নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: ক্রীড়া ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য পূর্বাঞ্চলে সাই-এর দু’টি সেন্টার উন্নীত হচ্ছে মডেল সেন্টারে। একটি এ রাজ্যের জলপাইগুড়ি, অন্যটি ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রকের তরফে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরেই কাজ শুরু হয়ে যাবে বলে জানিয়েছেন সাই-এর জলপাইগুড়ি সেন্টারের ইনচার্জ ওয়াসিম আহমেদ।
Advertisement
খেলাধুলোর প্রসার ঘটাতে রেসিডেন্সিয়াল ও নন রেসিডেন্সিয়াল প্রকল্পের পাশাপাশি জলপাইগুড়ি সাই-এ চালু করা হয়েছে কমন প্লে স্কিম। এতে যেকোনও ছেলেমেয়ে বাড়ি থেকে সাই-এর সেন্টারে এসে ক্রীড়া প্রশিক্ষণ নিতে পারবে। প্রশিক্ষণ শেষে তারা ফিরে যেতে পারবে বাড়িতে।
স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (সাই) জলপাইগুড়ি সেন্টারে টেবিল টেনিস, ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, তিরন্দাজি ও জিমন্যাস্টিকের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। সাই-এর জলপাইগুড়ি সেন্টারে রেসিডেন্সিয়াল স্কিমে ১১৭ জন ছেলেমেয়েকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকাঠামো থাকলেও, বর্তমানে রয়েছে ৯৩ জন। কিছুদিন আগেই ট্রায়ালের মাধ্যমে কিছু ছেলেমেয়ে নেওয়া হয়েছে। ফের ট্রায়াল হবে।
সাই-এর জলপাইগুড়ি সেন্টারের টেবিল টেনিস কোচ রবি কানোড়িয়া বলেন, আমাদের এখানে খেলাধুলোর পরিকাঠামো খুবই ভালো। পর্যাপ্ত কোচ রয়েছে। স্থানীয় ছেলেমেয়েদের উদ্দেশে আমাদের আহ্বান, তারা আসুক। খেলাধুলোর মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তুলুক।
স্পোর্টস অথরিটি অব ইন্ডিয়ার (সাই) জলপাইগুড়ি সেন্টারে টেবিল টেনিস, ফুটবল, অ্যাথলেটিক্স, তিরন্দাজি ও জিমন্যাস্টিকের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রয়েছে। সাই-এর জলপাইগুড়ি সেন্টারে রেসিডেন্সিয়াল স্কিমে ১১৭ জন ছেলেমেয়েকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকাঠামো থাকলেও, বর্তমানে রয়েছে ৯৩ জন। কিছুদিন আগেই ট্রায়ালের মাধ্যমে কিছু ছেলেমেয়ে নেওয়া হয়েছে। ফের ট্রায়াল হবে।
সাই-এর জলপাইগুড়ি সেন্টারের টেবিল টেনিস কোচ রবি কানোড়িয়া বলেন, আমাদের এখানে খেলাধুলোর পরিকাঠামো খুবই ভালো। পর্যাপ্ত কোচ রয়েছে। স্থানীয় ছেলেমেয়েদের উদ্দেশে আমাদের আহ্বান, তারা আসুক। খেলাধুলোর মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তুলুক।



