সঞ্জিত সেনগুপ্ত, শিলিগুড়ি: বিশ্ব এইডস দিবসেই প্রশ্ন উঠল একদিনের জন্য এই দিনটি বিশেষভাবে পালন করার যৌক্তিকতা নিয়ে। ব্যাপক সচেতনতা প্রচারের পরও এইচআইভি সংক্রামিতের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। শিলিগুড়ি মহকুমায় এই সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মধ্যে মাটিগাড়া ব্লকে সব থেকে বেশি।
Advertisement
রবিবার ১ ডিসেম্বর বিশ্ব এইডস দিবস পালন অনুষ্ঠানে এইচআইভি আক্রান্তদের সংগঠন ‘সঙ্ঘবদ্ধ’ এই তথ্য তুলে ধরে। যেভাবে সংক্রমণ বাড়ছে তাতে বছরের একটি দিন নয়, এইচআইভি প্রতিরোধে সারাবছর আরও ব্যাপক সচেতনতা কর্মসূচির প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন সঙ্ঘবদ্ধের সদস্যরা। সংগঠনের এক সদস্যর অভিযোগ, হাইরিস্ক এলাকাগুলিতে সচেতনতা প্রচারে খামতি রয়েছে। সেই কারণেই মাটিগাড়া সহ দার্জিলিং জেলায় এইচআইভি আক্রান্তের সংখ্যা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। মাটিগাড়া ব্লকে গত এক বছরে ৯০ জন নতুন এইচআইভি সংক্রামিত ব্যক্তিকে আমরা শনাক্ত করেছি। এইচআইভি প্রতিরোধের লক্ষ্যে সরকারি সহযোগিতায় বিভিন্ন এনজিও সচেতনতা প্রচারের কাজ করছে। এইডস নিয়েও সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ চলছে।
সঙ্ঘবদ্ধের ওই সদস্য আরও বলেন, আমাদের সংগঠনের কাজ এইচআইভি আক্রান্ত গরিব মানুষকে পুষ্টিকর খাদ্য দেওয়া নিশ্চিত করা। তাঁদের নিয়মিত এআরটি চিকিৎসা পরিষেবার আওতায় আনা। অন্যান্য চিকিৎসায় তাঁদের সহযোগিতা করা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ অনেক জায়গাতেই এইচআইভি আক্রান্তদের অস্ত্রোপচার সহ অন্যান্য চিকিৎসায় অবহেলা করা হয়। সচেতনতা প্রচারের জন্য আলাদা করে অন্য এনজিওদের দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে। যারা শুধু এইচআইভি প্রতিরোধের জন্য ধারাবাহিকভাবে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাবে।
মাটিগাড়া মাদক ব্যবসার মুক্তাঞ্চল হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এখানে মাদকাসক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানকার যুবসমাজ ব্যাপকভাবে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। সঙ্ঘবদ্ধের এক পদাধিকারী বলেন, একই ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ দিয়ে এরা নিজেদের মধ্যে ড্রাগ নিতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছে। এরকম অঞ্চলের পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় ব্যাপক প্রচার দরকার। যেখানে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি রয়েছে। সেইসব এলাকাতেও এইচআইভি সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব এলাকাতেই সচেতনতা প্রচার ব্যাপক হওয়া প্রয়োজন। প্রচার থাকা সত্ত্বেও এইচআইভি সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এই জায়গা থেকেই এদিন দাবি ওঠে, বছরের একটি দিন শহরের মধ্যে শোভাযাত্রা, পথনাটিকা নয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে সারাবছর সচেতনতা প্রচার চালাতে হবে।
দার্জিলিংয়ের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামণিক বলেন, আগে জেলা এইচআইভি সংক্রমণে হাইরিস্ক জোনে ছিল। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। তবে আমাদের ধারাবাহিক পর্যালোচনা ও প্রচার এখনও চলছে।
সঙ্ঘবদ্ধের ওই সদস্য আরও বলেন, আমাদের সংগঠনের কাজ এইচআইভি আক্রান্ত গরিব মানুষকে পুষ্টিকর খাদ্য দেওয়া নিশ্চিত করা। তাঁদের নিয়মিত এআরটি চিকিৎসা পরিষেবার আওতায় আনা। অন্যান্য চিকিৎসায় তাঁদের সহযোগিতা করা। উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল সহ অনেক জায়গাতেই এইচআইভি আক্রান্তদের অস্ত্রোপচার সহ অন্যান্য চিকিৎসায় অবহেলা করা হয়। সচেতনতা প্রচারের জন্য আলাদা করে অন্য এনজিওদের দায়িত্ব দেওয়া রয়েছে। যারা শুধু এইচআইভি প্রতিরোধের জন্য ধারাবাহিকভাবে ব্যাপক প্রচার চালিয়ে যাবে।
মাটিগাড়া মাদক ব্যবসার মুক্তাঞ্চল হয়ে ওঠার সঙ্গে সঙ্গে এখানে মাদকাসক্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখানকার যুবসমাজ ব্যাপকভাবে মাদকাসক্ত হয়ে পড়েছে। সঙ্ঘবদ্ধের এক পদাধিকারী বলেন, একই ইঞ্জেকশনের সিরিঞ্জ দিয়ে এরা নিজেদের মধ্যে ড্রাগ নিতে গিয়ে বিপদ ডেকে আনছে। এরকম অঞ্চলের পাশাপাশি সীমান্ত লাগোয়া এলাকায় ব্যাপক প্রচার দরকার। যেখানে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা বেশি রয়েছে। সেইসব এলাকাতেও এইচআইভি সংক্রমণের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এসব এলাকাতেই সচেতনতা প্রচার ব্যাপক হওয়া প্রয়োজন। প্রচার থাকা সত্ত্বেও এইচআইভি সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। এই জায়গা থেকেই এদিন দাবি ওঠে, বছরের একটি দিন শহরের মধ্যে শোভাযাত্রা, পথনাটিকা নয়। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় গিয়ে সারাবছর সচেতনতা প্রচার চালাতে হবে।
দার্জিলিংয়ের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ তুলসী প্রামণিক বলেন, আগে জেলা এইচআইভি সংক্রমণে হাইরিস্ক জোনে ছিল। আমরা সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে পেরেছি। তবে আমাদের ধারাবাহিক পর্যালোচনা ও প্রচার এখনও চলছে।



