সংবাদদাতা, করিমপুর: করিমপুর জগন্নাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় করিমপুর বইমেলা। এবছর স্কুল কর্তৃপক্ষ অনুমতি না দেওয়ায় অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ২৩ তম করিমপুর বইমেলা। মেলা আদৌ কোথায় হবে তা নিয়ে চিন্তায় বইমেলা কমিটির সদস্য ও এলাকার বাসিন্দারা।
Advertisement
জানা গিয়েছে, ২২ বছর আগে করিমপুর জগন্নাথ স্কুল চত্বরে শুরু হয়েছিল এই বইমেলার। চার বছর সেখানে হওয়ার পর মেলার বিস্তার বৃদ্ধি পায় এবং সেই মেলা পঞ্চম বছর থেকে করিমপুর ক্লাবের পিছনে জগন্নাথ স্কুলের খেলার মাঠে হয়ে আসছে। সেখানেই প্রায় সতেরো বছর ধরে মেলা হয়ে আসছে। গত বছরও ওই মাঠেই মেলা হয়েছিল।
সাত দিনের এই বইমেলায় প্রায় ৬০টি স্টল থাকে। কলকাতা ও বিভিন্ন জেলা থেকে বই নিয়ে হাজির হন ব্যবসায়ীরা। মেলার মূল মঞ্চে প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এলাকার ছেলে মেয়েরা ওই অনুষ্ঠানে নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটক কিংবা ক্যুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বইমেলা কমিটির সম্পাদক সন্দীপ ঘোষ বলেন, করিমপুর বইমেলা এলাকার মানুষের একটা আবেগ। বইপ্রেমী মানুষ ছাড়াও সব শ্রেণির মানুষ এবং স্কুলপড়ুয়ারা প্রতিদিন এই মেলায় ভিড় করে। বই কেনার সঙ্গে সঙ্গে তারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করে। সাতদিন সবাই এই মেলার টানে এক জায়গায় জড়ো হয়।
ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা ও স্কুলের খেলাধূলার কথা মাথায় রেখে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মেলা শুরুর চিন্তা রয়েছে। দিন চারেক আগেই বইমেলা কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। সোমবার মাঠের অনুমতি নেওয়ার জন্য জগন্নাথ স্কুলে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ এবার আচমকা মাঠে মেলা করার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন বিকল্প কোন মাঠে মেলা হবে তা নিয়ে সকলেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
এব্যাপারে জগন্নাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রজত সরকার জানান, আগামী ২০২৫ এ স্কুলের ৭৫ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে মাঠটি সংস্কারের ভীষণ প্রয়োজন। সেই কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পরিচালন কমিটি মনে করছে মাঠটি খেলার উপযোগী করে তোলা দরকার। তাই ছাত্রছাত্রীদের খেলাধূলা ছাড়াও ওই মাঠ অন্য কাউকে দেওয়া যাবে না বলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ২০১৮ সালে এই মর্মে শিক্ষা দপ্তরের একটি নির্দেশও চালু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আর পাঁচটা পুজো পার্বণের মতো করিমপুর বই মেলাও একটি উৎসব। বাচ্চাদের অভিভাবকরা কদিন তাঁদের ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন। বইপ্রেমী মানুষজন বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে পছন্দের বই কেনেন। শীতের সন্ধ্যায় বন্ধুদের আড্ডাও জমে ওঠে বই মেলায়। কিন্তু এবছর বইমেলা হবে কিনা তা নিয়ে সকলেই উদ্বিগ্ন রয়েছেন।
সাত দিনের এই বইমেলায় প্রায় ৬০টি স্টল থাকে। কলকাতা ও বিভিন্ন জেলা থেকে বই নিয়ে হাজির হন ব্যবসায়ীরা। মেলার মূল মঞ্চে প্রতিদিন দুপুর থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এলাকার ছেলে মেয়েরা ওই অনুষ্ঠানে নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটক কিংবা ক্যুইজ প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়। বইমেলা কমিটির সম্পাদক সন্দীপ ঘোষ বলেন, করিমপুর বইমেলা এলাকার মানুষের একটা আবেগ। বইপ্রেমী মানুষ ছাড়াও সব শ্রেণির মানুষ এবং স্কুলপড়ুয়ারা প্রতিদিন এই মেলায় ভিড় করে। বই কেনার সঙ্গে সঙ্গে তারা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করে। সাতদিন সবাই এই মেলার টানে এক জায়গায় জড়ো হয়।
ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষা ও স্কুলের খেলাধূলার কথা মাথায় রেখে আগামী বছরের জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকে মেলা শুরুর চিন্তা রয়েছে। দিন চারেক আগেই বইমেলা কমিটির সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। সোমবার মাঠের অনুমতি নেওয়ার জন্য জগন্নাথ স্কুলে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষ এবার আচমকা মাঠে মেলা করার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এখন বিকল্প কোন মাঠে মেলা হবে তা নিয়ে সকলেই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন।
এব্যাপারে জগন্নাথ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রজত সরকার জানান, আগামী ২০২৫ এ স্কুলের ৭৫ বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে মাঠটি সংস্কারের ভীষণ প্রয়োজন। সেই কারণে স্কুল কর্তৃপক্ষ ও পরিচালন কমিটি মনে করছে মাঠটি খেলার উপযোগী করে তোলা দরকার। তাই ছাত্রছাত্রীদের খেলাধূলা ছাড়াও ওই মাঠ অন্য কাউকে দেওয়া যাবে না বলেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও ২০১৮ সালে এই মর্মে শিক্ষা দপ্তরের একটি নির্দেশও চালু করেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আর পাঁচটা পুজো পার্বণের মতো করিমপুর বই মেলাও একটি উৎসব। বাচ্চাদের অভিভাবকরা কদিন তাঁদের ছেলে মেয়েদের নিয়ে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকেন। বইপ্রেমী মানুষজন বিভিন্ন স্টল ঘুরে ঘুরে পছন্দের বই কেনেন। শীতের সন্ধ্যায় বন্ধুদের আড্ডাও জমে ওঠে বই মেলায়। কিন্তু এবছর বইমেলা হবে কিনা তা নিয়ে সকলেই উদ্বিগ্ন রয়েছেন।
গত বছরের করিমপুর বইমেলা। -ফাইল চিত্র



