সংবাদদাতা, বোলপুর: এবছর শান্তিনিকেতন পৌষমেলায় অনলাইনে স্টল বুকিং হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বভারতী। তবে, ২০১৯সালের মতো এবারও বুকিংয়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে সিকিউরিটি মানি নেওয়ার কথা ভাবছে বিশ্বভারতী। মূলত, পরিবেশ বিধি মানা সহ নির্দিষ্ট সময়ে স্টল ওঠানোর জন্য এমনই পরিকল্পনা করেছে কর্তৃপক্ষ। একটি অভ্যন্তরীণ বৈঠকে এব্যাপারে আলোচনা হলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও বিজ্ঞপ্তি হিসেবে প্রকাশ করেনি কর্তৃপক্ষ। তেমনটা হলে ২০১৯সালের স্টল বুকিংয়ের বকেয়া টাকা ফেরত দেওয়ার দাবিতে সরব হতে পারেন ব্যবসায়ীরা।
Advertisement
আগে পূর্বপল্লির মেলার মাঠে পুরনো রসিদ দেখিয়ে বুকিং করার প্রথা ছিল। তার ভিত্তিতে অনেকেই একাধিক জায়গা নিয়ে চড়া দামে ব্যবসায়ীদের দিত। এরসঙ্গে বিশ্বভারতীর বেশকিছু অসাধু কর্মীও জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ। তার ভিত্তিতে ২০১৯সালে প্রথমবার অনলাইনে স্টল বণ্টন প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে পরিবেশ বিধি মানার জন্য সেবছর সিকিউরিটি মানি জমা রাখার কথা ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। মূলত প্রদর্শনী, হস্তশিল্প ও প্রসাধনীর সামগ্রীর বড় স্টলের জন্য সেবছর সিকিউরিটি ডিপোজিট বাবদ নেওয়া হয়েছিল ১০হাজার টাকা। মিষ্টি, অন্যান্য খাবার ও হোটেলের জন্য সাড়ে সাত হাজার ও মাঝারি ও ছোট স্টল প্রতি পাঁচ হাজার টাকা জমা রেখেছিল কর্তৃপক্ষ। এই টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি ৭৫শতাংশ সিকিউরিটি ডিপোজিটের টাকা ব্যবসায়ীদের ফেরত দেওয়া হয়েছে। বকেয়া টাকা ফেরত পেতে এর আগে একাধিকবার বিক্ষোভও দেখিয়েছিল ব্যবসায়ীরা। যদিও পরবর্তীতে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। গতবছর পূর্বপল্লির মাঠে জেলা প্রশাসন পৌষমেলা আয়োজন করে। সেখানে কোনও সিকিউরিটি মানি নেওয়া হয়নি। তবে এবছর বিশ্বভারতী নিজেদের উদ্যোগে মেলা আয়োজন করতেই ফের সিকিউরিটি মানি জমা নেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে। তবে ২০১৯সালের থেকে অপেক্ষাকৃত কম সিকিউরিটি মানি ধার্য হতে পারে বলে জানান বিশ্বভারতী এক আধিকারিক। তিনি বলেন, ব্যবসায়ীদের আর্থিক বিষয়টির কথা মাথায় রেখে এবছর সর্বোচ্চ বড় স্টলের জন্য তিন হাজার, মাঝারি ও ছোট স্টলের জন্য যথাক্রমে দুই ও এক হাজার টাকা ধার্য করা হয়েছে।



