নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: পঞ্চায়েত দখলের পর বছর ঘুরতেই বিজেপি নেতাদের ইটভাটা নেওয়ার ঘটনায় সরগরম ময়না। সম্প্রতি ময়না ব্লকের বাকচা পঞ্চায়েতের আড়ংকিয়ারানা গ্রামে একটি ইটভাটা নিয়েছেন প্রধান সম্রাট সামন্ত সহ চারজন। তাঁদের মধ্যে বিজেপির এক মণ্ডল সভাপতি এবং একজন পঞ্চায়েত সদস্যও আছেন। চণ্ডীয়া নদীর ধারে ওই ভাটা বন্ধ অবস্থায় ছিল। তিন বিজেপি নেতা সহ চারজন ওই ভাটা কিনে নিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। দলের নেতারা কোথা থেকে অত টাকা জোগাড় করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নিচুতলার কর্মীরাই। তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্বও এনিয়ে সুর চড়িয়েছে। বাকচায় রাজনীতি করার জন্য দুই দলের কর্মীরা আক্রান্ত হয়েছেন। দুই দলের কর্মীদের প্রাণ গিয়েছে। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে বাকচা পঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি। বছর ঘুরতেই সেই পঞ্চায়েত প্রধান সহ নেতৃত্ব আস্ত ইটভাটা কিনে নিয়েছেন।
Advertisement
সম্রাট বিজেপির জেলা কমিটির সদস্য। এছাড়াও দলের ময়না ব্লক কমিটির কনভেনর। তাঁর বিরুদ্ধে ১০টির বেশি ফৌজদারি অভিযোগ রয়েছে। পুলিসের হাতে গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন। ২০২৩ সালে ২২ জানুয়ারি সম্রাট তৃণমূলে যোগ দেন। পরবর্তীতে ফের বিজেপিতে ফিরে যান। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটে জেতার পর সম্রাটকেই বাকচার প্রধান করে দল। যদিও দলের অধিকাংশ সদস্যের কথা আলোচনা ছাড়া একতরফা বোর্ড চালানোর অভিযোগ রয়েছে সম্রাটের বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আড়ংকিয়ারানা গ্রামে ইটভাটা কিনে নেওয়ার ঘটনায় নিচুতলার কর্মীরা সম্রাটকে নিয়ে মুখ খুলছেন।
অথচ, এই বাকচায় সক্রিয়ভাবে পার্টি করতে গিয়ে নিচুতলার বহু বিজেপি কর্মী নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন। চাঁদিবেনিয়া গ্রামের বিজেপি কর্মী গৌরাঙ্গ মণ্ডল দল করতে গিয়ে তিন বার জেল খেটেছেন। বহু মামলায় জর্জরিত হয়ে এখন নিঃস্ব অবস্থা। বাকচা পঞ্চায়েত, ময়না বিধানসভা, তমলুক লোকসভায় দল জিতলেও গৌরাঙ্গর দাবি, তিনি কোনও সহযোগিতা পাননি। চাঁদিবেনিয়া বুথ থেকে ২০১৮-২৩ টার্মে বিজেপির সদস্যা ছিলেন সুষমা মণ্ডল। সুষমার স্বামী মদন মণ্ডল বিজেপির সক্রিয় কর্মী। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিক মোকাবিলায় বার বার জড়িয়ে পড়ায় মদনের বিরুদ্ধে গুচ্ছ মামলা ঝুলছে। তাঁর মুদি দোকানও লুট হয়েছে। তাতে প্রায় ছ’-সাত লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মদনের আক্ষেপ, পার্টি করতে গিয়ে পথে বসার মতো অবস্থা হয়েছে। গৌরাঙ্গ মণ্ডল, মদন মণ্ডলদের ত্যাগের বিনিময়ে বাকচা পঞ্চায়েত দখল করেছে বিজেপি। কিন্তু, তারপর নেতৃত্বের একাংশ রাতারাতি বিত্তশালী হওয়ার পথে বলে বিজেপির অন্দরে গুঞ্জন চলছে। যদিও বাকচার পঞ্চায়েত প্রধান সম্রাট সামন্ত বলেন, ওই ইটভাটা আমরা কিনে নিইনি। তিন বছরের জন্য লিজে নিয়েছি। আমার স্ত্রীর নামে লিজে নেওয়া হয়েছে। আমি এবং আমার স্ত্রী নিয়মিত ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করি। আমি পেশাগতভাবে একজন ব্যবসায়ী। এক সময় আমরা পাঁচটি প্যাথলজি সেন্টার ছিল। আমি কোনওরকম আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই। কেউ প্রমাণ করতে পারলে ইস্তফা দেব। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি উত্তম সিং বলেন, ইটভাটা নেওয়ার সঙ্গে কেউ কেউ আমার নাম জড়িয়েছেন, এটি ঠিক নয়।তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুব্রত মালাকার বলেন, ২০২৩ সালে বাকচা পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করেছে বিজেপি। এক বছর বাদে প্রধানের ইটভাটা নেওয়ার ঘটনা জেনে আশ্চর্য হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
অথচ, এই বাকচায় সক্রিয়ভাবে পার্টি করতে গিয়ে নিচুতলার বহু বিজেপি কর্মী নিঃস্ব হয়ে গিয়েছেন। চাঁদিবেনিয়া গ্রামের বিজেপি কর্মী গৌরাঙ্গ মণ্ডল দল করতে গিয়ে তিন বার জেল খেটেছেন। বহু মামলায় জর্জরিত হয়ে এখন নিঃস্ব অবস্থা। বাকচা পঞ্চায়েত, ময়না বিধানসভা, তমলুক লোকসভায় দল জিতলেও গৌরাঙ্গর দাবি, তিনি কোনও সহযোগিতা পাননি। চাঁদিবেনিয়া বুথ থেকে ২০১৮-২৩ টার্মে বিজেপির সদস্যা ছিলেন সুষমা মণ্ডল। সুষমার স্বামী মদন মণ্ডল বিজেপির সক্রিয় কর্মী। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে রাজনৈতিক মোকাবিলায় বার বার জড়িয়ে পড়ায় মদনের বিরুদ্ধে গুচ্ছ মামলা ঝুলছে। তাঁর মুদি দোকানও লুট হয়েছে। তাতে প্রায় ছ’-সাত লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মদনের আক্ষেপ, পার্টি করতে গিয়ে পথে বসার মতো অবস্থা হয়েছে। গৌরাঙ্গ মণ্ডল, মদন মণ্ডলদের ত্যাগের বিনিময়ে বাকচা পঞ্চায়েত দখল করেছে বিজেপি। কিন্তু, তারপর নেতৃত্বের একাংশ রাতারাতি বিত্তশালী হওয়ার পথে বলে বিজেপির অন্দরে গুঞ্জন চলছে। যদিও বাকচার পঞ্চায়েত প্রধান সম্রাট সামন্ত বলেন, ওই ইটভাটা আমরা কিনে নিইনি। তিন বছরের জন্য লিজে নিয়েছি। আমার স্ত্রীর নামে লিজে নেওয়া হয়েছে। আমি এবং আমার স্ত্রী নিয়মিত ইনকাম ট্যাক্স ফাইল করি। আমি পেশাগতভাবে একজন ব্যবসায়ী। এক সময় আমরা পাঁচটি প্যাথলজি সেন্টার ছিল। আমি কোনওরকম আর্থিক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত নই। কেউ প্রমাণ করতে পারলে ইস্তফা দেব। বিজেপির স্থানীয় মণ্ডল সভাপতি উত্তম সিং বলেন, ইটভাটা নেওয়ার সঙ্গে কেউ কেউ আমার নাম জড়িয়েছেন, এটি ঠিক নয়।তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুব্রত মালাকার বলেন, ২০২৩ সালে বাকচা পঞ্চায়েত বোর্ড দখল করেছে বিজেপি। এক বছর বাদে প্রধানের ইটভাটা নেওয়ার ঘটনা জেনে আশ্চর্য হয়েছি। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় গুঞ্জন শুরু হয়েছে।



