সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: রবিবার সাঁওতালডিহি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তারক্ষীরা কয়েক দফা দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এদিন নিরাপত্তারক্ষীরা কারখানার গেটের সামনে বসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। প্রায় ২ ঘণ্টা ধরে বিক্ষোভ চলে। আগামীদিন কর্তৃপক্ষ তাঁদের দাবিগুলি না মানলে বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে বিক্ষোভস্থল থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে সাঁওতালডিহি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। দীর্ঘ ১১ বছর ধরে তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে তাঁরা নিরাপত্তা পরিষেবা প্রদান করে চলেছে। কিন্তু এখন তাঁদের এবং তাঁদের পরিবারের জীবনে কোনও সুরক্ষা নেই। কাজের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা দেখা গিয়েছে। তাই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে তাঁরা আন্দোলনে পথে নেমেছে।
বিক্ষোভে সামিল নিরাপত্তারক্ষীদের তরফ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে নিরাপত্তার কাজে যারা রয়েছেন তাঁদের পরিচয়পত্র নবীকরণের ব্যবস্থা করা, নির্দিষ্ট সময়ে বেতন, প্রতি মাসে পে স্লিপ দেওয়া, পিএফ, ইএসআইয়ের দ্রুত সংশোধন, প্রত্যেক বছরে ২ সেট পোশাকের ব্যবস্থা করা, শীতকালে শীতবস্ত্র এবং বর্ষাতে রেন কোটের ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা রক্ষীদের টেন্ডার পাওয়া কোম্পানিকে বোনাস, লিভ, হলিডে সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ওমপ্রকাশ মাহাত, জিতেন দাশন্দী ,আমিরুদ্দিন আনসারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও আমাদের নিজেদের জীবন ও কাজের কোনও সুরক্ষা নেই। গত ২৬ জানুয়ারি আমাদের এক নিরাপত্তারক্ষী মারা যান। অথচ কর্তৃপক্ষ তাঁর দেহ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য গাড়ি পর্যন্ত দেয়নি।
মৃত্যুর জন্য সামান্য সহানুভূতি পর্যন্ত দেখানো হয়নি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। আমাদের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিন বৃহত্তর আন্দোলন হবে।
বিক্ষোভে সামিল নিরাপত্তারক্ষীদের তরফ থেকে জানানো হয়, বর্তমানে নিরাপত্তার কাজে যারা রয়েছেন তাঁদের পরিচয়পত্র নবীকরণের ব্যবস্থা করা, নির্দিষ্ট সময়ে বেতন, প্রতি মাসে পে স্লিপ দেওয়া, পিএফ, ইএসআইয়ের দ্রুত সংশোধন, প্রত্যেক বছরে ২ সেট পোশাকের ব্যবস্থা করা, শীতকালে শীতবস্ত্র এবং বর্ষাতে রেন কোটের ব্যবস্থার দাবি জানানো হয়েছে। এছাড়া নিরাপত্তা রক্ষীদের টেন্ডার পাওয়া কোম্পানিকে বোনাস, লিভ, হলিডে সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ওমপ্রকাশ মাহাত, জিতেন দাশন্দী ,আমিরুদ্দিন আনসারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কাজ করলেও আমাদের নিজেদের জীবন ও কাজের কোনও সুরক্ষা নেই। গত ২৬ জানুয়ারি আমাদের এক নিরাপত্তারক্ষী মারা যান। অথচ কর্তৃপক্ষ তাঁর দেহ বাড়িতে পৌঁছানোর জন্য গাড়ি পর্যন্ত দেয়নি।
মৃত্যুর জন্য সামান্য সহানুভূতি পর্যন্ত দেখানো হয়নি। আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তাই বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে। আমাদের দাবি পূরণ না হলে আগামী দিন বৃহত্তর আন্দোলন হবে।



