নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: স্কুলের পাট চুকেছে সাত বছর আগে। সেই যুবকের অ্যাকাউন্টেই ঢুকল ট্যাব কেনার টাকা। এভাবে একজনের ট্যাবের টাকা অন্যের অ্যাকাউন্টে ঢুকে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছেন স্কুল শিক্ষকরা। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা-২ ব্লকের রামপাড়া হাই স্কুলের এই ঘটনা নিয়ে রীতিমতো চর্চা শুরু হয়েছে। কার ভুলে স্কুলের সাত বছর আগের এক পড়ুয়ার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকল, সেই প্রশ্ন তুলছেন পড়ুয়া ও অভিভাবকরা। স্কুলের ওই প্রাক্তন পড়ুয়াকে টাকা ফেরত দিতে রীতিমতো হুমকি দিচ্ছেন প্রধান শিক্ষক। এমন অভিযোগ ওই প্রাক্তন পড়ুয়া ও তাঁর অভিভাবকের। এই ঘটনায় শোরগোল পড়েছে এলাকায়। এদিকে বিদ্যালয়ের বেশ কিছু পড়ুয়া ট্যাবের টাকা না পেয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে। যদিও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছেন, টাকা ফেরত চেয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রেজিনগরের স্টেশন পাড়ার বাসিন্দা মানিক হাজরা সাত বছর আগে রামপাড়া হাইস্কুলে পড়াশোনা করতেন। পারিবারিক কারণে পরীক্ষা না দিয়েই স্কুল ছেড়ে দেন। হঠাৎই দিন কয়েক আগে তাঁর অ্যাকাউন্টে ট্যাব কেনার জন্য সরকার ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। কোথা থেকে টাকা ঢুকেছে প্রাথমিকভাবে জানতে পারেননি তিনি। এদিকে পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা না থাকায় সেই টাকা অ্যাকাউন্ট থেকে তুলে খরচ করে ফেলেছেন তিনি। এবার সেই টাকা ফেরত পাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। বারবার স্কুলের প্রধান শিক্ষক হুমকি দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করছেন ওই যুবক এবং তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
মানিক বলেন, সাত বছর আগে আমি রামপাড়া হাই স্কুলে পড়তাম। পারিবারিক কারণে স্কুল ছেড়েছি। এখন দেখছি ১০ হাজার টাকা আমার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেছে, ওই ১০ হাজার টাকা আমার নয়, ওটা অন্য এক ছাত্রের। আমি টাকা ফেরত দিয়ে দেব বলেছি। একটু দেরি হচ্ছে বলে আমাকে রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বলা হয়েছে, আমার বাড়িতে পুলিস আসবে। দুই-তিনবার একই রকম বলেছেন। আমি প্রধান শিক্ষককে বলেছি, ভুলবশত হোক বা যে করে হোক, আমার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে যখন আমি টাকা ঠিক ফেরত দিয়ে দেব। আপনি হুমকি দিচ্ছেন কেন?
এই ঘটনায় রীতিমতো উদ্বিগ্ন মানিকের পরিবারের সদস্যরা। মানিকের বাবা অনিল হাজরা বলেন, আমাদের অবস্থা ভালো না। সরকার ভুল করে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। এখন যদি সরকার মনে করে সেটা নিয়ে নেবে, আমরা টাকা দিয়ে দিতে রাজি আছি। ট্যাবের জন্য যে টাকা ঢুকেছে সেটাও তো আমরা জানতাম না। তবে সেই টাকা নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক বাড়ি এসেছেন। তারপর নানারকম ভাবে আমার ছেলেকে হুমকি দিচ্ছেন এবং ভয় দেখাচ্ছেন।
যদিও প্রধান শিক্ষক ধীমান গাইন বলেন, যে প্রাক্তন ছাত্রের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, সেটা ভুল করে ঢুকে যেতে পারে। সে তো এখন আমাদের ছাত্র নয়। আমি তাকে হুমকি দিইনি এবং তার কাছ থেকে টাকাও চাইনি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, রামপাড়া হাইস্কুলে একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির অধিকাংশ পড়ুয়া ট্যাবের টাকা পেয়েছে। মাত্র পাঁচ-ছ’ জন পড়ুয়ার টাকা পেতে বাকি আছে। ডিআই অফিস থেকে বলেছে, যারা টাকা পায়নি তাদের জন্য পরে একটা আবেদন করে দিতে। হয়তো তাদের অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি আপডেট নেই, বা অন্য কোনও সমস্যা থাকতে পারে। তাই ডিআই অফিসকে আবেদন করলে তারা পরে টাকা ঢুকিয়ে দেবে বলেছে।
মানিক বলেন, সাত বছর আগে আমি রামপাড়া হাই স্কুলে পড়তাম। পারিবারিক কারণে স্কুল ছেড়েছি। এখন দেখছি ১০ হাজার টাকা আমার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেছে, ওই ১০ হাজার টাকা আমার নয়, ওটা অন্য এক ছাত্রের। আমি টাকা ফেরত দিয়ে দেব বলেছি। একটু দেরি হচ্ছে বলে আমাকে রীতিমতো হুমকি দেওয়া হচ্ছে। বলা হয়েছে, আমার বাড়িতে পুলিস আসবে। দুই-তিনবার একই রকম বলেছেন। আমি প্রধান শিক্ষককে বলেছি, ভুলবশত হোক বা যে করে হোক, আমার অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে যখন আমি টাকা ঠিক ফেরত দিয়ে দেব। আপনি হুমকি দিচ্ছেন কেন?
এই ঘটনায় রীতিমতো উদ্বিগ্ন মানিকের পরিবারের সদস্যরা। মানিকের বাবা অনিল হাজরা বলেন, আমাদের অবস্থা ভালো না। সরকার ভুল করে ১০ হাজার টাকা পাঠিয়েছে। এখন যদি সরকার মনে করে সেটা নিয়ে নেবে, আমরা টাকা দিয়ে দিতে রাজি আছি। ট্যাবের জন্য যে টাকা ঢুকেছে সেটাও তো আমরা জানতাম না। তবে সেই টাকা নেওয়ার জন্য প্রধান শিক্ষক বাড়ি এসেছেন। তারপর নানারকম ভাবে আমার ছেলেকে হুমকি দিচ্ছেন এবং ভয় দেখাচ্ছেন।
যদিও প্রধান শিক্ষক ধীমান গাইন বলেন, যে প্রাক্তন ছাত্রের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে, সেটা ভুল করে ঢুকে যেতে পারে। সে তো এখন আমাদের ছাত্র নয়। আমি তাকে হুমকি দিইনি এবং তার কাছ থেকে টাকাও চাইনি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি আরও বলেন, রামপাড়া হাইস্কুলে একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির অধিকাংশ পড়ুয়া ট্যাবের টাকা পেয়েছে। মাত্র পাঁচ-ছ’ জন পড়ুয়ার টাকা পেতে বাকি আছে। ডিআই অফিস থেকে বলেছে, যারা টাকা পায়নি তাদের জন্য পরে একটা আবেদন করে দিতে। হয়তো তাদের অ্যাকাউন্টের কেওয়াইসি আপডেট নেই, বা অন্য কোনও সমস্যা থাকতে পারে। তাই ডিআই অফিসকে আবেদন করলে তারা পরে টাকা ঢুকিয়ে দেবে বলেছে।



