সংবাদদাতা, কান্দি: এবার কান্দি মহকুমা হাসপাতালে ৩৬ ধরনের রক্ত পরীক্ষা করা যাবে। এমনকি একসঙ্গে ৬০টি স্যাম্পল নিয়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে রক্ত পরীক্ষা করবে একটি অ্যানালাইজার মেশিন। সম্প্রতি ওই মেশিনটি হাসপাতালে আসার পরেই সোমবার থেকে এর ট্রায়াল শুরু করা হয়েছে। ফলে সরকারি হাসপাতালে রক্ত পরীক্ষা করে রোগীর যেমন অর্থ বাঁচবে। তেমনি বাইরের ল্যাবরেটরিগুলিতে রক্ত পরীক্ষা করার জন্য দালালদের হাত থেকেও রেহাই পাবেন তাঁরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে এনিয়ে খুশি নেমে এসেছে।
Advertisement
মহকুমার একমাত্র এই ভরসাযোগ্য সরকারি হাসপাতাল এটি। প্রতিদিন এখানকার আউটডোরে প্রায় দুই হাজার রোগী চিকিৎসা করতে আসেন। এছাড়াও ইনডোর বিভাগেও সবসময় রোগীর ভিড় জমে থাকে। আবার হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ৬০টিরও বেশি চিকিৎসকদের চেম্বার রয়েছে। সেখানেও প্রতিদিন রোগীর ভিড় জমে থাকে। আর রোগীদের রক্ত পরীক্ষা করার জন্য এলাকায় রয়েছে ৫০টির বেশি বেসরকারি প্যাথলজিক্যাল ল্যাবরেটরি। ওইসব ল্যাবরেটরিতে রোগী সকাল থেকেই লাইন দিয়ে রক্ত পরীক্ষা করান। এমনকি সরকারি হাসপাতালের আউটডোরের রোগীরাও বেসরকারি ল্যাবরেটরিগুলিতে রক্ত পরীক্ষা করিয়ে থাকেন। এমন অবস্থায় অনেক রোগীর জন্য তা ব্যয়বহুল হয়ে পড়ে বলে দাবি। যদিও এবার ওই সরকারি হাসপাতালের আউটডোর ও ইনডোর বিভাগের রোগীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রক্ত পরীক্ষা করা হবে দ্রুততার সঙ্গে। সম্প্রতি স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ওই হাসপাতালে একটি অটোমেটিক হেমাটোলজি অ্যানাইজার মেশিন এসে পৌঁছয়। এরপর সোমবার থেকে এর ট্রায়াল শুরু হয়েছে।
হাসপাতাল সূত্রে জানান হয়েছে, নতুন এই মেশিনে একসঙ্গে ৩৬ ধরনের রক্ত পরীক্ষা করা হবে। আবার ৬০টি রক্তের নমূনা একসঙ্গে পরীক্ষা করা হবে। এবিষয়ে কান্দি মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক সৌমিক দাস বলেন, নতুন মেশিনে একঘণ্টার মধ্যেই রোগীর রক্ত পরীক্ষা করা হবে। এরফলে রোগীর চিকিৎসায় দ্রুততা আসবে। এটির ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এতে সমস্ত রক্তকণিকার মাত্রা, হিমোগ্লোবিন সহ ৩৬ ধরনের পরীক্ষা করা যাবে।
এমন ঘটনায় রোগীর পরিবারের মধ্যেও খুশি নেমে এসেছে। সোমবার হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা করতে আসা কান্দির বাঘডাঙা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে রক্ত পরীক্ষা শুরু হলে অনেক রোগী দালালদের হাত থেকে রেহাই পাবেন। বাইরের ল্যাবরেটরিতে রক্ত পরীক্ষা করতে গেলেই দালালদের হাতে পড়তে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে অন্তত এমনটা হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। এবিষয়ে হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, শুধু এই মেশিন বলে নয়। আগামী দেড় মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এই হাসপাতালের আমূল পরিবর্তন আসতে চলেছে। এখানে ডায়ালসিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগের বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা করার জন্য যন্ত্র এসে পৌঁছবে। আর কান্দিতে দালালরাজ কোনমতেই চলতে দেওয়া যাবে না।
হাসপাতাল সূত্রে জানান হয়েছে, নতুন এই মেশিনে একসঙ্গে ৩৬ ধরনের রক্ত পরীক্ষা করা হবে। আবার ৬০টি রক্তের নমূনা একসঙ্গে পরীক্ষা করা হবে। এবিষয়ে কান্দি মহকুমা স্বাস্থ্য আধিকারিক সৌমিক দাস বলেন, নতুন মেশিনে একঘণ্টার মধ্যেই রোগীর রক্ত পরীক্ষা করা হবে। এরফলে রোগীর চিকিৎসায় দ্রুততা আসবে। এটির ট্রায়াল শুরু হয়েছে। এতে সমস্ত রক্তকণিকার মাত্রা, হিমোগ্লোবিন সহ ৩৬ ধরনের পরীক্ষা করা যাবে।
এমন ঘটনায় রোগীর পরিবারের মধ্যেও খুশি নেমে এসেছে। সোমবার হাসপাতালের আউটডোরে চিকিৎসা করতে আসা কান্দির বাঘডাঙা এলাকার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, সরকারিভাবে রক্ত পরীক্ষা শুরু হলে অনেক রোগী দালালদের হাত থেকে রেহাই পাবেন। বাইরের ল্যাবরেটরিতে রক্ত পরীক্ষা করতে গেলেই দালালদের হাতে পড়তে হচ্ছে। সরকারি হাসপাতালে অন্তত এমনটা হবে না বলে মনে করা হচ্ছে। এবিষয়ে হাসপাতালের রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি কান্দির বিধায়ক অপূর্ব সরকার বলেন, শুধু এই মেশিন বলে নয়। আগামী দেড় মাসের মধ্যে রাজ্য সরকারের সহযোগিতায় এই হাসপাতালের আমূল পরিবর্তন আসতে চলেছে। এখানে ডায়ালসিস সহ বিভিন্ন জটিল রোগের বিভিন্ন ধরণের পরীক্ষা করার জন্য যন্ত্র এসে পৌঁছবে। আর কান্দিতে দালালরাজ কোনমতেই চলতে দেওয়া যাবে না।



