সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: প্রতি বছর শীতের সময় বক্সার জঙ্গলে বনদপ্তরের ট্র্যাপ ক্যামেরায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের ছবি ধরা পড়া নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু গত এক বছর ধরে বক্সার জঙ্গলে বাঘের দেখা মিলছে না। ফলে বাঘের দেখা না পাওয়ার বিষয়টি বনদপ্তরকেও ভাবাচ্ছে। ২০২৩ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষবারের মতো বক্সায় ট্র্যাপ ক্যামেরায় বাঘের ছবি উঠেছিল।
Advertisement
তাহলে কি বক্সার জঙ্গলে সাম্প্রতিক সময়ে হট্টগোলের কারণে বাঘশূন্য হয়ে পড়ল? নাকি ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়া বক্সার বাঘটি পরিযায়ী ছিল? বনদপ্তরের ধারণা, বক্সার বাঘটি পরিযায়ী ছিল। হয় তো বাঘটি অসমের রাইমোনা জঙ্গলে অথবা ভুটানে স্থায়ী ঠিকানায় ফিরে গিয়েছে।
রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার উত্তরবঙ্গের বনপাল ভাস্কর জেভি বলেন, বক্সায় প্রতি বছর শীতে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়া বাঘটি সম্ভবত পরিযায়ী ছিল। বাঘকে দেশকালের কোনও গণ্ডিতে বেঁধে রাখা যায় না। বাঘটি হয়তো অসমের রাইমোনা বা ভুটানে আগের ডেরায় ফিরে গিয়েছে। স্ত্রী বাঘ না আনলে কোনও এলাকায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলা যায় না।
ভিনরাজ্য থেকে বাঘ এনে বক্সায় ছাড়ার পরিকল্পনা আছে বনদপ্তরের। তারজন্য বনদপ্তর ধাপে ধাপে বক্সার জঙ্গলে ঘাস লাগিয়েছে। বাঘের খাদ্য হিসাবে বক্সায় ছাড়া হয়েছে দু’হাজার সম্বর ও চিতল হরিণও। বাঘ ছাড়ার জন্য ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির গাইড লাইন মেনে বক্সার কোর এলাকায় থাকা গাঙ্গুটিয়া ও ভুটিয়া বনবস্তিকে অন্যত্র পুনর্বাসনও দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু যার জন্য এতকিছু আয়োজন গত এক বছরে সেই বাঘের দেখা মেলেনি। বিষয়টি বনদপ্তরকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জঙ্গলে ঢোকার ফি তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে বক্সার জঙ্গলে ২৩ ডিসেম্বর থেকে ভিড় বেড়েছে মানুষের।
রাজ্যের বন্যপ্রাণ শাখার উত্তরবঙ্গের বনপাল ভাস্কর জেভি বলেন, বক্সায় প্রতি বছর শীতে ট্র্যাপ ক্যামেরায় ধরা পড়া বাঘটি সম্ভবত পরিযায়ী ছিল। বাঘকে দেশকালের কোনও গণ্ডিতে বেঁধে রাখা যায় না। বাঘটি হয়তো অসমের রাইমোনা বা ভুটানে আগের ডেরায় ফিরে গিয়েছে। স্ত্রী বাঘ না আনলে কোনও এলাকায় বাঘের স্থায়ী বসতি গড়ে তোলা যায় না।
ভিনরাজ্য থেকে বাঘ এনে বক্সায় ছাড়ার পরিকল্পনা আছে বনদপ্তরের। তারজন্য বনদপ্তর ধাপে ধাপে বক্সার জঙ্গলে ঘাস লাগিয়েছে। বাঘের খাদ্য হিসাবে বক্সায় ছাড়া হয়েছে দু’হাজার সম্বর ও চিতল হরিণও। বাঘ ছাড়ার জন্য ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটির গাইড লাইন মেনে বক্সার কোর এলাকায় থাকা গাঙ্গুটিয়া ও ভুটিয়া বনবস্তিকে অন্যত্র পুনর্বাসনও দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু যার জন্য এতকিছু আয়োজন গত এক বছরে সেই বাঘের দেখা মেলেনি। বিষয়টি বনদপ্তরকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এদিকে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে জঙ্গলে ঢোকার ফি তুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে বক্সার জঙ্গলে ২৩ ডিসেম্বর থেকে ভিড় বেড়েছে মানুষের।



