সংবাদদাতা, কাঁথি: দেরিতে খোলা হয় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র। পড়াশোনার উপযুক্ত পরিবেশ নেই। শিশুদের দেওয়া হচ্ছে অপুষ্টিকর খাবার। এমনই একগুচ্ছ অভিযোগে মঙ্গলবার এগরার জেড়থানের কিয়া এলাকায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে তালা ঝুলিয়ে দিলেন অভিভাবকরা। তাঁরা কেন্দ্রের কর্মী-সহায়িকাকে ঘিরে বিক্ষোভও দেখান। শেষ পর্যন্ত স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপে বিক্ষোভ ওঠে। তালা খুলে দেওয়া হয়।
Advertisement
ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের নিজস্ব ভবন নেই। স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একটি রান্নাঘর নিয়ে কেন্দ্রটি চলে। তার ছাউনির ভগ্নপ্রায় অবস্থা। বৃষ্টি হলেই জল পড়ে। স্যাঁতসেঁতে পরিবেশের মধ্যেই শিশুরা পড়াশোনা করে। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অভিভাবক শিখা বারিক বলেন, খিচুড়িতে কোনওদিনই সব্জি কিংবা সয়াবিন দেওয়া হয় না। আলুর অবস্থা ভালো থাকে না। খিচুড়ি ঠিকঠাক সেদ্ধ হয় না। অপর অভিভাবক পিউ বেরা বলেন, কর্মী-সহায়িকারা দেরি করে আসেন। এলেও মোবাইলে সিরিয়াল দেখতে মগ্ন থাকেন। তাঁরা নিজেদের দায়িত্ব ঠিকঠাক পালন করছেন না। তাঁদের অন্যত্র সরানো হোক। ওই কেন্দ্রের কর্মী রেখা মাইতি বলেন, কেন্দ্রের ছাউনি ভেঙে পড়ছে। সমস্যার কথা সংশ্লিষ্ট মহলে জানানো হয়েছে। সুরাহা হয়নি। যেটুকু টাকা বরাদ্দ হয়, তাতেই খাবার দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। রান্না-সংক্রান্ত যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। আমরা সবসময় ঠিকঠাক পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করি।সুসংহত শিশুবিকাশ প্রকল্প আধিকারিক শানু মুখোপাধ্যায় বলেন, অভিযোগ পেয়ে এলাকার সুপারভাইজারদের ওখানে পাঠিয়েছিলাম। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গেও আমরা কথা বলেছি। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিডিও দুর্গাপ্রসাদ ঘোষ বলেন, ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল। তবে তা মিটে গিয়েছে।



