Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এক মাসে দুই লক্ষ মেট্রিক টন ধান কিনল জেলা খাদ্যদপ্তর

এক মাসে দুই লক্ষ মেট্রিক টন ধান কিনল জেলা খাদ্যদপ্তর
  • ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বহরমপুর: এক মাসে মুর্শিদাবাদ জেলায় ইতিমধ্যেই সহায়ক মূল্যে ১ লক্ষ ৯৬ হাজার মেট্রিক টন ধান কেনা হয়ে গিয়েছে। এবার গোটা জেলায় আমন ধানের উৎপাদন খুবই ভালো। তবে এবার সহায়ক মূল্যে ধানের ধলতার পরিমাণ নিয়ে বহু জায়গায় চাষিরা আপত্তি তুলছিলেন। চাষিদের সন্তুষ্ট করতে প্রত্যেক প্রকিওরমেন্ট সেন্টারে কুলো দিয়ে ধান ঝাড়াই করে ধলতার পরিমাণ নির্ধারণ করছে জেলা খাদ্যদপ্তর। খাদ্যদপ্তরের আধিকারিকদের দাবি, কিছু চাষি ধলতা নিয়ে আপত্তি তুলছেন। তবে তাঁদের ধানের নমুনা সংগ্রহ করে ঝাড়াই করে ধলতার পরিমাণ ঠিক করা হচ্ছে। তাতে তাঁরা সম্মতি জানিয়ে ধলতা দিতে রাজি হচ্ছেন। ধান ক্রয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সমস্যা হয়নি বলে জেলা খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক সুদীপ্ত সামন্ত দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ব্লক, মহকুমা ও জেলাস্তরে কমিটি গঠন করে নিয়ম মেনেই ধান কেনার উপর নজর রাখা হচ্ছে। তাই ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়াবে বলেই আশা করছি।
Advertisement
আমন ধান উঠতে দেরি হওয়ায় এবার মুর্শিদাবাদে সহায়ক মূল্যে ধান কেনার প্রক্রিয়া গত ২ নভেম্বর থেকে পিছিয়ে ১৮ নভেম্বর করা হয়েছিল। ওই সময় জেলায় ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত থাকায় প্রকিওরমেন্ট সেন্টারগুলি আরও তিনদিন পর খোলা হয়েছিল। জেলায় এবার ধান ক্রয় কেন্দ্র ৪৫ থেকে বাড়িয়ে ৬০টি করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন সমবায় সমিতি, এসএইচজি, এফপিও, এফপিসি মিলিয়ে মোট ২০০টি সহায়ক মূল্যে ধান ক্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে ৬ লক্ষ ২২ হাজার মেট্রিক টন। শুরু থেকেই ধান বিক্রির জন্য প্রকিওরমেন্ট সেন্টারগুলিতে ভিড় জমাতে শুরু করেন চাষিরা। তবে যেখানে কুইন্টাল প্রতি পাঁচ কেজি হারে ধলতা নেওয়া হচ্ছে সেখানে চাষিদের বিক্ষিপ্ত অভিযোগ উঠছে। চাষিদের প্রশ্ন খারাপ এবং ভালো ধানের ক্ষেত্রে একই হারে ধলতা বাদ দেওয়া হবে কেন? সেই সব চাষিদের মুখ বন্ধ করতে ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে কুলো রাখা হয়েছে। আপত্তি তোলা চাষিদের আনা যেকোনও একটি বস্তা ওজন করে সেই ধান কুলো দিয়ে ঝাড়াই করেই ধলতার পরিমাণ নির্ধারণ করা হচ্ছে। জেলা খাদ্য নিয়ামক আধিকারিক সুদীপ্ত সামন্ত বলেন, আমার সামনেই একজন চাষি কুলো দিয়ে ধান ঝাড়েন। তারপর ধলতা নির্ধারণ করা হয়। বাকি চাষিরাও সরকার নির্ধারিত হারেই ধলতা দিতে রাজি হচ্ছেন। ফলে সমস্যা এখনও পর্যন্ত দেখা দেয়নি।
সম্পর্কিত সংবাদ