সংবাদদাতা, কাঁথি: বিঘার পর বিঘা জমিতে জমে রয়েছে জল। এর ফলে এগরা-২ ব্লকের বিবেকানন্দ গ্রাম পঞ্চায়েতের শ্যামপুর মৌজার কৃষকরা রীতিমতো বেকায়দায় পড়েছেন। ফেব্রুয়ারি মাস শেষ হয়ে এলেও মাঠে হাঁটুর কাছাকাছি জল দাঁড়িয়ে রয়েছে। তাই ১৫ একর জমিতে এবার বোরো চাষ করতে পারেননি কৃষকরা। কয়েকজন কৃষক নিজেদের সুবিধার জন্য কালভার্ট ভেঙে দেওয়ায় জলনিকাশির এই পরিস্থিতি বলে অভিযোগ। এই অবস্থায় প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে। কৃষকরা বিডিও, মহকুমা শাসক সহ বিভিন্ন মহলে দরবার করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আর্জি জানিয়েছেন। অবিলম্বে সমস্যার সুরাহা না হলে কৃষকরা বৃহত্তর আন্দোলন নামবেন বলে হঁশিয়ারি দিয়েছেন।
Advertisement
জানা গিয়েছে, শ্যামপুর মৌজায় বিস্তীর্ণ এলাকায় আমন এবং বোরো চাষ হয়। জলনিকাশির জন্য বাম আমলে বাঁধে কালভার্ট বসানো হয়েছিল। কালভার্ট দিয়ে শ্যামপুর মৌজার জল ঊর্ধ্ববপুর মৌজার নয়ানজুলি দিয়ে বের হতো। কিন্তু গত কয়েকবছর ধরে ঊর্ধ্ববপুর মৌজার কিছু কৃষক কালভার্ট দিয়ে জলনিকাশিতে বাধা দিয়েছিলেন। প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে সেই বাধা হটিয়ে দেয়। ফের সেই কালভার্ট কিছু কৃষক ভেঙে দেওয়ায় জলনিকাশি ব্যবস্থা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আমন চাষ কোনওরকমে হয়েছিল। জল কমায় কিছু জমিতে বোরো ধান রোপণ করা হয়েছে। কিন্তু রাস্তার পাশে এখনও প্রায় ১৫ একর জমি জলমগ্ন অবস্থায় পড়ে রয়েছে। সেখানে ধান রোপণ তো দূরঅস্ত, বীজতলাও তৈরি করা যায়নি।
ভুক্তভোগী কৃষকরা বলছেন, ঋণ নিয়ে কোনওরকমে আমন চাষ করেছিলাম। বোরো চাষ হয়নি, তাই টাকা কীভাবে পরিশোধ করব, সেই চিন্তায় আমাদের ঘুম নেই। স্থানীয় বাসিন্দা, পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান রাজনারায়ণ মান্না বলেন, আমার আমলেও সমস্যা ছিল। আমরা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। সমস্যা স্থায়ী সমাধান করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান প্রধান মনীষা গুচ্ছাইত বলেন, আমি এর আগে এলাকায় গিয়ে জলনিকাশির চালুর চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছু কৃষকদের হাতে হেনস্তা হতে হয়েছে। তবুও আমরা চেষ্টা জারি রেখেছি। প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছি। এবিষয়ে এগরার মহকুমা শাসক মনজিৎকুমার যাদব বলেন, জলমগ্ন মৌজা নিকাশি সমস্যা সমাধানের জন্য হিউম পাইপ বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কালভার্ট এবং সংলগ্ন নয়ানজুলি সংস্কারের প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। টাকা বরাদ্দ হলে নিকাশির কাজ শুরু হবে।
ভুক্তভোগী কৃষকরা বলছেন, ঋণ নিয়ে কোনওরকমে আমন চাষ করেছিলাম। বোরো চাষ হয়নি, তাই টাকা কীভাবে পরিশোধ করব, সেই চিন্তায় আমাদের ঘুম নেই। স্থানীয় বাসিন্দা, পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান রাজনারায়ণ মান্না বলেন, আমার আমলেও সমস্যা ছিল। আমরা সমাধানের উদ্যোগ নিয়েছিলাম। সমস্যা স্থায়ী সমাধান করতে হলে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে এগিয়ে আসতে হবে। বর্তমান প্রধান মনীষা গুচ্ছাইত বলেন, আমি এর আগে এলাকায় গিয়ে জলনিকাশির চালুর চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছু কৃষকদের হাতে হেনস্তা হতে হয়েছে। তবুও আমরা চেষ্টা জারি রেখেছি। প্রশাসনকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার আবেদন জানিয়েছি। এবিষয়ে এগরার মহকুমা শাসক মনজিৎকুমার যাদব বলেন, জলমগ্ন মৌজা নিকাশি সমস্যা সমাধানের জন্য হিউম পাইপ বসানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কালভার্ট এবং সংলগ্ন নয়ানজুলি সংস্কারের প্রস্তাব জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে। টাকা বরাদ্দ হলে নিকাশির কাজ শুরু হবে।



