নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: মেডিক্যাল কলেজে দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষায় টুকলি রুখতে রাজ্যের নির্দেশে যাবতীয় পদক্ষেপ করেছে কর্তৃপক্ষ। পরীক্ষা হলের লাইভ স্ট্রিমিং চলছে। এরপরেও কোচবিহারের এমজেএন মেডিক্যাল কলেজে অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটায় পরীক্ষার্থীর খাতা বদলে দেওয়া, পরীক্ষা বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে মেডিক্যাল কলেজ। কর্তৃপক্ষ অতিসক্রিয় হতেই সম্প্রতি পুরুষ শৌচাগার ভাঙচুর করা হয়েছে। এবার মহিলা শৌচাগার ভাঙচুরের বিষয়টি সমানে এল। যা নিয়ে ‘হবু ডাক্তার’-দের ভূমিকায় চর্চা চলছে বিভিন্ন মহলে।
Advertisement
মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষের দাবি, শৌচাগারের ভিতরে সিসি ক্যামেরা না থাকায় নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না কারা এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তবে পুরুষ শৌচালায় ভাঙচুরের ঘটনায় কর্তৃপক্ষ তিনজনকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করেছে যাদের ছবি কলেজের নির্দিষ্ট সিসি ক্যামেরার ফুটেজে বন্দি হয়েছে। এদের একজন লাল জ্যাকেট ও মাফলার পরা, দ্বিতীয়জন কালো জ্যাকেট পরা আর তৃতীয়জনের চুল উস্কোখুস্কো ছিল। তবে তারাই যে প্রকৃত অপরাধী তা অবশ্য নিশ্চিত নয়। যদিও তাদের ছবি দিয়ে পুলিসের কাছে একটি অভিযোগ মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ করেছে। মহিলা শৌচাগার ভাঙচুরের ক্ষেত্রেও এমন ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে মেডিক্যাল সূত্রে জানা গিয়েছে। সরকারি সম্পত্তি নষ্ট করা কোনওভাবেই মানা যায় না, জানিয়েছেন কলেজের এক অধ্যাপক চিকিৎসক।
এমজেনএন মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল বলেন, এর আগে পুরুষ শৌচাগারে ভাঙচুর করা হয়েছিল। শুক্রবার মহিলা শৌচাগারে ভাঙচুর হয়েছে। পুরুষ শৌচাগার ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিসকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এদিনের ঘটনার ক্ষেত্রেও আমরা পুলিসকে জানাব। তবে এদিন কারও পরীক্ষার খাতা বাতিল কিংবা পরিবর্তন করা হয়নি।
এমজেনএন মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ নির্মলকুমার মণ্ডল বলেন, এর আগে পুরুষ শৌচাগারে ভাঙচুর করা হয়েছিল। শুক্রবার মহিলা শৌচাগারে ভাঙচুর হয়েছে। পুরুষ শৌচাগার ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিসকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। এদিনের ঘটনার ক্ষেত্রেও আমরা পুলিসকে জানাব। তবে এদিন কারও পরীক্ষার খাতা বাতিল কিংবা পরিবর্তন করা হয়নি।



