নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: বিভিন্ন সময় কৃষকদের মধ্যে অসন্তোষ দানা বাঁধলেও, সুষ্ঠুভাবেই সম্পন্ন হচ্ছে জেলায় সহায়ক মূল্যে ধানক্রয় পর্ব। গত এক মাসে জেলায় ৭২ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনেছে খাদ্যদপ্তর। যা ধান ক্রয়ের মূল লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় প্রায় ২৪ শতাংশ।
Advertisement
এই মরসুমে উত্তর দিনাজপুর জেলায় ২ লক্ষ হেক্টরেরও বেশি পরিমাণ জমিতে ধান চাষ হয়েছে। যার সিংহভাগই কাটা হয়েছে। চলছে ঝাড়াই-বাছাই। শীঘ্রই ধান ক্রয় কেন্দ্রগুলিতে ভিড় বাড়বে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা। তবে সম্প্রতি ধানক্রয় কেন্দ্রে ধান বিক্রি নিয়ে অসন্তোষ কৃষকদের একাংশের। মাত্রাতিরিক্ত ধলতা কেটে নেওয়া, ক্রয় কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া ভ্যান থেকে ধানের বস্তা খালি করার জন্য টাকা নেওয়ার মতো অভিযোগ ওঠে। যা নিয়ে কৃষি দপ্তর ইতিমধ্যে নজরদারি শুরু করেছে।
এবছর টার্গেট ৩ লক্ষ মেট্রিক টন ধান কেনা। নভেম্বরের ২ তারিখ থেকে সর্বমোট ২৯ টি কেন্দ্র খুলে ধান কেনা শুরু হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৬ টি মোবাইল ধান ক্রয় কেন্দ্র। এই কাজে সহায়ক হিসেবে খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছে রাইস মিল, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, কিছু সোসাইটি এবং এফপিসিগুলি। জেলার খাদ্য নিয়ামক সঞ্জীব হালদার বলেন, চাষিদের ধান বিক্রিতে উৎসাহিত করতে এবার ধান কেনার সহায়ক মূল্য বেড়েছে। গতবার প্রতি কুইন্টাল ধানের সহায়ক মূল্য ছিল ২ হাজার ১৮৩ টাকা ও ইনসেনটিভ ছিল ২০ টাকা। এবছর সেখানে সহায়ক মূল্য কুইন্টাল প্রতি ২ হাজার ৩০০ টাকা। সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রে সরাসরি বিক্রি করলে মিলবে অতিরিক্ত ২০ টাকা। যে কারণে এবার একমাসের মধ্যে ৭২ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনতে পেরেছে খাদ্যদপ্তর।
এবছর টার্গেট ৩ লক্ষ মেট্রিক টন ধান কেনা। নভেম্বরের ২ তারিখ থেকে সর্বমোট ২৯ টি কেন্দ্র খুলে ধান কেনা শুরু হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ৬ টি মোবাইল ধান ক্রয় কেন্দ্র। এই কাজে সহায়ক হিসেবে খাদ্যদপ্তরের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে কাজ করছে রাইস মিল, স্বনির্ভর গোষ্ঠী, কিছু সোসাইটি এবং এফপিসিগুলি। জেলার খাদ্য নিয়ামক সঞ্জীব হালদার বলেন, চাষিদের ধান বিক্রিতে উৎসাহিত করতে এবার ধান কেনার সহায়ক মূল্য বেড়েছে। গতবার প্রতি কুইন্টাল ধানের সহায়ক মূল্য ছিল ২ হাজার ১৮৩ টাকা ও ইনসেনটিভ ছিল ২০ টাকা। এবছর সেখানে সহায়ক মূল্য কুইন্টাল প্রতি ২ হাজার ৩০০ টাকা। সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রে সরাসরি বিক্রি করলে মিলবে অতিরিক্ত ২০ টাকা। যে কারণে এবার একমাসের মধ্যে ৭২ হাজার মেট্রিক টন ধান কিনতে পেরেছে খাদ্যদপ্তর।



