সংবাদদাতা, পতিরাম: এবার পুজোয় হিরের টিপ পরবেন বোল্লাকালী মা। বালুরঘাট শহরের এক ব্যবসায়ী ওই হিরের টিপ প্রদান করছেন। বছর দু’য়েক থেকেই মায়ের হাতের আংটি ও টিকলিতে হিরে শোভা পাচ্ছে। এবার পুজোতে মায়ের কপালে হিরের টিপও দেখতে পাওয়া যাবে। শুধু হিরের টিপ নয়, নতুন করে সোনার জিহ্বাও প্রদান করা হবে বোল্লাকালী মাকে। এছাড়াও সোনা ও রূপোর মুণ্ডমালা, পায়ের তোড়া এবার মাকে নতুন করে পরানো হবে। প্রতি বছরই বোল্লা মাকে নতুন করে নানা গয়না পরানো হয়। দূরদূরান্ত থেকে ভক্তরা এসে এই গয়নাগুলি প্রদান করেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না বলে মনে করছে পুজো কমিটি। ইতিমধ্যেই পুজোর প্রস্তুতি একেবারে তুঙ্গে। বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না রক্ষায় পুলিসের তরফেও কড়া নজরদারি থাকবে। এবিষয়ে বোল্লা রক্ষা কালীপুজো কমিটির এক সদস্য স্বর্ণেন্দু মণ্ডল বলেন, প্রতি বছর ১০-১২ কেজি সোনার গয়না দিয়ে মাকে সাজানো হয়। বহু মানুষ বছর বছর নানা গয়না দান করেন। এবার মাকে এক ব্যবসায়ী হিরের টিপ প্রদান করবেন। এছাড়াও আরও কয়েকজন বেশকিছু নতুন নতুন গয়না প্রদান করবেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ব্যবসায়ী বলেন, প্রতি বছর মাকে সোনার কিছু না কিছু গয়না প্রদান করি। অনেকদিন ধরেই ইচ্ছে ছিল মাকে নতুন কিছু দেওয়ার। এবার তাই সোনার মধ্যে হিরে বসানো একটি টিপ দিয়েছি। পুজো কমিটি জানিয়েছে, প্রতি বছর নানা ধরনের গয়না ও সরঞ্জামে মায়ের মূর্তি সাজিয়ে তোলা হয়। সোনার বড় গয়নাগুলির মধ্যে অন্যতম মায়ের গলার হার, কোমরবিছা, কানের, নাকের, হাতের গয়না, সোনার খড়্গ সহ আরও অনেক কিছু। প্রতি বছর ৬০০-৭০০ গ্রাম সোনা ও প্রায় দুই কেজি রূপো জমা হয়। বহু দূরদূরান্ত থেকে মানুষ এসে ওই সোনা ও রূপো দান করে যান। ২২ নভেম্বর রাতে মায়ের পুজো। তার আগেই ব্যাঙ্কের লকার থেকে গয়না নিয়ে আসা হয়। এরপর পুজোর দিন কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় মাকে গয়না পরানো হয়। সেজন্য এবারও বিশেষ বন্দোবস্ত করতে চলেছে পতিরাম থানার পুলিস। বালুরঘাট সদর ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) বিক্রম প্রসাদ বলেন, পুজোতে এবারও পুলিসের কড়া নজরদারি থাকবে।



