চেন্নাই: এক সপ্তাহ পর মিলল সুখবর। তেলেঙ্গানার শ্রীশৈলম সুড়ঙ্গে আটকে পড়া আট শ্রমিক-ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে চারজনের খোঁজ মিলল। সিমেন্ট, জল-কাদার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে তাঁদের বের করে আনাই এখন চ্যালেঞ্জ উদ্ধারকারীদের। শীঘ্রই বাকিদের খোঁজ পাওয়া যাবে বলে আশা সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের।
Advertisement
শ্রীশৈলম সুড়ঙ্গে আটকে পড়া শ্রমিক, ইঞ্জিনিয়ারদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করছেন উদ্ধারকারীরা। ৫০০ জনেরও বেশি কর্মী লড়াই করে চলেছেন প্রতিনিয়ত। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন উদ্ধারকারী দলে। টানেল বোরিং মেশিনের মাধ্যমে চলছে খননের চেষ্টা। যন্ত্রের সাহায্যে সুড়ঙ্গের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা করছেন উদ্ধারকারীরা। সপ্তাহব্যাপী লড়াইয়ের পর অবশেষে দেখা গেল আশার আলো। শনিবার বিকেলে রাজ্যের মন্ত্রী কৃষ্ণ রাও জানিয়েছেন, আটক চারজনের হদিশ মিলেছে। এদিন সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবেশ করেছিল উদ্ধারকারীদের একটি দল। তাঁরাই এই খবর জানান। গত ২২ ফেব্রুয়ারি সকালে নাগারকুর্নুলের শ্রীশৈলম সুড়ঙ্গের ছাদ ভেঙে পড়ে। আটকে পড়েন আটজন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন দু’জন ইঞ্জিনিয়ার, দু’জন অপারেটর ও চারজন শ্রমিক। শুক্রবার পর্যন্ত তাঁদের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। ফলে উদ্বেগ বাড়ছিল পরিবারের সদস্যদের। অবশেষে শনিবার চারজন শ্রমিকের হদিশ মিলল। শনিবার টানেলের বাইরে একাধিক অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি হায়দরাবাদ থেকে ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞের (চিকিৎসক) একটি দলকে ঘটনাস্থলে আসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
গত শুক্রবার সুড়ঙ্গের নীচে আটকে থাকা কতগুলি মৃতদেহের ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। দাবি করা হয়, সুড়ঙ্গের ভিতরে মৃত্যু হয়েছে কয়েকজন শ্রমিকের। যদিও শনিবার এই খবরকে ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছেন জেলা কালেক্টর বি সন্তোষ। তিনি জানিয়েছেন, পুরোদমে উদ্ধারকাজ চলছে। কিছু জায়গায় ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। এদিকে, ন্যাশনাল জিওফিজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রধান বাধা কাদা-জল। সেগুলিকে সরিয়ে আটক শ্রমিকদের কাছে পৌঁছতে হবে। গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রেডার (জিপিআর) ব্যবহার করছেন উদ্ধারকারীরা।
গত শুক্রবার সুড়ঙ্গের নীচে আটকে থাকা কতগুলি মৃতদেহের ছবি ভাইরাল হয়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। দাবি করা হয়, সুড়ঙ্গের ভিতরে মৃত্যু হয়েছে কয়েকজন শ্রমিকের। যদিও শনিবার এই খবরকে ‘ভুয়ো’ বলে দাবি করেছেন জেলা কালেক্টর বি সন্তোষ। তিনি জানিয়েছেন, পুরোদমে উদ্ধারকাজ চলছে। কিছু জায়গায় ভুয়ো খবর ছড়ানো হচ্ছে। এদিকে, ন্যাশনাল জিওফিজিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রধান বাধা কাদা-জল। সেগুলিকে সরিয়ে আটক শ্রমিকদের কাছে পৌঁছতে হবে। গ্রাউন্ড পেনিট্রেটিং রেডার (জিপিআর) ব্যবহার করছেন উদ্ধারকারীরা।



