সংবাদদাতা, কালিয়াগঞ্জ: বিয়ের পর থেকেই চলছিল পণের দাবিতে অত্যাচার। মারধর করে বধূকে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পর তাঁর আর খোঁজ মিলছে না। এক বছর ধরে বধূ নিখোঁজ। মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন বধূর বয়ষ্ক বাবা-মা। অভিযোগের ভিত্তিতে আগেই বধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস। রবিবার বধূর দেওর আনোয়ারুল হককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। এদিন ধৃতকে রায়গঞ্জ আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ধৃতের জামিন মঞ্জুর করেন। আনোয়ারুলের দাবি, বউদিকে মারধর করা হয়নি। আমাদের নামে মিথ্যে অভিযোগ করা হচ্ছে। হেমতাবাদ থানার আইসি সুজিত লামা বলেন, ঘটনার তদন্ত চলছে। বধূরও খোঁজ চলছে।
Advertisement
১২ বছর আগে কালিয়াগঞ্জের বাসিন্দা নুরজাহান খাতুনের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল হেমতাবাদের বাসিন্দা আনসার আলির। বিয়ের পর থেকে নুরজাহানকে মারধর করা হত বলে অভিযোগ। গতবছর ডিসেম্বর মাসে নুরজাহানকে মারধর করে স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেরা বাড়ি থেকে বের করে দেয় বলে অভিযোগ। এরপর থেকে বধূর আর হদিশ মেলেনি।
নুরজাহানের মা জান্নাতুল বেগম বলেন, আমার মেয়ে বেঁচে আছে কি না জানি না। ওর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মেয়েকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমার মেয়ে নিখোঁজ। থানায় অভিযোগ জানিয়েও মেয়ের খোঁজ মিলছে না। মেয়ের একটা ৭ বছরের ছেলে আছে । তার সঙ্গেও আমাদের দেখা করতে দেয় না মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। জামাই সহ তিনজনের নামে হেমতাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি। আগেই অভিযুক্ত স্বামী আনসার আলিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস।
নুরজাহানের মা জান্নাতুল বেগম বলেন, আমার মেয়ে বেঁচে আছে কি না জানি না। ওর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকেরা মেয়েকে মেরে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। আমার মেয়ে নিখোঁজ। থানায় অভিযোগ জানিয়েও মেয়ের খোঁজ মিলছে না। মেয়ের একটা ৭ বছরের ছেলে আছে । তার সঙ্গেও আমাদের দেখা করতে দেয় না মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। জামাই সহ তিনজনের নামে হেমতাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি। আগেই অভিযুক্ত স্বামী আনসার আলিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিস।



