নয়াদিল্লি: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় অস্বস্তি বাড়ল গান্ধী পরিবারের। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রকাশনা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের (এজেএল) সম্পত্তি দখলের পথে হাঁটতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। শনিবার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই আর্থিক তছরূপ মামলায় এজেএলের প্রায় ৭০০ কোটি টাকার স্থাবর সম্পত্তি তারা ‘অ্যাটাচ’ করেছে। সেই সম্পত্তি এবার তারা দখল নিতে চলেছে। উল্লেখ্য, এজেএলের সঙ্গে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস সাংসদ সোনিয়া গান্ধীর নাম জড়িয়ে রয়েছে। ইডির জারি করা নোটিসে বলা হয়েছে, দিল্লি, মুম্বই, লখনউয়ে এজেএলের যে সব সম্পত্তি রয়েছে সেগুলি দখলের তালিকায় আসবে। এর মধ্যে রাজধানীর বাহাদুর শাহ জাফর মার্গের বিখ্যাত হেরাল্ড হাউসও রয়েছে। ওই সম্পত্তিগুলি খালি করে দিতেও বলা হয়েছে নোটিসে। ২০১২ সালে বিজেপি নেতা সুব্রহ্ম্যণম স্বামী কংগ্রেস নিয়ন্ত্রিত ওই সংস্থার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরূপের অভিযোগ এনেছিলেন। পরবর্তী সময়ে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় ২০২১ সালে তদন্তভার হাতে নেয় ইডি। সোনিয়া, রাহুল সহ একাধিক কংগ্রেস নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল ওঠে। বলা হয়, ন্যাশনাল হেরাল্ডের মালিক সংস্থা ইয়ং ইন্ডিয়ানের আড়ালে এজেএলের ২ হাজার কোটি টাকার সম্পত্তি অত্যন্ত কম দামে অধিগ্রহণ করা হয়েছে। এক সময় ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্র প্রকাশ করত এজেএল। গান্ধী পরিবারের মালিকানাধীন ইয়ং ইন্ডিয়ান অত্যন্ত কম দামে এজেএলের ওই সম্পত্তি অধিগ্রহণ করেছিল। এরফলে আর্থিক তছরুপ ও অনিয়ম হয়েছে বলে অভিযোগ। ইয়ং ইন্ডিয়ানের ৩৮ শতাংশ করে শেয়ার রয়েছে সোনিয়া ও রাহুলের হাতে। ২০২৩ সালে এজেএলের সম্পত্তি অ্যাটাচ করেছিল ইডি। যদিও কংগ্রেস প্রথম থেকেই দাবি করে আসছে, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতেই এই তদন্ত চালানো হচ্ছে। ইডিকে বিজেপির ‘জোটসঙ্গী’ বলেও কটাক্ষ করেছে হাত শিবির।



