নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এ যেন রণবীর সিং অভিনীত জনপ্রিয় ছবি ‘লেডিস ভার্সেস রিকি বহেল’-এর খণ্ডচিত্র। বিভিন্ন মহিলাকে প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে টাকা নিয়ে পগারপার হয়ে যেত ছবির নায়ক। আবার অন্য কোনও মেয়েকে টার্গেট করে টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা করে ফের একই ঘটনা ঘটিয়ে নিঃস্ব করে দিত তাকে। ঠিক একই ছকে শিলিগুড়িতে একাধিক মহিলাকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে বা সহানুভূতি দেখিয়ে তাঁদের কাছে থাকা টাকা নিয়ে চম্পট দিত এক প্রতারক। অবশেষে এক মহিলার ফাঁদে পা দিয়ে ধরা পড়ল ওই ব্যক্তি। পুলিস জানিয়েছে, ধৃতের নাম চন্দন বাড়ুই। বাড়ি উত্তর দিনাজপুরের ডালখোলা হলেও শিলিগুড়ির দক্ষিণ শান্তিনগরে মামাবাড়িতে থাকত সে।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, একবছর থেকে মামাবাড়িতে থাকা শুরু করে চন্দন। তার মামাবাড়ির পাশেই থাকেন এক গৃহবধূ। তাঁর স্বামী অসুস্থ ছিলেন। তখন থেকেই ওই বাড়িতে চন্দনের যাতায়াত শুরু। টুকটাক সহযোগিতা করত। স্বামীর মৃত্যুর পর সন্তান নিয়ে দিশাহীন হয়ে পড়েন ওই বধূ। তাঁদের একটি গাড়ি বিক্রি করিয়ে দিয়ে চার লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয় চন্দন। ব্যবসার কাজে লাগিয়ে প্রতিমাসে ২০ হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও প্রথম এক-দু’মাস টাকা দিলেও পরবর্তীতে তা বন্ধ করে দেয়। এরপর দক্ষিণ শান্তিনগরের বাড়ি বিক্রি করতে ওই গৃহবধূকে পরামর্শ দেয় চন্দন। সেইমতো ২৬ লক্ষ টাকায় বাড়ি বিক্রি করে সুকান্তনগরে চলে যান তিনি। তিনবাত্তি মোড়ে চন্দনের সাহায্যে একটি খাবার হোটেল খোলেন তিনি। অভিযোগ, নানাভাবে অল্প অল্প করে সব মিলিয়ে ১০ লক্ষ টাকা ওই মহিলার কাছ থেকে হাতিয়ে নেয় সে। এরপর গত বছরের ২৭ জুলাই বাবার অসুস্থতার অজুহাত দেখিয়ে ডালখোলায় চলে যায় চন্দন। তারপর থেকে ফোন বন্ধ করে দেয় অভিযুক্ত।
এদিকে, টাকা ফেরত পেতে অভিযুক্ত চন্দনের মামাবাড়িতে যান প্রতারিত বধূ। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন চন্দন বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও একাধিক মেয়েকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে। ডালখোলায় না গিয়ে শিলিগুড়িতেই কোথাও আছে। এরপর চন্দনের খোঁজ শুরু করেন তিনি। কিন্তু কিছুতেই ওর খবর পাওয়া যাচ্ছিল না।
ওই গৃহবধূ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একটি মেয়েকে চন্দনের টোপ হিসেবে ব্যবহার করি। সেই ফাঁদে পা দেয় চন্দন। সোমবার রাতে ইস্টার্ন বাইপাসে চন্দনকে দেখা করতে বলে মেয়েটি। সেইমতো এলাকায় আসে ও। আমি ও আমার পরিচিত লোকজন চন্দনকে ধরে এনজেপি থানার পুলিসকে খবর দিই। এরপরেই পুলিস ওই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, প্রতারণার অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্তও শুরু হয়েছে।
এদিকে, টাকা ফেরত পেতে অভিযুক্ত চন্দনের মামাবাড়িতে যান প্রতারিত বধূ। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন চন্দন বিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও একাধিক মেয়েকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে টাকা নিয়ে চম্পট দিয়েছে। ডালখোলায় না গিয়ে শিলিগুড়িতেই কোথাও আছে। এরপর চন্দনের খোঁজ শুরু করেন তিনি। কিন্তু কিছুতেই ওর খবর পাওয়া যাচ্ছিল না।
ওই গৃহবধূ বলেন, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে একটি মেয়েকে চন্দনের টোপ হিসেবে ব্যবহার করি। সেই ফাঁদে পা দেয় চন্দন। সোমবার রাতে ইস্টার্ন বাইপাসে চন্দনকে দেখা করতে বলে মেয়েটি। সেইমতো এলাকায় আসে ও। আমি ও আমার পরিচিত লোকজন চন্দনকে ধরে এনজেপি থানার পুলিসকে খবর দিই। এরপরেই পুলিস ওই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিসের ডিসিপি (পূর্ব) রাকেশ সিং বলেন, প্রতারণার অভিযোগ জমা পড়েছে। তদন্তও শুরু হয়েছে।



