নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আরামবাগের বলরামপুরে সৃজনী সঙ্ঘের সরস্বতী পুজোর থিম ‘সহজপাঠ’। আরামবাগ থেকে চাঁপাডাঙা রাজ্য সড়কের ধারেই পড়বে বলরামপুর। সেখানকার মনসাতলায় বাগদেবীর আরাধনায় সুদৃশ্য প্যান্ডেল তৈরি করেছে সৃজনী সঙ্ঘ। সকাল থেকে প্রতিমা দর্শনে ভিড় জমাচ্ছেন আট থেকে আশি। ক্লাবের প্রায় ২০ জন সদস্য ২০০৮ সাল থেকে এখানে সরস্বতী পুজো করে আসছেন।
Advertisement
ক্লাবের সভাপতি দেবকুমার ঘোষ বলেন, বাংলা ভাষার প্রতি যাতে নতুন প্রজন্মের সমাদর বাড়ে সেই লক্ষ্যেই আমাদের পুজোর থিম করা হয়েছে রবীন্দ্রনাথের সহজপাঠ। ছোট বেলায় আমরা প্রাথমিকস্তরে সহজপাঠ পড়েছি। সেই সহজ পাঠকেই আরও একবার মনে করিয়ে দিতে থিমের মাধ্যমে তা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এজন্য পুজো মণ্ডপে উঠে এসেছে বর্ণমালার অক্ষরগুলিও। পুজো মণ্ডপের সামনে পুষ্প প্রদর্শনীও করা হয়।
ক্লাবের সম্পাদক পবিত্র ঘোষ বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে সঙ্ঘের সদস্যরা নিজেদের হাতেই পুজো মণ্ডপ তৈরি করেছে। কয়েকটা দিন আনন্দে বাগদেবীর আরাধনার সঙ্গে ক্লাবের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও যুক্ত থাকছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা আমাদের পাথেয়।
পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, সোমবার সরস্বতী পুজো হয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে। আগামিকাল, বুধবার স্থানীয় পুকুরেই দেবীর বিসর্জন দেওয়া হবে। বিসর্জন শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের খিচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ক্লাবের এক সদস্য মনোজ ঘোষ বলেন, প্রায় ৫০ হাজার টাকা বাজেট রেখে আমরা সরস্বতী পুজো করছি। কাপড়, থার্মোকল দিয়ে আমরা পুজো মণ্ডপ করেছি। তারসঙ্গে প্রতিমা সাবেকি। এদিন অনেকেই দেবীর কাছে পুষ্পাঞ্জলি দিয়েছেন।
ক্লাবের সদস্যরা বলেন, পুজো মণ্ডপ তৈরি থেকেই এলাকায় সবার মধ্যেই ব্যস্ততা ছিল। এলাকার বাসিন্দাদের কাছে আমাদের প্রতিমা নজর কেড়েছে। ইতিমধ্যেই বলরামপুর ছাড়াও অন্যান্য এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা মণ্ডপ ও প্রতিমা দর্শনে আসছেন।
ক্লাবের সম্পাদক পবিত্র ঘোষ বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে সঙ্ঘের সদস্যরা নিজেদের হাতেই পুজো মণ্ডপ তৈরি করেছে। কয়েকটা দিন আনন্দে বাগদেবীর আরাধনার সঙ্গে ক্লাবের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও যুক্ত থাকছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতা আমাদের পাথেয়।
পুজো উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, সোমবার সরস্বতী পুজো হয়েছে নিষ্ঠার সঙ্গে। আগামিকাল, বুধবার স্থানীয় পুকুরেই দেবীর বিসর্জন দেওয়া হবে। বিসর্জন শেষে স্থানীয় বাসিন্দাদের খিচুড়ি প্রসাদ খাওয়ানোর ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
ক্লাবের এক সদস্য মনোজ ঘোষ বলেন, প্রায় ৫০ হাজার টাকা বাজেট রেখে আমরা সরস্বতী পুজো করছি। কাপড়, থার্মোকল দিয়ে আমরা পুজো মণ্ডপ করেছি। তারসঙ্গে প্রতিমা সাবেকি। এদিন অনেকেই দেবীর কাছে পুষ্পাঞ্জলি দিয়েছেন।
ক্লাবের সদস্যরা বলেন, পুজো মণ্ডপ তৈরি থেকেই এলাকায় সবার মধ্যেই ব্যস্ততা ছিল। এলাকার বাসিন্দাদের কাছে আমাদের প্রতিমা নজর কেড়েছে। ইতিমধ্যেই বলরামপুর ছাড়াও অন্যান্য এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা মণ্ডপ ও প্রতিমা দর্শনে আসছেন।



