নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সুপার কাপের গ্রুপ পর্বে গোয়ার সালভাদোরে অনুশীলন করাতেন অস্কার ব্রুজোঁ। ছবির মতো মাঠ স্প্যানিশ কোচের ফেভারিট। সেমি-ফাইনালের আগে চেনা ভেন্যুতেই প্রস্তুতি সারতে চেয়েছিলেন ইস্ট বেঙ্গল কোচ। বিধি বাম। স্কুল স্পোর্টসের কারণে সালভাদোর মাঠ পাওয়া অসম্ভব। অগত্যা অন্য মাঠ খুঁজতে ব্যস্ত লাল-হলুদ থিঙ্কট্যাঙ্ক। প্রতিপক্ষ পাঞ্জাব এফসি’র সেই চিন্তা নেই। নিজেদের ঘরের মাঠে প্রস্তুতি সেরে ডিসেম্বরের গোড়ায় গোয়া পৌঁছোবে তারা। শুক্রবার প্রস্তুতি ম্যাচে ৪-১ গোলে ডেম্পোকে হারায় অস্কার ব্রিগেড। সুপার কাপে এই ডেম্পোর বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র হয়েছিল ম্যাচ। সূত্রের খবর, গোয়ার ক্লাবটির বিরুদ্ধে নজর কেড়েছেন সাউল ক্রেসপো। তাছাড়া জাপানি স্ট্রাইকার হিরোশিও অনেক চনমনে। জাল কাঁপালে স্ট্রাইকারের আত্মবিশ্বাস বাড়ে। ডেম্পোর বিরুদ্ধে জোড়া লক্ষ্যভেদের পর হিরোশিই নিশ্চয়ই চাঙ্গা থাকবেন। তাঁকে কি প্রথম দলে ব্যবহার করা হবে? ভাবনা শুরু টিম-ম্যানেজমেন্টের। অস্কারের পছন্দ ৪-২-৩-১ ফর্মেশন। সিঙ্গল স্ট্রাইকারের ভূমিকায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হামিদই ছিলেন প্রথম দলে। মরক্কান স্ট্রাইকার জায়গা নিতে পারেন। তাঁর ছটফটানি বিপক্ষের চিন্তার কারণ। কিন্তু সহজ পরিস্থিতিতে গোল নষ্টের প্রবণতা হামিদের বড় দুর্বলতা। বড় ফুটবলার ফিফটি-ফিফটি পরিস্থিতিতেও ম্যাচের রং বদলাতে পারেন। হামিদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। সেক্ষেত্রে হিরোশি গোল পেলে চিন্তা কমবে থিঙ্কট্যাঙ্কের। দীর্ঘদেহী হিরোশির হেডিং তুখোড়। টানা প্র্যাকটিসে আগের চেয়ে অনেকটাই ফিট। ফার্স্ট ইলেভেনে দেখা গেলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। কার্ড সমস্যায় নির্ভরযোগ্য দুই উইং ব্যাককে পাবেন না পাঞ্জাব। জাতীয় দলে খেলা উভেসের ঘাটতি মেটানো বড় চ্যালেঞ্জ। সেটা বুঝেই উইং থেকে আক্রমণের ঝড় তুলতে চান ব্রুজোঁ। তাঁর হাতে বিষ্ণু, বিপিন, এডমুন্ডের মতো উইং হাফ রয়েছেন। প্রয়োজনে নাওরেম মহেশের সঙ্গে শাফল করে উইংয়ে সরে যান মিগুয়েল। ব্রাজিলিয়ান মিডিও ফুটবল খেলেন মস্তিষ্ক দিয়ে। মিগুয়েল ক্লিক করলে অস্কারের কাজ সহজ হবে।



