Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

হ্যাটট্রিক মিসের আক্ষেপ মিটছে না দিয়ামানতাকোসের, সেমি-ফাইনালের পরিকল্পনা শুরু ইস্ট বেঙ্গলের

ইস্ট বেঙ্গল কোচ হিসেবে প্রথম ডার্বি জয়। রবিবার যুবভারতীতে মর্যাদার লড়াইয়ে মোহন বাগানকে সব বিভাগে টেক্কা দিয়েছে অস্কার ব্রুজোঁর ছেলেরা।

হ্যাটট্রিক মিসের আক্ষেপ মিটছে না দিয়ামানতাকোসের, সেমি-ফাইনালের পরিকল্পনা শুরু ইস্ট বেঙ্গলের
  • ১৯ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০১
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ইস্ট বেঙ্গল কোচ হিসেবে প্রথম ডার্বি জয়। রবিবার যুবভারতীতে মর্যাদার লড়াইয়ে মোহন বাগানকে সব বিভাগে টেক্কা দিয়েছে অস্কার ব্রুজোঁর ছেলেরা। আর এই জয়ের পরই দীর্ঘ ২১ বছর বাদে ডুরান্ড কাপ জয়ের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন লাল-হলুদ অনুরাগীরা। ইতিমধ্যেই টুর্নামেন্টে ১৪বার জাল কাঁপিয়েছে ইস্ট বেঙ্গল। গোল হজম করেছে মাত্র দু’টি। তাই স্বাভাবিক ভাবেই সেমি-ফাইনালে ওঠা বাকি তিনটি দলের চেয়ে খেতাব জয়ের দৌড়ে অনেকটাই ফেভারিট সাউল ক্রেসপোরা। কোচ অস্কার ব্রুজোঁ অবশ্য সেই জোয়ারে গা ভাসাতে নারাজ। বরং যাবতীয় আত্মতুষ্টি দূরে সরিয়ে আপাতত শেষ চারের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হচ্ছেন তিনি। বুধবার সেমি-ফাইনালে মশালবাহিনীর প্রতিপক্ষ ডায়মন্ডহারবার এফসি। এবারই প্রথম ডুরান্ড কাপে প্রতিনিধিত্ব করছে তারা। তারউপর, গ্রুপ পর্বে মোহন বাগানের কাছে পাঁচ গোল হজম করেছিল কিবু ভিকুনা-ব্রিগেড। তা সত্ত্বেও শেষ চারের লড়ইেয়ে প্রতিপক্ষকে হাল্কাভাবে নিতে নারাজ লাল-হলুদ কোচ। ইতিমধ্যেই ডায়মন্ডহারবারকে নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছেন অস্কার।

Advertisement

গত মরশুমে ফুটবলারদের চোট-আঘাতের জেরে বারবার ভুগেছিল ইস্ট বেঙ্গল। তাই নতুন মরশুমে এই দিকটায় সবচেয়ে বেশি নজর দেন অস্কার। কলকাতার তিন প্রধানের মধ্যে সবার আগে অনুশীলনে নামেন মহেশরা। সেটাই শেষ পর্যন্ত রবিবার বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়। অস্কার যদিও মেনে নিলেন, এখনও দল সেরা ছন্দে আসেনি। আরও উন্নতি প্রয়োজন। একইসঙ্গে ডুরান্ড কাপের পরপর দু’টি ম্যাচে সেটপিস মুভমেন্ট থেকে গোল হজম করল ইস্ট বেঙ্গল। আগামী ম্যাচের আগে এই জায়গায় মেরামত করাই লক্ষ্য অস্কারের।
এদিকে, রবিবার পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে জোড়া লক্ষ্যভেদে ইস্ট বেঙ্গলকে জয় এনে দিয়েছিলেন দিমিত্রিয়স দিয়ামানতাকোস। গত মরশুমটা মোটেই ভালো কাটেনি গ্রিক স্ট্রাইকারের। চলতি মরশুমের শুরুতে তাঁকে রিলিজ করার ব্যাপারেও ভাবনাচিন্তা শুরু করেছিল টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির কারণে শেষ পর্যন্ত টিকে যান তিনি। স্কোয়াডে থাকলেও রবিবার প্রথম একাদশে জায়গা হয়নি তাঁর। আর সেটাই যেন তাতিয়ে দিয়েছিল দিয়ামানতাকোসকে। ম্যাচের শেষলগ্নে সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে, ডার্বিতে হ্যাটট্রিকও করতে পারতেন তিনি। আর ম্যাচ শেষে সেই আক্ষেপই বারবার ঝড়ে পড়ছিল তাঁর গলাতে। লাল-হলুদ স্ট্রাইকার বলেন, ‘ডার্বি জয়ের আনন্দই আলাদা। আমরা প্রতিটি বিভাগে দুরন্ত ফুটবল মেলে ধরেছি। সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারতাম। আমি নিজে একটি সহজ সুযোগ নষ্ট করি। তবে দিনের শেষে সমর্থকরা হাসি মুখে বাড়ি ফিরেছেন, সেটাই সবচেয়ে বেশি তৃপ্তির।’
ডার্বিতে পেশির চোটে মাঠ ছে঩ড়েছিলেন হামিদ আহদাদ। সোমবার তাঁর এমআরআই করা হয়। চোট খুব একটা গুরুতর না হলেও সেমি-ফাইনালে তাঁর খেলা নিয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তা। মঙ্গলবার অনুশীলনে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন কোচ অস্কার ব্রুজোঁ।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ