বাংলাদেশি শিশু এপারের কালিয়াগঞ্জে আত্মীয়র বাড়িতে আসে। সে এখান থেকে চোরাপথে বাংলাদেশে যাওয়ার সময় ধরা পড়েছে। বাংলাদেশের দিনাজপুরে ওই শিশুর বাড়ি। তাকে সহযোগিতা করার অভিযোগে কালিয়াগঞ্জের এক মহিলা এজেন্টকে ধরা হয়েছে।
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের এক অফিসার বলেন, সম্ভবত বেশ কয়েক মাস আগেই অবৈধভাবে এপারে এসেছিল ওই বাংলাদেশিরা। তারা পেশার তাগিদে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিয়েছিল। সেখান থেকে শিলিগুড়ি হয়ে মেখলিগঞ্জ দিয়ে বাংলাদেশে ফেরার ছক কষেছিল। তাদের সহযোগিতা করছিল স্থানীয় এজেন্ট সতীশ রায়। মেখলিগঞ্জেব ভোটবাড়িতে তার বাড়ি। এই এজেন্টকেও পাকড়াও করা হয়েছে। তারা এখানে মূলত কী উদ্দেশ্যে, কীভাবে এসেছিল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে।
ওইদিন সন্ধ্যায় জলপাইগুড়ি থেকে আরএক বাংলাদেশি মহিলাকে ধরেছে বিএসএফ। ওই মহিলাও এপার থেকে বাংলাদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। একই ধরনের ঘটনা উত্তর দিনাজপুর জেলার কালিয়াগঞ্জ সীমান্তেও ঘটে। বিএসএফ সূত্রের খবর, কয়েকদিন আগে অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে এক বাংলাদেশি শিশু এপারের কালিয়াগঞ্জে আত্মীয়র বাড়িতে আসে। সে এখান থেকে চোরাপথে বাংলাদেশে যাওয়ার সময় ধরা পড়েছে। বাংলাদেশের দিনাজপুরে ওই শিশুর বাড়ি। তাকে সহযোগিতা করার অভিযোগে কালিয়াগঞ্জের এক মহিলা এজেন্টকে ধরা হয়েছে।



