ওয়াশিংটন: দ্বিতীয়বার মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদে বসেই সরকারি কর্মী ছাঁটাইয়ের পথে হাঁটতে চলেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ‘ছাঁটাই’ শব্দটি ব্যবহার করেননি তিনি। কৌশলী বার্তায় জানিয়েছেন, সরকারি কাজকর্মের পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তন হবে। এবার থেকে সকলকে অফিসে এসে কাজ করতে হবে। এর সঙ্গে যুক্ত হবে আরও বেশ কিছু নিয়ম। সেই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যাঁরা তাল মেলাতে চান না, তাঁদের ‘বাইআউটে’র প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। অর্থাৎ, চাকরি ছাড়ার পরিবর্তে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে বেশ আটমাসের বেতন ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপে বেজায় চটেছে সরকারি কর্মীদের সংগঠন। মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্প সরকারি দপ্তরগুলিকে বিষিয়ে দিতে চাইছেন, যাতে চাইলেও কেউ কাজ করতে না পারেন। এদিন মার্কিন কর্মী ব্যবস্থাপনা দপ্তর একটি নির্দেশিকা জারি করেছে। তাতে বলা হয়েছে, ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইস্তফা দিতে হবে। একমাত্র তাহলেই সংশ্লিষ্ট কর্মী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সমস্ত সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এসংক্রান্ত একটি মেল সমস্ত সরকারি কর্মীদের পাঠানো হয়েছে। পদত্যাগ করতে চাইলে তার জবাবে ‘রিজাইন’ লিখলেই হবে। ওই মেলে বলা হয়েছে, সামরিক সহ বেশ কয়েকটি সরকারি সংস্থায় কর্মীর সংখ্যা বৃদ্ধি করা হবে। তবে সিংহভাগ দপ্তরেই কর্মী সঙ্কোচনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এমনকী, বিভিন্ন সরকারি দপ্তর থেকে আয় বাড়ানোরও কথা উল্লেখ রয়েছে ওই মেলে। ট্রাম্প ক্ষমতায় এসেই সরকারি কর্মীদের ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে। সাত ফেব্রুয়ারি মধ্যে সকলকে অফিসে ফেরার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন তিনি। তারপরই ছাঁটাইয়ের নয়া নোটিসে তৈরি হয়েছে তুমুল বিতর্ক। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি দপ্তরের দায়িত্ব পেয়েছে এলন মাস্ক। তিনিই ওয়ার্ক ফ্রম হোম বন্ধে বিশেষ জোর দেন। এমনকী ছাঁটাইয়ের নয়া সিদ্ধান্তের নেপথ্যেও তাঁর হাত রয়েছে বলে খবর।



