Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আজ ঈদ, জেলায় বাড়তি সতর্কতা পুলিসের

আজ ঈদ, জেলায় বাড়তি সতর্কতা পুলিসের
  • ৩১ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: আজ খুশির ঈদ। রমজান শেষে এদিন জেলার প্রায় ৬৭০০মসজিদ ও ঈদগাহতে নামাজ পড়া হবে। নামাজের পর একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন মুসলিমরা। ঈদ যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপিত হয়, সেজন্য পুলিস সতর্ক রয়েছে। প্রতিটি বড় মসজিদ লাগোয়া এলাকায় পুলিস টহল দেবে। রাস্তায় অপ্রীতিকর ঘটনা আটকাতে বাড়তি পুলিস মোতায়েন করা হচ্ছে। বেপরোয়া বাইক আটকাতে এদিন অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিস রাস্তায় নামিয়ে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুর পুলিস জেলার পুলিসকর্মীরা তো রয়েছেনই। সেইসঙ্গে বিভিন্ন ব্যাটেলিয়ন ও পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে অতিরিক্ত ফোর্স আনা হয়েছে।

Advertisement

মুর্শিদাবাদ জেলার পুলিস সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব বলেন, আমরা অতিরিক্ত পুলিস রাস্তায় নামাচ্ছি। সিনিয়র অফিসাররা পথে থাকব। প্রতিটি মসজিদ ও ঈদগাহতে নামাজ পড়তে যাতে সমস্যা না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখব। আমাদের আবেদন, সবাই শান্তিপূর্ণভাবে ঈদ উদযাপন করুন ও সম্প্রীতি বজায় রাখুন।
অল ইন্ডিয়া ইমাম মুয়াজ্জিন অ্যান্ড সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের মুর্শিদাবাদ জেলা শাখার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, শান্তি বজায় রাখার জন্য প্রতিটি মসজিদ ও ঈদগাহের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের বার্তা দিয়েছি। বিশেষ করে যুবকরা কেউ যেন বেপরোয়াভাবে বাইক না চালায়-সেবিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। কেউ যেন কোনও প্ররোচনায় পা না দেয়। কোথাও কিছু ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে পুলিসকে জানাতে বলব।
বহরমপুরে শেষদিনের ঈদের বাজার জমে উঠেছে। রবিবার দুপুর থেকেই বাজারে ক্রেতাদের দেখা পাওয়া যায়। বিকেল হতেই বাজার জমে ওঠে। সন্ধ্যায় ছোট-বড় দোকান ও শপিংমলে ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় দেখা যায়। বহরমপুরের এক নামী বস্ত্র বিপণীর কর্ণধার শেখরচাঁদ মারোঠি বলেন, এবার বিক্রি বেড়েছে। মুর্শিদাবাদের পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া, বীরভূম ও মালদহ থেকেও আমাদের দোকানে ক্রেতারা এসেছেন। কখনও কখনও এত ক্রেতা এসেছেন যে, গাড়ি রাখার জায়গা হয়নি। আমাদের ৭২টি চারচাকা গাড়ি রাখার জায়গা আছে। তাও গাড়ি রাখার জায়গা নেই বলে ফোন এসেছে।
হরিদাসমাটির বাসিন্দা রফিক শেখ বলেন, এবার ঈদে তেমন কেনাকাটা করব না বলেই মনস্থির করেছিলাম। কিন্তু শেষদিনে বাজারে আসতে হল। নিত্য প্রয়োজনীয় কয়েকটি পোশাক কিনব।লালবাগের বাসিন্দা রোজিনা বিবি বলেন, আগেই ঈদের বাজার হয়েছে। তবে রবিবার সময় পাওয়ায় আরও একবার বাজারে এলাম। এদিন কিছু কসমেটিক্স ও খাবার কিনলাম।
কান্দি বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া এক মুদির দোকানে দাঁড়িয়ে অয়ন রহমান বলেন, ঈদে বাড়িতেই প্রচুর রান্না হয়। তাই এদিন সেমই, কিসমিস, খেজুর, ঘি ও চিনি কেনার জন্য বাজারে এসেছি। আমাদের নতুন জামাকাপড় আগেই কেনা হয়ে গিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ