নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: এবার দার্জিলিং জেলার পাহাড় ও সমতলে গড়া হবে ৩৯টি পোলট্রি ফার্ম। প্রশাসন সূত্রের খবর, ফার্মগুলি গড়তে পাহাড় ও সমতলে ৩৯টি মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মধ্যে বিলি করা হবে ৯৭৫০টি মুরগির ছানা। এজন্য বরাদ্দ হয়েছে ২৭ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ টাকা। ডিম ও মাংসের চাহিদা মেটানো, মহিলাদের স্বনির্ভর করা ও গ্রামীণ অর্থনীতি আরও চাঙ্গা করতেই এই উদ্যোগ। সবলা মেলায় এই প্রকল্পের সূচনা করা হয়েছে।
Advertisement
অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায় বলেন, স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি বিভাগ এবং প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর যৌথভাবে এই প্রকল্প রূপায়ণ করছে। এজন্য মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠী চিহ্নিত করা হয়েছে। ফার্ম গড়তে বিনামূল্যে গোষ্ঠীগুলির মধ্যে মুরগির ছানা বিলি করা হচ্ছে।
রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো দার্জিলিং জেলার পাহাড় ও সমতলভাগ শিলিগুড়িতে ডিম ও মাংসের চাহিদা ক্রমবর্ধমান। এজন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে ডিম আমদানি করতে হয়। এমন প্রেক্ষাপটে জেলার পাহাড় ও সমতলে নতুন করে ৩৯টি পোলট্রি ফার্ম তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ফার্মগুলি গড়ার জন্য রোড আইল্যান্ড রেড প্রজাতির মুরগির ছানা সংগ্রহ করেছে প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর। সেগুলির বয়স ২৮ দিন। প্রতিটি গোষ্ঠীকে ২৫০টি করে মুরগির ছানা প্রদান করা হবে। এজন্য গোষ্ঠীগুলিকে ফার্মও তৈরি করে দেওয়া হবে। ফার্ম বা ইউনিটগুলি তৈরি করে দেওয়া হবে। ইউনিট প্রতি খরচ হবে ৭০ হাজার ২৫০ টাকা করে। অর্থাৎ ৩৯টি ইউনিট গড়তে ব্যয় হবে ২৭ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ টাকা।
প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ইউনিটগুলি গড়তে অর্থ সহায়তা করবে স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি বিভাগ। আর মহিলা গোষ্ঠীগুলিকে মুরগির ছানা দেবে প্রাণিসম্পদ ও বিকাশ দপ্তর। ছানাগুলির খাবার, ওষুধও প্রদান করা হবে। এজন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে গ্রামীণ এলাকায় পোলট্রি ফার্ম গড়তে স্বনির্ভর গোষ্ঠী চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, জেলার সমতলভাগ শিলিগুড়ি মহকুমার চারটি ব্লকে গড়া হবে ১৭টি ইউনিট। যারমধ্যে ফাঁসিদেওয়ায় ছ’টি, নকশালবাড়িতে পাঁচটি, খাড়িবাড়িতে চারটি এবং মাটিগাড়ায় দু’টি ইউনিট হবে। এর বাইরে বাকি ২২টি ইউনিট হবে পাহাড়ে। যারমধ্যে দার্জিলিং পুলবাজারে ও জোড়বাংলো সুখিয়াপোখরি ব্লকে ছ’টি করে, কার্শিয়াংয়ে পাঁচটি, রংলিরংলিয়টে তিনটি ও মিরিকে দু’টি ইউনিট তৈরি হবে।
প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তরের শিলিগুড়ির ডেপুটি ডিরেক্টার তুফানকান্তি পান বলেন, রাজ্য সরকারের নির্দেশ মতো গোষ্ঠীগুলির মধ্যে মুরগির ছানা বিলি করার হচ্ছে। এজন্য গোষ্ঠীগুলির মহিলাদের মুরগি পালনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অতিরিক্ত জেলাশাসক (উন্নয়ন) বলেন, প্রকল্পটির মাধ্যমে গ্রামীণ মহিলাদের জীবনজীবীকাও নির্বাহ হবে। অর্থাৎ মুরগির ডিম ও মাংস বিক্রি করে মহিলারা সংসার চালাতে পারবেন। এতে ডিম ও মাংসের জোগান বাড়বে।রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের মতো দার্জিলিং জেলার পাহাড় ও সমতলভাগ শিলিগুড়িতে ডিম ও মাংসের চাহিদা ক্রমবর্ধমান। এজন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে ডিম আমদানি করতে হয়। এমন প্রেক্ষাপটে জেলার পাহাড় ও সমতলে নতুন করে ৩৯টি পোলট্রি ফার্ম তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, ফার্মগুলি গড়ার জন্য রোড আইল্যান্ড রেড প্রজাতির মুরগির ছানা সংগ্রহ করেছে প্রাণিসম্পদ বিকাশ দপ্তর। সেগুলির বয়স ২৮ দিন। প্রতিটি গোষ্ঠীকে ২৫০টি করে মুরগির ছানা প্রদান করা হবে। এজন্য গোষ্ঠীগুলিকে ফার্মও তৈরি করে দেওয়া হবে। ফার্ম বা ইউনিটগুলি তৈরি করে দেওয়া হবে। ইউনিট প্রতি খরচ হবে ৭০ হাজার ২৫০ টাকা করে। অর্থাৎ ৩৯টি ইউনিট গড়তে ব্যয় হবে ২৭ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৫০ টাকা।
প্রশাসনের এক কর্তা বলেন, ইউনিটগুলি গড়তে অর্থ সহায়তা করবে স্বনির্ভর গোষ্ঠী ও স্বনিযুক্তি বিভাগ। আর মহিলা গোষ্ঠীগুলিকে মুরগির ছানা দেবে প্রাণিসম্পদ ও বিকাশ দপ্তর। ছানাগুলির খাবার, ওষুধও প্রদান করা হবে। এজন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হবে।
ইতিমধ্যে গ্রামীণ এলাকায় পোলট্রি ফার্ম গড়তে স্বনির্ভর গোষ্ঠী চিহ্নিত করা হয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, জেলার সমতলভাগ শিলিগুড়ি মহকুমার চারটি ব্লকে গড়া হবে ১৭টি ইউনিট। যারমধ্যে ফাঁসিদেওয়ায় ছ’টি, নকশালবাড়িতে পাঁচটি, খাড়িবাড়িতে চারটি এবং মাটিগাড়ায় দু’টি ইউনিট হবে। এর বাইরে বাকি ২২টি ইউনিট হবে পাহাড়ে। যারমধ্যে দার্জিলিং পুলবাজারে ও জোড়বাংলো সুখিয়াপোখরি ব্লকে ছ’টি করে, কার্শিয়াংয়ে পাঁচটি, রংলিরংলিয়টে তিনটি ও মিরিকে দু’টি ইউনিট তৈরি হবে।



