নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রভোট করাতে চায় রাজ্য। কিন্তু কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলিই ভোট করতে নারাজ! মঙ্গলবার হাইকোর্টে এমনই দাবি করলেন রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ছাত্রভোট নিয়ে দায়ের হওয়া মামলায় মঙ্গলবার রাজ্যের এই বক্তব্য শোনার পর রাজ্যজুড়ে প্রায় ৩৬৫টি কলেজ এবং ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়কে মামলায় পক্ষভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে বিচারপতি সুজয় পাল এবং বিচারপতি স্মিতা দাস দে’র ডিভিশন বেঞ্চ। এদিন মামলার শুনানিতে রাজ্যের আইনজীবী কল্যাণ বলেন, ‘ছাত্রভোট করাতে কোথাও বাধা দেয়নি রাজ্য। ভোট করানোর জন্য নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছিল। কিন্তু কলেজগুলিই ভোট করতে উদ্যোগী হয়নি।’ কল্যাণের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য সওয়ালে বলেন, ‘কোন কোন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি এমনটা করছে, সে সম্পর্কে নির্দিষ্ট করে তথ্য দিক রাজ্য।’ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য পাল্টা দাবি করেন, ‘আসলে রাজ্যই ছাত্র সংসদের নির্বাচন বন্ধ রেখেছে। ভোট না-হলে তাদেরই দায়বদ্ধ থাকতে হবে।’ সব পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পর বেঞ্চ সব কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়কে মামলায় পক্ষভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছে। পরবর্তী শুনানি আগামী নভেম্বরে। উল্লেখ্য, এর আগে এই মামলায় আদালতের নির্দেশ ছিল, যেসব কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈধ ছাত্র সংসদ নেই অথবা সম্প্রতি ছাত্র সংসদের নির্বাচন হয়নি, সেখানে ছাত্র সংসদের কক্ষ বা ইউনিয়ন রুম তালাবন্ধ করে রাখতে হবে। কোনও ছাত্র রেজিস্ট্রার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লিখিত অনুমতি ছাড়া ইউনিয়ন রুমে প্রবেশ বা ব্যবহার করতে পারবেন না।



