সংবাদদাতা, কাঁথি: এগরায় বাড়িতে দুষ্কৃতীর ধারালো অস্ত্রের কোপে জখম হলেন বিজেপি কর্মীর স্ত্রী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এগরা থানার রাজেন্দ্রচক এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কাজলমণি প্রামাণিক নামে বছর পঁয়তাল্লিশের ওই মহিলার সারা শরীরে বেশ কয়েকটি জায়গায় কোপ মারা হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তিনি মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তবে কী কারণে এই হামলা, তা পরিবারের লোকজন কিংবা পুলিসের কাছে পরিষ্কার নয়। পুলিস তদন্ত শুরু করেছে। খবর পেয়ে বিজেপি নেতারা ওই মহিলার পরিবারের লোকজনের সঙ্গে দেখা করেন এবং পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজেন্দ্রচক গ্রামের তপন প্রামাণিক ও তাঁর ছেলে মাছধরা ট্রলারে কাজ করেন। সোমবার রাতে তাঁরা বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে ছিলেন কাজলদেবী, তাঁর বউমা ও নাতনি। অন্যান্য দিনের মতো সোমবার রাতেও খেয়ে ঘুমাতে যান কাজলদেবী। তাঁদের ঝুপড়ি বাড়ি। জানা গিয়েছে, রাত ১টা এক দুষ্কৃতী তাঁদের বাড়িতে চড়াও হয়। টিনের দরজা সরিয়ে ভিতরে ঢুকে পড়ে। তারপর ঘুমন্ত অবস্থায় কাজলদেবীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। তাঁর চিৎকারে বউমা ও নাতনির ঘুম ভেঙে যায়। তাঁদের চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরাও চলে আসেন। তারপর ওই মহিলাকে তাঁরা মেদিনীপুরে মেডিক্যালে নিয়ে যান। খবর পেয়ে মঙ্গলবার বাড়ি ফিরে আসেন কাজলদেবীর স্বামী ও ছেলে।
হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাজলদেবী জানিয়েছেন, কে আমার উপর হামলা চালিয়েছে, অন্ধকারে কিছুই দেখতে পাইনি। বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক তন্ময় হাজরা বলেন, কাজলদেবী আমাদের দলের কর্মীর স্ত্রী। রাজনৈতিক কারণে এই ঘটনা বলে আমরা মনে করছি। তৃণমূলের লোকজনও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার তৃণমূল নেতা তথা দেশবন্ধু পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আলোক মহাপাত্র বলেন, এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ব্যক্তিগত কোনও কারণেই ওই মহিলাকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। থানার আইসি অরুণকুমার খান বলেন, পুলিস এলাকায় গিয়ে তদন্ত করেছে। তবে এই ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।
হাসপাতালের বেডে শুয়ে কাজলদেবী জানিয়েছেন, কে আমার উপর হামলা চালিয়েছে, অন্ধকারে কিছুই দেখতে পাইনি। বিজেপির মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক তন্ময় হাজরা বলেন, কাজলদেবী আমাদের দলের কর্মীর স্ত্রী। রাজনৈতিক কারণে এই ঘটনা বলে আমরা মনে করছি। তৃণমূলের লোকজনও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
এলাকার তৃণমূল নেতা তথা দেশবন্ধু পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আলোক মহাপাত্র বলেন, এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। ব্যক্তিগত কোনও কারণেই ওই মহিলাকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি। থানার আইসি অরুণকুমার খান বলেন, পুলিস এলাকায় গিয়ে তদন্ত করেছে। তবে এই ঘটনায় সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।



