সংবাদদাতা বোলপুর: জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় বিশ্বভারতী ও শান্তিনিকেতন ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে এবারও ঐতিহ্যবাহী পৌষ উৎসব ও মেলা হবে। ৭পৌষ ব্রহ্ম উপাসনার মধ্য দিয়ে পৌষ উৎসবের সূচনা হবে। ছ’দিনের মেলা ও দোকানপাট গোটানোর জন্য ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। উৎসব ও মেলা সফল করতে সবরকম প্রশাসনিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেবে জেলা ও রাজ্য প্রশাসন। সোমবার, শান্তিনিকেতনের সেন্ট্রাল লাইব্রেরির কনফারেন্স হলে বিশ্বভারতীর সঙ্গে জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই খবরে বোলপুর-শান্তিনিকেতনের বাসিন্দা, হস্তশিল্পী ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে খুশির হওয়া। এবছর পৌষমেলা হবে বলে কর্মী পরিষদের বৈঠকে নিশ্চিত করেছিল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। তবে প্রশাসনিক সহযোগিতার জন্য জেলা ও রাজ্য প্রশাসনের মুখাপেক্ষী ছিল বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্বভারতীর যে কোনও উৎসব বা অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে জেলা প্রশাসন। বরং গতবার বিশ্বভারতীর ঐতিহ্য ধরে রাখতে জেলা প্রশাসনই উদ্যোগ নিয়ে পূর্বপল্লির মাঠেই পৌষমেলা আয়োজন করেছিল। তাই এবছর মন্ত্রী সহ জেলা প্রশাসনের কর্তাদের আমন্ত্রণ জানিয়ে এদিন বৈঠক ডাকে বিশ্বভারতী। বৈঠক শেষে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা বলেন, বিশ্বভারতীকে প্রশাসনিকভাবে সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। জেলা পরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখ বলেন, ঐতিহ্যের সঙ্গে আপস করা হবে না। গতবারের মতো এবারও প্রশাসন সক্রিয় থাকবে। এদিন বৈঠক শেষে বিশ্বভারতীর উপাচার্য ও সভাধিপতি মেলার মাঠ পরিদর্শন করেন। বিশ্বভারতীর কর্মী পরিষদ জানিয়েছে, অনলাইনে স্টল বুক হবে। কবে থেকে বণ্টন প্রক্রিয়া শুরু হবে তা কর্তৃপক্ষ দ্রুত বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানাবে বলে জানিয়েছেন বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক আতিগ ঘোষ।



