সংবাদদাতা, তপন: তপনে সহায়ক মূল্যে ধান কেনা শুরু হলেও সেভাবে লাভ হচ্ছে না চাষিদের। এবার একবারে ১০ কুইন্টালের বেশি ধান কেনা হবে না জানিয়ে দেওয়ার পর বাধ্য হয়ে বাইরে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে চাষিদের। এতে তাঁরা লোকসানের আশঙ্কা করছেন।
Advertisement
তপন কিষানমাণ্ডি, রামপুর কর্মতীর্থ এবং বদলপুর কেন্দ্রে ধান কেনা শুরু করেছে প্রশাসন। পাশাপাশি তিনটি সঙ্ঘের পরিচালনায় গোফানগর, দীপখণ্ডা এবং মালঞ্চায় ধান কেনা চলছে। তবে চাষিদের অভিযোগ, একজনের কাছ থেকে একবারে ১০ কুইন্টালের বেশি ধান কেনা হচ্ছে না। এর ফলে অনেকে বেশিরভাগ ধান বাইরের বাজারে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে প্রশাসন জানিয়েছে একজনের কাছ থেকে মোট ৪৫ কুইন্টাল ধান কেনা হবে।
এবিষয়ে তপনের হরসুরার কৃষক মাহাবুর সরকারের কথায়, ১০ বিঘার বেশি জমিতে ধান চাষ করেছি। ১০০ কুইন্টালের অধিক ফলন হবে বলে আশা করছি। সেখানে শুধুমাত্র ১০ কুইন্টাল ধান কিনলে আমাদের কিছুই হবে না। বাধ্য হয়ে খোলা বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রশাসন একবারে একজন চাষির কাছ থেকে ৪৫ কুইন্টাল ধান কিনলে খুব ভালো হতো।
তপনের বিডিও তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, ব্লকে তিনটি কেন্দ্র এবং তিনটি সঙ্ঘের উদ্যোগে ধান কেনা শুরু হয়েছে। তবে এবছর ব্লকে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা এখনও ঠিক হয়নি। বেশিরভাগ চাষিদের যাতে সুবিধা দেওয়া যায়, তাই আপাতত একজন চাষির কাছ থেকে একবারে ১০ কুইন্টাল ধান কেনা হচ্ছে।
এবিষয়ে তপনের হরসুরার কৃষক মাহাবুর সরকারের কথায়, ১০ বিঘার বেশি জমিতে ধান চাষ করেছি। ১০০ কুইন্টালের অধিক ফলন হবে বলে আশা করছি। সেখানে শুধুমাত্র ১০ কুইন্টাল ধান কিনলে আমাদের কিছুই হবে না। বাধ্য হয়ে খোলা বাজারে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রশাসন একবারে একজন চাষির কাছ থেকে ৪৫ কুইন্টাল ধান কিনলে খুব ভালো হতো।
তপনের বিডিও তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, ব্লকে তিনটি কেন্দ্র এবং তিনটি সঙ্ঘের উদ্যোগে ধান কেনা শুরু হয়েছে। তবে এবছর ব্লকে ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা এখনও ঠিক হয়নি। বেশিরভাগ চাষিদের যাতে সুবিধা দেওয়া যায়, তাই আপাতত একজন চাষির কাছ থেকে একবারে ১০ কুইন্টাল ধান কেনা হচ্ছে।



