Bartaman Logo
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সাফাই-নজরদারি, নয়া রোস্টার চালু নিয়ে বিধাননগর পুরসভায় শোরগোল

বিধাননগরে সুজিত বসুকে হারিয়ে বিপুল মার্জিনে জয়ী হয়েছেন বিজেপির ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছেন।

সাফাই-নজরদারি, নয়া রোস্টার  চালু নিয়ে বিধাননগর পুরসভায় শোরগোল
  • ৪ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, বিধাননগর: মূল লক্ষ্য, বাড়ি বাড়ি বর্জ্য সংগ্রহ থেকে শহরের জঞ্জাল সাফাই। সেই ব্যবস্থাকে আরও মসৃণ করতে নজরদারি চালানোর জন্য অফিসারদের রোস্টার চালু করল বিধাননগর পুরসভা। এই মর্মে বুধবার পুরসভার কমিশনার নির্দেশিকা জারি করেছেন। প্রতিটি বরো ধরে সোমবার থেকে রবিবার পর্যন্ত অফিসারদের নাম উল্লেখ করে রোস্টার তৈরি হয়েছে। একাধিক অফিসারের সপ্তাহে তিনদিন ডিউটি রাখা হয়েছে। সূত্রের খবর, এ নিয়ে পুরসভার অন্দরে শুরু হয়েছে শোরগোল। তবে এ নিয়ে প্রকাশ্যে কেউ মুখ খোলেনি।

Advertisement

বিধাননগরে সুজিত বসুকে হারিয়ে বিপুল মার্জিনে জয়ী হয়েছেন বিজেপির ডাঃ শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। তিনি রাজ্যের মন্ত্রী হয়েছেন। বিধাননগরের রাস্তাঘাট, নিকাশি সহ পুরসভার কাজকর্ম নিয়ে তিনি সমন্বয় বৈঠকও করেন পুরসভার সঙ্গে। তৃণমূলের দাবি, মন্ত্রীই পুরসভা ‘কন্ট্রোল’ করছেন। বিজেপির দাবি, পুর পরিষেবা বলে কিছু নেই। একেবারে লাটে তুলে দিয়েছে তৃণমূল। বিধায়ক নিজে উদ্যোগ নিয়ে উন্নয়নের জন্য তৎপর হয়েছেন। প্রসঙ্গত রাস্তা সংস্কার নিয়ে মন্ত্রী মঙ্গলবারই পুরসভার কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা করেন। এই অবস্থায় নয়া রোস্টার ঘিরে শুরু হয়েছে শোরগোল। বিধাননগর পুরসভার জঞ্জাল সাফাই বিভাগের দায়িত্বে রয়েছেন মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী। পালাবদলের পর থেকে তাঁর পাত্তা নেই বলে অভিযোগ বিজেপির। ফলে নিয়মিত জঞ্জাল সাফাই ঠিক মতো হচ্ছে না। তাই জঞ্জাল সাফাইয়ে গতি আনতেই অফিসারদের নামানো হয়েছে। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার এবং স্যানেটরি ইনসপেক্টর পদমর্যাদার অফিসারদের রোস্টারে রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে সমস্ত সিনিয়ার অফিসার এবং এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ারদের সপ্তাহে একদিন ফ্লাইং ভিজিট করতে বলা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ