সংবাদদাতা, করণদিঘি: এক বছরে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা বাড়ল আলতাপুর-২ গ্ৰাম পঞ্চায়েতে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় এই এলাকায় যক্ষ্মা (টিবি) রোগীদের বিনামূল্যে পুষ্টিকর খাবার দিচ্ছে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত সূত্রে জানা গিয়েছে, যক্ষ্মা মুক্ত গ্ৰাম পঞ্চায়েত গড়ে তোলার লক্ষ্যে গত এক বছর ধরে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
Advertisement
স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, আলতাপুর-২ গ্ৰাম পঞ্চায়েতে ৪০ জন যক্ষ্মা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। তাঁরা নিয়মিত ওষুধ খাচ্ছেন কি না নিশ্চিত করছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। পঞ্চায়েত প্রধান কুশ পাল বলেন, যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা একবছর আগে ছিল ২৭ জন। নিয়মিত ওষুধ খেয়ে সকলেই সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। এবছর ফের বেড়ে রোগী দাঁড়িয়েছে ৩৮ জন। তবে শুধুমাত্র ওষুধ দিয়ে রোগীকে সুস্থ করা যায় না। পুষ্টিকর খাবারের প্রয়োজন হয় তাঁদের। কিন্তু অনটনের কারণে একাংশ রোগী নিয়মিত খাবার পান না। সেজন্য পঞ্চায়েত প্রতিমাসে যক্ষ্মা রোগীদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া শুরু করেছে। প্রথম ধাপে ৩৮ জন যক্ষ্মা রোগীকে ফল, ডিম, সোয়াবিন, ডাল, চাল তেলসহ পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য পঞ্চায়েতের নিজস্ব ফান্ড থেকে টাকা খরচ করা হবে।
আলতাপুর ২ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা রেখা খাতুন জানিয়েছেন, যক্ষ্মা প্রতিরোধে সরকার লাগাতার কর্মসূচি নিলেও প্রতি বছর কিছু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এবিষয়ে গ্ৰামগুলিতে আরও সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। রোগ ও পুষ্টি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকাও দরকার। যক্ষ্মা রোগীদের সচেতন করতে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কো-অর্ডিনেটর সুজিত ঠাকুর সহ অন্য আধিকারিকরা। করণদিঘি গ্ৰামীণ হাসপাতালে যক্ষ্মা রোগীদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক গণেশ দত্ত জানিয়েছেন, করণদিঘি ব্লকের আলতাপুর ২ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, আশাকর্মীদের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগীদের উপর নজর রাখা হয়েছে। প্রতিদিন ওষুধ খাওয়ানো সহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হয়। এছাড়াও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ সহ যক্ষ্মা রোগীর জন্য কাফ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।
আলতাপুর ২ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা রেখা খাতুন জানিয়েছেন, যক্ষ্মা প্রতিরোধে সরকার লাগাতার কর্মসূচি নিলেও প্রতি বছর কিছু মানুষ আক্রান্ত হচ্ছেন। এবিষয়ে গ্ৰামগুলিতে আরও সচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজন রয়েছে। রোগ ও পুষ্টি সম্পর্কে সঠিক ধারণা থাকাও দরকার। যক্ষ্মা রোগীদের সচেতন করতে উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের কো-অর্ডিনেটর সুজিত ঠাকুর সহ অন্য আধিকারিকরা। করণদিঘি গ্ৰামীণ হাসপাতালে যক্ষ্মা রোগীদের দেখভালের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক গণেশ দত্ত জানিয়েছেন, করণদিঘি ব্লকের আলতাপুর ২ নং গ্ৰাম পঞ্চায়েতে যক্ষ্মা রোগীর সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, আশাকর্মীদের মাধ্যমে যক্ষ্মা রোগীদের উপর নজর রাখা হয়েছে। প্রতিদিন ওষুধ খাওয়ানো সহ বিভিন্ন তথ্য যাচাই করা হয়। এছাড়াও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ সহ যক্ষ্মা রোগীর জন্য কাফ পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়।



