নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকে এক মাসে নদীয়া জেলায় দু’ কোটি টাকার বেশি আর্থিক লেনদেন হয়েছে। প্রায় ২৫ হাজার মানুষ এই সরকারি কেন্দ্রগুলি থেকে সুবিধে পেয়েছেন। প্রতি কেন্দ্র থেকে গড়ে দেড় লক্ষ টাকার আর্থিক লেনদেন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বছরের শুরুতেই বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকে পরিষেবার এই পরিসংখ্যান দেখে খুশি প্রশাসনের আধিকারিকরাও। তবে আর্থিক লেনদেন ও পরিষেবা প্রদান আরও বাড়াতে চাইছে জেলা প্রশাসন। কারণ গত বছর ডিসেম্বর মাসের তুলনায় জানুয়ারি মাসে সামান্য কম পরিমাণ আর্থিক লেনদেনের হয়েছে। সবচেয়ে বেশি জমি এবং বিদ্যুৎ বিলের টাকা মেটানো হয়েছে বিএসকে থেকে।
Advertisement
নদীয়ার জেলাশাসক এস অরুণ প্রসাদ বলেন, ‘নদীয়া জেলায় শতাধিক বাংলা সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে। সেখান থেকে সাধারণ মানুষকে পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। এতে আমরা ভালো সাড়া পেয়েছি। বিদ্যুৎ বিল, খাজনা সহ বিভিন্ন কাজ করা হচ্ছে। বছরের শুরুতেই আমরা ভালো সাড়া পেয়েছি।’
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় মোট ১৬৬টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা প্রদান করা হয়। সরকারি প্রকল্পের ব্যাপারে জানা কিংবা সরকারি কোনও তথ্য জানতে সহায়তা কেন্দ্র যোগাযোগ করেন সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি সেই কেন্দ্র থেকে আর্থিক লেনদেনও করা হয়। যার ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের হয়রানি পোহাতে হয় না। বিদ্যুৎ বিল দেওয়া থেকে শুরু করে রাজস্ব প্রদান, সবকিছুই বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকে করা যায়। যার জন্যই গ্রামেগঞ্জে এই ধরনের কেন্দ্রের চাহিদা বাড়ছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই কেন্দ্রের যথার্থ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেইমতো কয়েক মাস আগে সহায়তা কেন্দ্রের কর্মীদের পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছিল। বর্তমানে আধারের কাজও এই কেন্দ্রে হয়।
জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় জানুয়ারি মাসে বিএসকে’তে পরিষেবা নিতে এসেছেন ২৪ হাজার ৯০৪ জন। এক মাসে ৪৯ হাজার ৭৯৪টি পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, তথ্যপ্রদান, আর্থিক লেনদেন। এক মাসে কেন্দ্র থেকে সাড়ে ছ’ হাজারের বেশি তথ্য প্রদান করা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। ৪৩ হাজার ২১৬টি আর্থিক পরিষেবা দেওয়া হয়েছে উপভোক্তাদের। সবমিলিয়ে মোট ২ কোটি ৩৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৮৫৪ টাকার লেনদেন হয়েছে। যেখানে ডিসেম্বরে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৪৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৪৩৭টাকা। আর্থিক লেনদেন বাড়ানোর ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে সর্বাধিক ১৬ লক্ষ টাকা এবং চাপড়া ব্লকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এক মাসে বাংলা সহায়তা কেন্দ্র আরওআর অর্থাৎ রাইটস অব রেকর্ডসের জন্য টাকা আদায় হয়েছে ৫৭ হাজার ৯১০ টাকা। কনভারশান এবং মিউটেশনের জন্য আর্থিক লেনদেন হয়েছে ২ লক্ষ ৬৮ হাজার ২১৭টাকা। সহায়তা কেন্দ্র খাজনা আদায় হয়েছে ৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা। জমির কাজ নিয়ে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৫৫টাকা। তবে এই কেন্দ্র থেকে সাড়ে ন’ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল মিটিয়েছেন সাধারণ মানুষ।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় মোট ১৬৬টি বাংলা সহায়তা কেন্দ্র রয়েছে। যেখানে বিভিন্ন সরকারি পরিষেবা প্রদান করা হয়। সরকারি প্রকল্পের ব্যাপারে জানা কিংবা সরকারি কোনও তথ্য জানতে সহায়তা কেন্দ্র যোগাযোগ করেন সাধারণ মানুষ। পাশাপাশি সেই কেন্দ্র থেকে আর্থিক লেনদেনও করা হয়। যার ফলে প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের হয়রানি পোহাতে হয় না। বিদ্যুৎ বিল দেওয়া থেকে শুরু করে রাজস্ব প্রদান, সবকিছুই বাংলা সহায়তা কেন্দ্র থেকে করা যায়। যার জন্যই গ্রামেগঞ্জে এই ধরনের কেন্দ্রের চাহিদা বাড়ছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে এই কেন্দ্রের যথার্থ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। সেইমতো কয়েক মাস আগে সহায়তা কেন্দ্রের কর্মীদের পারিশ্রমিক বাড়ানো হয়েছিল। বর্তমানে আধারের কাজও এই কেন্দ্রে হয়।
জানা গিয়েছে, নদীয়া জেলায় জানুয়ারি মাসে বিএসকে’তে পরিষেবা নিতে এসেছেন ২৪ হাজার ৯০৪ জন। এক মাসে ৪৯ হাজার ৭৯৪টি পরিষেবা প্রদান করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে, তথ্যপ্রদান, আর্থিক লেনদেন। এক মাসে কেন্দ্র থেকে সাড়ে ছ’ হাজারের বেশি তথ্য প্রদান করা হয়েছে সাধারণ মানুষকে। ৪৩ হাজার ২১৬টি আর্থিক পরিষেবা দেওয়া হয়েছে উপভোক্তাদের। সবমিলিয়ে মোট ২ কোটি ৩৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৮৫৪ টাকার লেনদেন হয়েছে। যেখানে ডিসেম্বরে লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ কোটি ৪৩ লক্ষ ২৬ হাজার ৪৩৭টাকা। আর্থিক লেনদেন বাড়ানোর ব্যাপারে জোর দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। কৃষ্ণগঞ্জ ব্লকে সর্বাধিক ১৬ লক্ষ টাকা এবং চাপড়া ব্লকে প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা লেনদেন হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এক মাসে বাংলা সহায়তা কেন্দ্র আরওআর অর্থাৎ রাইটস অব রেকর্ডসের জন্য টাকা আদায় হয়েছে ৫৭ হাজার ৯১০ টাকা। কনভারশান এবং মিউটেশনের জন্য আর্থিক লেনদেন হয়েছে ২ লক্ষ ৬৮ হাজার ২১৭টাকা। সহায়তা কেন্দ্র খাজনা আদায় হয়েছে ৩ লক্ষ ৩ হাজার ১৮৬ টাকা। জমির কাজ নিয়ে আর্থিক লেনদেন হয়েছে ১ কোটি ৫৫ লক্ষ ৪২ হাজার ৫৫৫টাকা। তবে এই কেন্দ্র থেকে সাড়ে ন’ লক্ষ টাকার বিদ্যুৎ বিল মিটিয়েছেন সাধারণ মানুষ।



