Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

এবার রাজ্য পুলিসের পদোন্নতি  সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ অনলাইনে

এবার রাজ্য পুলিসের পদোন্নতি  সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ অনলাইনে
  • ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: রাজ্য পুলিসের কনস্টেবল, এএসআই, এসআইয়ের মতো বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিসকর্মীদের পদোন্নতি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ পর্বের খোলনলচে বদলে যাচ্ছে। সম্প্রতি রাজ্য পুলিসের শীর্ষস্তরে দীর্ঘ আলোচনার ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বারাকপুরে আবাসিক প্রশিক্ষণের জায়গায় এবার অনলাইন প্রশিক্ষণে জোর দিচ্ছে রাজ্য পুলিস। মূলত, রাজ্য পুলিসের ডিজি রাজীব কুমারের নির্দেশেই এই আধুনিক ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। আগামী ব্যাচ থেকেই নয়া ব্যবস্থা চালু হবে। ভবানী ভবনের এক বিশেষ সূত্রে একথা জানা গিয়েছে।
Advertisement
বর্তমানে রাজ্য পুলিসে কনস্টেবল থেকে এএসআই পদে প্রশিক্ষণের সময়ে একজন পুলিসকর্মীকে একটানা ৫৬ দিন, প্রায় দু’মাস বারাকপুরে পুলিস ট্রেনিং স্কুলে থেকে প্রশিক্ষণ নিতে হতো। পাশাপাশি, এএসআই থেকে এসআই এবং এসআই থেকে ইনসপেক্টর পদে প্রোমোশনের ক্ষেত্রেও রাজ্য পুলিসের একজন কর্মীকে ৩০ দিন বারাকপুরে পুলিস ট্রেনিং স্কুলে থাকতে হতো প্রশিক্ষণের জন্য। রাজ্য পুলিসের এই আবাসিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাই এবার আমূল বদলে যাচ্ছে। এখন থেকে  কনস্টেবল, এএসআই, এসআই— সমস্ত  র‌্যাঙ্কের ক্ষেত্রেই প্রথমে তিন সপ্তাহ অনলাইনে ট্রেনিং দেওয়া হবে। অনলাইন ট্রেনিং শেষে মাত্র সাতদিন একজন পুলিসকর্মীকে আবাসিক প্রশিক্ষণের জন্য বারাকপুরে পুলিস ট্রেনিং স্কুলে থাকতে হবে। 
এই নয়া প্রশিক্ষণ নীতি জানার পর থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে রাজ্য পুলিসের অন্দরে। কারণ, প্রথাগত আবাসিক ট্রেনিংয়ের বদলে অনলাইনে আদৌও কতটা শিখবেন নিচুতলার পুলিসকর্মীরা, তা নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে একদল পুলিসকর্তার মধ্যে। কারণ, তিন মাসের অনলাইন ট্রেনিং পর্বে একজন পুলিসকর্মী নিয়ম করে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন কি না, তা জানার উপায় নেই। অন্যদিকে, আধুনিকমনস্ক পুলিসকর্তারদের একাংশের কথায়, করোনার পর থেকে প্রশাসনের প্রায় সর্বস্তরে ওয়েবিনার, অনলাইন ট্রেনিং চালু হয়েছে। তবে পুলিস কেন পিছিয়ে থাকবে? 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভবানী ভবনের এক সূত্রের কথায়, কনস্টেবল হোক বা এএসআই— বারাকপুরে ট্রেনিংয়ে যোগ দিতে হলে, রাজ্যের প্রত্যন্ত জেলার থানা-ফাঁড়ি ফাঁকা করে কার্যত ঝেঁটিয়ে পুলিসকর্মীদের বারাকপুরে তুলে আনতে হয়। এর ফলে থানা, ফাঁড়ির রোজকার কাজের পাশাপাশি আইন শৃঙ্খলা রক্ষার কাজ ব্যাহত হয়। তাই এই সাবেক ব্যবস্থার বদল দরকার।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ