নিজস্ব প্রতিনিধি, ধূপগুড়ি: মনোজ-বারলার দ্বন্দ্ব! দলগাঁও কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড তারকেশ্বর লোহারের ছেলে রাহুল লোহারকে বিজেপির প্রার্থী করা। অপরদিকে প্রার্থীর ঔদ্ধত্য! এসব অস্ত্রে মাদারিহাট উপ নির্বাচনে ২৫ হাজার ভোটের ব্যবধানের জয়ের আশা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। এমনকী বিজেপির হাতে সাত হাজার ভোটের লিড থাকা জলপাইগুড়ি জেলার অধীন দুই গ্রাম পঞ্চায়েতেও লিডের আশা করছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আর তাই এই দুই গ্রাম পঞ্চায়েতে সহ মাদারিহাট বিধানসভার বিভিন্ন প্রান্তে ঘাঁটি গেড়ে প্রচার করছেন তৃণমূলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। যদিও একে তৃণমূলের দিবাস্বপ্ন বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।
Advertisement
তবে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে বিজেপির পায়ের তলার মাটি সরে যাচ্ছে বলে দাবি তৃণমূলের। বিশেষ করে বীরপাড়ার আইএনটিটিইউসি’র সভাপতি কল্লোল দেবের নেতৃত্বে শ্রমিক মহল্লায় জোরদার প্রচার চলছে। প্রচারে ঝড় তুলেছেন জলপাইগুড়ির নেতা-নেত্রীরাও। তাঁরা মাদারিহাট বিধানসভার ডিসাইডিং ফ্যাক্ট সাকোয়াঝোরা-১ এবং বানারহাট পঞ্চায়েতের বাড়ি বাড়ি প্রচার করছেন। রাজ্য সরকারের উন্নয়নের পাশাপাশি ২০০২ সালের দলগাঁও চা বাগানে ১৯ জনের মৃত্যুর ঘটনা ও বিজেপি প্রার্থীর ঔদ্ধত্য নিয়ে প্রচার করছেন তৃণমূল।
তৃণমূল জানিয়েছে, আর জি করের ঘটনা নিয়ে বিজেপির তরফে ডাকা বন্ধের দিন বীরপাড়া বাজারের এক বয়স্ক ব্যক্তি দোকান খুলেছিলেন। বিজেপি প্রার্থী রাহুল তাঁর দলবল নিয়ে ওই ব্যক্তির উপর চড়াও হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সেই ভিডিও এখন তৃণমূলের প্রচারের হাতিয়ার। শুধু তাই নয়, এক দলীয় নেতাকে প্রকাশ্যে চড় মারার অভিযোগ রয়েছে রাহুলের বিরুদ্ধে। তবে রাহুলের বিরুদ্ধে যে দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে তা প্রকাশ্যে কেউ স্বীকার করেননি। এমনকী শুক্রবার মাদারিহাটে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের প্রচারেও দেখা যায়নি বিজেপির প্রার্থীকে।
অপরদিকে রাহুল প্রার্থী হওয়ায় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলা বেঁকে বসেন। তিনিও প্রচারে যাচ্ছেন না। প্রচার বিমুখ রয়েছেন তাঁর অনুগামীরাও। যদিও জন বারলা এবিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, এই দিকে দলের একজনই সর্বসর্বা হয়ে রয়েছেন। সংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, সকলেই বিজেপির হয়ে প্রচার করছেন। বর্তমান রাজ্য সরকারের প্রতি চা শ্রমিক মহল্লার সকলেই ক্ষিপ্ত। বিজেপি প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবেন। বিজেপি প্রার্থী রাহুল লোহার বলেন, আমরা বিপুল ভোটে জয়ী হব। মানুষ তৃণমূলের কুৎসার জবাব ভোটবাক্সে দেবে। আইএনটিটিইউসি’র বীরপাড়া ব্লক সভাপতি কল্লোল দেব বলেন, বিজেপি প্রার্থী রাহুলের বাবার ঔদ্ধত্য সম্পূর্ণ তাঁর ভিতরেও রয়েছে।
তৃণমূল জানিয়েছে, আর জি করের ঘটনা নিয়ে বিজেপির তরফে ডাকা বন্ধের দিন বীরপাড়া বাজারের এক বয়স্ক ব্যক্তি দোকান খুলেছিলেন। বিজেপি প্রার্থী রাহুল তাঁর দলবল নিয়ে ওই ব্যক্তির উপর চড়াও হয়েছিলেন বলে অভিযোগ। সেই ভিডিও এখন তৃণমূলের প্রচারের হাতিয়ার। শুধু তাই নয়, এক দলীয় নেতাকে প্রকাশ্যে চড় মারার অভিযোগ রয়েছে রাহুলের বিরুদ্ধে। তবে রাহুলের বিরুদ্ধে যে দলীয় কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ রয়েছে তা প্রকাশ্যে কেউ স্বীকার করেননি। এমনকী শুক্রবার মাদারিহাটে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের প্রচারেও দেখা যায়নি বিজেপির প্রার্থীকে।
অপরদিকে রাহুল প্রার্থী হওয়ায় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বারলা বেঁকে বসেন। তিনিও প্রচারে যাচ্ছেন না। প্রচার বিমুখ রয়েছেন তাঁর অনুগামীরাও। যদিও জন বারলা এবিষয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, এই দিকে দলের একজনই সর্বসর্বা হয়ে রয়েছেন। সংসদ মনোজ টিগ্গা বলেন, সকলেই বিজেপির হয়ে প্রচার করছেন। বর্তমান রাজ্য সরকারের প্রতি চা শ্রমিক মহল্লার সকলেই ক্ষিপ্ত। বিজেপি প্রার্থী বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হবেন। বিজেপি প্রার্থী রাহুল লোহার বলেন, আমরা বিপুল ভোটে জয়ী হব। মানুষ তৃণমূলের কুৎসার জবাব ভোটবাক্সে দেবে। আইএনটিটিইউসি’র বীরপাড়া ব্লক সভাপতি কল্লোল দেব বলেন, বিজেপি প্রার্থী রাহুলের বাবার ঔদ্ধত্য সম্পূর্ণ তাঁর ভিতরেও রয়েছে।



